সন্তান মারা গেলে তার নাম কি হয়?

আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।

IMG_0378.jpeg


আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।

প্রতিনিয়ত আমাদের জীবন থেকে আমাদের প্রিয়জনেরা চলে যাচ্ছে। প্রতিনিয়ত আমাদের জীবন থেকে আমাদের প্রিয়জনেরা ধীরে ধীরে করে বিদায় নিচ্ছে। আসলে বিদায় কতটা কষ্টকর, সেটা যাদের প্রিয়জন তাদেরকে ছেড়ে চলে যায়, তারা একমাত্র বলতে পারবে। আসলে এই শোক কেমন একটা শোক, যেটা কখনো ভুলতে পারা যায় না। বিশেষ করে আমাদের, যাদের প্রিয়জন মারা যায়, তাদের আমরা নানান ধরনের সম্পর্কের খাতিরে নাম দিই। অর্থাৎ, আমি যেটা বলতে চাইছি, সেটা হলো যাদের আসলে স্ত্রী মারা যায় কিংবা যাই হোক না কেন, স্বামী-স্ত্রী মারা গেলে তাদের আমরা বলি বিধবা। কারো যখন স্বামী মারা যায় তখন তার একটা নাম থাকে এবং যখন কারো আসলে বাবা-মা মারা যায়, সেটারও একটা নাম থাকে। অর্থাৎ বলা হয় যে বাচ্চাগুলো এতিম হয়ে গেল।

আসলেই যা, এই নামগুলো বিশেষ কোন ব্যাপার নয়। বিশেষ ব্যাপার হলো এই যে, তাদের কষ্ট, তাদের কষ্টের পরিধিটা আমরা বুঝতে পারি। অর্থাৎ এই তিনটা শব্দ ব্যবহার করলেই আমরা বুঝতে পারি যে, হ্যাঁ এটা সত্যি অনেক বেশি কষ্টের কিংবা বিধবা। এই শব্দগুলো হয়তোবা ব্যবহার করার মাধ্যমে আমরা কখনোই আসলে তাদের কষ্টের ভাগ নিতে পারবো না, কিন্তু তাদের যে অসীম কষ্ট হচ্ছে, সেটা আমরা বুঝতে পারি। কিন্তু যাদের কথা আসলে আমরা হয়তো ভাবতেও পারি না, কিংবা যাদের আসলে নাম দেওয়ার মত কোন নাম নেই, সেটা হলো যারা নিজের সন্তান-সন্ততি হারায়। আসলে তাদের হয়তোবা কষ্টের পরিমাণ এত বেশি যে, সেটা হয়তো আমরা নাম পর্যন্ত দিতে পারি না।

আমার কাছে সত্যিই খুব অবাক লাগে, যাদের আসলে ছোট ছোট সন্তান মারা যায় কিংবা যাদের সন্তান-সন্ততি মারা যায়। আসলে একটা ব্যাপার খেয়াল করে দেখুন, একটা বাবা-মা যখন তার বাচ্চাদের মানুষ করে বড় করে তোলে, তখন কিন্তু সে এত বেশি আদর-যত্নে আগলে রাখে যে একটু মাটিতে পা পড়তে দেয় না। বিশেষ করে খেয়াল করবেন, আমরা আমাদের বেশিরভাগ বাচ্চাদেরকে কিন্তু বেশিরভাগ সময়, বিশেষ করে ঠান্ডার সময়, কখনোই জুতো ছাড়া ঘরে হাঁটতে দিই না। কেন বলুন তো? কারণ ঠান্ডা গায়ে লাগবে তাই। আর সেই সন্তানগুলো যখন মারা যায়, তাও বিভিন্ন দুর্ঘটনায়, বিশেষ করে অনেক বড় বড় দুর্ঘটনা যেমন আগুন লেগে যাওয়া, পানিতে পড়ে যাওয়া, তখন আমি জানিনা যে এই বাবা-মা গুলো এই শোক কিভাবে কাটিয়ে ওঠে। আসলে তারা কখনোই এই কষ্ট কাটিয়ে উঠতে পারে না, কারণ এই কষ্ট আসলে কাটিয়ে ওঠার মতন নয়।


ABB.gif