অনুভুতিমুলক পোস্ট ||| সেকাল একাল ||| original writing by @saymaakter.
আসসালামু আলাইকুম। আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ কমিউনিটির সকল ভাই ও বোনেরা আশা রাখি সুস্থ আছেন এবং সুন্দর সময় অতিবাহিত করছেন।আমিও আলহামদুলিল্লাহ মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে পরিবারসহ বেশ ভালো আছি।
বরাবরের মতো আজকে আবারো আপনাদের মাঝে নতুন একটি ব্লগ নিয়ে হাজির হতে চলেছি। আমার ব্লগগুলো আপনারা পড়ে, আপনাদের সুচিন্তিত মতামত প্রদান করেন। এই বিষয়টি আমাকে অনেক বেশি উৎসাহিত করে। তাইতো ব্লগ লেখার আগ্রহ সব সময় বৃদ্ধি পায়। চলুন আর কথা না বাড়িয়ে আজকের অনুভূতিমূল ব্লগটিতে কি লিখেছি তা দেখে নেওয়া যায়।
আজকে বিশ্বকাপের যাত্রা শুরু। এই ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে মনে হয় মানুষের কিছু স্মৃতি, কিছু ভালো লাগা, কিছু খারাপ লাগার মনে পড়ে যায়। ঠিক তেমনি আমারও কিছু স্মৃতির কথা মনে পড়ে গেল। তাই মনে হলো স্মৃতিগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করি কারণ আপনারা তো আমার পরিবারের একটি অংশ। আমি মনে করি আমার পরিবারের পাশাপাশি আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটি আমার আরেকটি পরিবার, যেখান থেকে আমি আমার উৎসাহ উদ্দীপনা পেয়ে থাকি।
বেশ আগে একটি বিশ্বকাপের কথা আপনাদেরকে বলতে চাই। সে সময় বিশ্বকাপ খেলা দেখাটার জন্য খুব বেশি বাসায় টিভি ছিল না কিন্তু সৌভাগ্যক্রমে আমাদের একটি টিভি ছিল।আর সেই টিভিতে ফুটবল খেলা দেখার জন্য গ্রামের লোকজন আস্ত আর তাদেরকে বসতে দেওয়ার জন্য আমাদের বাসায় যত ধরনের চেয়ার, টুল, বিছানা এমনকি কিছু চট পেরে দেওয়া হত। এরপরেও যদি কারো বসার জায়গা হত না,তারপরেও তারা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে এই ফুটবল খেলা দেখতো। এতে কখনো তাদের কোন অসন্তুষ্টি ছিল না কারণ তারা মনে করত এরপরেও তো খেলা দেখতে পাচ্ছি।
কিন্তু এই পরিবেশটিকে হয়তোবা অনেকেই খারাপ ভাবতো কিন্তু আমরা অনেক উৎসাহে সবার বসার ব্যবস্থা করার জন্য ব্যস্ত থাকতাম। আবার আমাদের নিজ দলের যেদিন খেলা হত আমরা মুড়ি চানাচুর পিয়াজ কাঁচা মরিচ এক সাথে মেখে নিয়ে বড় বড় ডিশে করে সবাইকে বিতরণ করতাম আর যতক্ষণ খেলা চলত ততক্ষণ এই খাওয়া চলতো। মনে হইত যে আমরা মনে হয় স্টেডিয়ামে বসে সরাসরি খেলা দেখছি কারণ যখন নিজ দলের খেলোয়ার বল পাসিং করত তখন এত জোরে চিল্লাচিল্লি করতো যেটা স্টেডিয়ামে খেলার সময় হত।
কিন্তু বর্তমানে বাসায় একা রুমে একা বসে খেলা দেখা তার মধ্যে কি মজা আছে? তাই এই স্মৃতিটাকে আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। যদি আপনাদের কাছে ভালো লাগে অবশ্যই আপনাদের সুচিন্তিতত্ব মতামত প্রদান করবেন।
আমার পরিচয়।
আমি মোছাঃ সায়মা আক্তার।আমি একজন ব্লগার, উদ্যোক্তা।কবিতা লিখতে, নতুন কোনো রেসিপি তৈরি করতে এবং নতুন নতুন ডিজাইন সৃষ্টি করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি।আমি উদ্যোক্তা জীবনে সব সময় গ্রামের অবহেলিত মহিলাদের নিয়ে কাজ করি।আর এই অবহেলিত মহিলাদের কাজ নিয়ে দেশের স্বনামধন্য কিছু প্রতিষ্ঠানে প্রোভাইড করি এবং দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বর্তমানে বিদেশেও রপ্তানি করছি।আর এসব কিছুর পিছনে আমার এই অবহেলিত মহিলাদের উৎসহ এবং উদ্দীপনায় সম্ভব হয়েছে।তাই সব সময় আমি অবহেলিত মানুষের পাশে থাকতে এবং অবহেলিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে খুব ভালো লাগে।এজন্যই সব সময় অবহেলিত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি এবং তাদের সহযোগিতায় নিজেকে সব সময় সম্পৃক্ত রাখি।আমি ২০২১ সালের আগস্ট মাসে স্টিমিটে যুক্ত হই।আমার বাংলা ব্লগে শুরু থেকে আছি এবং এখন পর্যন্ত আমার বাংলা ব্লগেই ব্লগিং করে যাচ্ছি।
🇧🇩আল্লাহ হাফেজ🇧🇩




