অপরিপক্বতার দোহাই!
কিন্তু সেই মানুষগুলোকেই আবার একদল মানুষ কী করে যেনো বাঁচিয়ে দেয়, সেটা নিয়েই ভাবলাম আজকে আপনাদের সাথে একটু কথা বলা যাক। আসলে আমি যেটা খেয়াল করেছি, সেটা হলো এই যে, এই ধরনের যারা উদ্ভট কাজ করে কিংবা যাদের আসলে কমনসেন্স খুব একটা ভালোভাবে কাজ করে না এবং কিছু কিছু মানুষ রয়েছে, যারা অন্য মানুষকে অপ্রস্তুতিতে ফেলে দেয়, তাদেরকে আবার গাইড করার জন্য কিংবা তাদেরকে আসলে আড়াল করার লোকের অভাব হয় না। এটাই আমার সবচেয়ে বড় বিরক্তির জায়গা। অর্থাৎ কোনো একটা মানুষ দিনের পর দিন অন্য মানুষকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলছে, আর তাদেরকেই অন্য কিছু মানুষ সেইফ করেই চলেছে।
আসলে এই মানুষগুলো আমাদের জন্য অনেক বেশি বিরক্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করে। আসলে ওই মানুষগুলো যখন ওই খারাপ, অর্থাৎ ওই বিরক্তিকর মানুষগুলোকে নিরাপত্তা দেয় কিংবা আড়াল করে, তখন তারা এটাই বলে যে ওই ছেলেটি কিংবা ওই মেয়েটি এখনো ছোট, তেমন একটা বুঝের বয়স হয়নি কিংবা অপরিপক্ক। অর্থাৎ এই কথাগুলো আমার কাছে খুব অদ্ভুত মনে হয়। কারণ যে মানুষটি দিনের পর দিন অন্য মানুষের বিরক্তির কারণ হয়ে যাচ্ছে, কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য মানুষকে বিরক্ত করছে, সে আর যাই হোক, অপরিপক্ক এটা আমার মানতে কেনো যেনো মন সায় দেয় না। কারণ যে অপরিপক্ক, সে কিন্তু হুট করে ভুল করতে পারে। কিন্তু অনেক ছোট বাচ্চা যারা, তারা হয়তো মানুষকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলতে পারে। কিন্তু অনেক বয়স্ক হওয়ার পরেও যারা এই যে ছোট সেজে থাকে, ওদেরকে আমার অসম্ভব বিরক্তিকর লাগে, সত্যি কথা বলতে। কিন্তু দুঃখের ব্যাপার হলো, আমাদের চারপাশে এই ধরনের লোকের আবার একেবারেই অভাব নেই।

