এবিবি-ফান প্রশ্ন- ৫২ || ভালোবাসা যদি বাজারে কিনতে পাওয়া যেত, কেমন হতো?
আমার বাংলা ব্লগের নতুন উদ্যোগ- এবিবি-ফান এ সবাইকে স্বাগতম জানাচ্ছি। এটা সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী একটি উদ্যোগ, শুধুমাত্র ভিন্নভাবে কিছু বিষয় নিয়ে আনন্দ উপভোগ করার জন্যই করা হয়েছে। বিষয়টি যেন আরো বেশী আকর্ষণীয় হয়ে উঠে সেই জন্য প্রতিদিন পাঁচজনকে $২.০০ ডলার করে মোট $১০.০০ ডলার এর ভোট দেয়া হবে। তবে অবশ্যই যারা নিয়মগুলো মেনে এই উদ্যোগের সাথে সংযুক্ত হতে হবে।
এবিবি-ফান এর মাধ্যমে প্রতিদিন একটি প্রশ্ন শেয়ার করা হবে, বাস্তব বিষয় নিয়ে যা প্রতিনিয়ত আমরা আমাদের চারপাশে দেখে থাকি। তারপর সে প্রশ্নের উত্তরটি একটু ভিন্নভাবে দিতে হবে। আমরা প্রশ্নটির সঠিক উত্তর জানতে আগ্রহী নই কিংবা সঠিক উত্তরটি জানতে চাই না। বরং প্রশ্নটির ভিন্ন ধরনের এবং মজার কিছু উত্তর জানতে চাই। সুতরাং যে প্রশ্ন করা হবে, সেই প্রশ্ন সম্পর্কে আপনার নিজের ক্রিয়েটিভিটি, সৃজনশীলতা এবং মজার চিন্তা ভাবনা জানাতে হবে, যার ক্রিয়েটিভিটি যত বেশী আকর্ষণীয় ও মজার হবে, সে বিজয়ী হওয়ার ততো বেশী সম্ভাবনা তৈরী করতে পারবে। যেমন, প্রশ্ন করা হলো আকাশের রং কেন নীল? উত্তরগুলো এই রকম হতে পারে, আকাশের বউয়ের মন খারাপ, আকাশের বান্ধবীর পছন্দের রং নীল, এই রকম মজার মজার নানা ধরনের উত্তর দিতে পারবেন আপনারা। আশা করছি সকলের অংশগ্রহণে উদ্যোগটি সফলতা পাবে।
আজকের প্রশ্নঃ
ভালোবাসা যদি বাজারে কিনতে পাওয়া যেত, কেমন হতো?
প্রশ্নকারীঃ
প্রশ্নকারীর অভিমতঃ
তাহলে সবাই ভালোবাসতে চাইতো। যত ভালোবাসা উৎপাদন তত পয়সা আগমন। 🤓
অংশগ্রহণের নিয়মাবলীঃ
- উত্তরটি সর্বোচ্চ ৫০ শব্দের মাধ্যমে দিতে হবে।
- উত্তর বা কমেন্টটি এডিট করা যাবে না।
- একজন ইউজার শুধুমাত্র একবারই উত্তর দিতে পারবে।
- অন্যের উত্তর কপি করা যাবে না।
- উত্তর/কমেন্টটি অবশ্যই মজার হতে হবে।
- এডাল্ট উত্তর/কমেন্ট দেয়া যাবে না।
- পোষ্টটি অবশ্যই রিস্টিম করতে হবে।
ধন্যবাদ সবাইকে।
| আমার বাংলা ব্লগের ডিসকর্ডে জয়েন করুনঃ | ডিসকর্ড লিংক |
|---|





তাহলে ব্যবসায়ীর ব্যবসায় লাল বাতি জ্বলতো। কারণ টাকা দিয়ে কেউ আপদ কিনতে চায় না। 😅😅😅
তাহলে ভালো মানের ভালোবাসাগুলি বিদেশে বেশি দামে রপ্তানি হতো আর পড়ে থাকা ভালোবাসাগুলি ফরমালিন দিয়ে এই দেশে পড়ে থাকতো বিক্রির জন্য।😅😅
ভালোবাসা বাজারে কিনতে পাওয়া গেলে লোকে কিনতো ঠিকই কিন্তু পুরাতন হলে আবার এসে বিক্রি করে দিয়ে যেত। 😂
সবমিলিয়ে ভালোই হতো। লোকে কিনতে পারুক আর না পারুক বাজারে গিয়ে নেড়েচেড়ে দেখে আসতো।😜
বাঙালিরা খুব কমই কিনতো ভাই, ফ্রিতে নেড়েচেড়ে মজা নিতো হি হি হি
হু ভাই, তাহলে মাঝেমধ্যেই বাজারে যেতাম। চা খেতে আরকি।।।। 😌
হুম, নাম হতো চা কিন্তু নাড়াচাড়া খেতো অন্য কিছু হি হি হি
আরিফ ভাইকে বাজারের মধ্যে ছেড়ে আমরা দৌড় মারতাম। যা খাওয়ার আরিফ ভাই খেতো। 😜
🤣🤣🤣
ফ্রিতে নেড়েচেড়ে দেখার কি সুযোগ থাকছে মামু?? হাহাহা
বাজারে বিক্রি হলে তো সুযোগ থাকার কথা 😜
বাঙালি যেমন, তাহলে ভালোবাসা কিনতো না। প্রতিদিন নেড়েচেড়ে আসতো🤣
নেড়েচেড়ে দেখার বিষয়টা বেশ চমৎকার ছিল নতুন নতুন মডেলের ভালোবাসা দেখে আসতাম
ভালোবাসা বাজারে কিনতে পাওয়া গেলে তো খুবই ভালো হতো। যদি কেউ ভালোবাসার কথা বলতে আসতো তাহলে তাকে দশ টাকা দিয়ে বলতাম যে বাজার থেকে ভালোবাসা কিনে নাও। আমাকে মাফ করো।
তাহলে আমার বউ আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দিতো। কারণ আমি ভালোবাসা কিনতে কিনতে আমার দান করতে করতে ফকির হয়ে যেতাম।
তাহলে পাইকারি দরে অনেকগুলো কিনে রেখে পরে দাম বাড়িলে আস্তে আস্তে বিক্রি করতাম। আর ব্যবসায় মালামাল হয়ে যেতাম😋😀😋
এখনো তো তাই হচ্ছে মানুষ টাকার পেছনে ঘুরছে, টাকা দিয়ে কেনা যায় এই সমাজের ভালোবাসা, পরিবারের ভালোবাসা, ভালোবাসার মানুষের ভালোবাসা, বন্ধুদের ভালোবাসা। তাই যদি বাজারে ভালোবাসা বিক্রি করা হতো সেইটাও মধ্যবিত্তদের হাতের নাগালের বাইরেই থাকতো।
ভালই হতো,কেনা জিনিস খারাপ হলে ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা থাকতো।
হুম, পাল্টে নেয়া যেতো, আবার ভালো না হলে বিক্রিও করা যেতো হি হি হি
খাসা বলেছেন মশাই
এইটা ভালো ছিল কারণ বাজে কিছু স্মৃতি মানুষকে সারাজীবন বহন করতে হত না।
তাহলে ভালোবাসা বিক্রেতারা ইলন মাস্কে টিককা পারতো😂
অর্থাৎ পৃথিবীতে ধনী লোক ভালোবাসা বিক্রেতারাই হত। কারণ খাঁটি ভালবাসার বেশ অভাব 🙂
আর গরীবরা বাজারে দিয়ে ফ্রিতে নেড়েচেড়ে দেখে আসতো, ভালোবাসা কিনতে না পারলেও ফ্রিতে দেখতে পারতো।
ভাই বড়লোক এবং নেতাদের ভিড়ে গরীবরা বাজারেই যেতে পারত না।ফ্রি দেখা তো দূরের কথা নিজের খাবারের জন্য বাজারটাও করতে পারতো না।
এমনিই প্রকৃত প্রেমিক বা প্রমইকা ভালোবাসার মূল্য পায় না। তার উপর যদি পুঁইশাকের মত বাজারে কিনতে পাওয়া যেত তাইলে কিছু মানুষ কিনত আর কাঁটা চচ্চড়ি বানিয়ে খেয়ে নিত।
হুম, মাঝে মাঝে চিংড়ি দিয়ে আবার মাঝে মাঝে ইলিশ দিয়ে, ভালোই স্বাদ হতো হি হি হি।
হ্যাঁ। জমে ক্ষীর হয়ে যেতো। 😄
সাথে চিতল মাছের কোস্তার সাথে দিলে ও খুবই অসাধারণ রেসিপি হতো।হা হা হা।
তাহলে তো ভালই হতো, ভালোবাসা খেতে কিরকম সেটাও বুঝা যেত।
এখনও কিছু মানুষ থাকে যারা দিব্যি ভালোবাসা খেয়ে নিজের পেট ভরে। তখন আরো বেশী হত।
হাহাহা। ভালবাসা খাবার জিনিস হলে পৃথিবীর আর থাকবে না ভাইয়া ।
লবণ পরিমাণমতো দিয়ে ভালোবাসাটি কেও খেয়ে ফেলা যেত হাহাহা