একতরফা ভালোবাসা (প্রথম পর্ব)

in আমার বাংলা ব্লগlast year

নমস্কার সবাইকে,

তোমরা সবাই কেমন আছো? আশা করি, সবাই অনেক অনেক ভাল আছো। আমিও ভালো আছি।

hands-7679387_1280 (1).jpg

ইমেজ সোর্স

বন্ধুরা, আজকের নতুন একটি ব্লগে তোমাদের সবাইকে স্বাগতম। আজকের ব্লগে তোমাদের সাথে একতরফা ভালোবাসা নিয়ে কিছু কথা শেয়ার করবো। ভালোবাসা খুবই পবিত্র একটি শব্দ। কিন্তু এই বর্তমান সময়ে সত্যিকারের ভালোবাসার মানুষ খুব একটা দেখা যায়না।তবে কিছু কিছু মানুষের ক্ষেত্রে এখনো বেঁচে আছে এই সত্যিকারের ভালবাসা। ভালোবাসা বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। দুই তরফা হয় আবার একতরফাও হয়। দুই তরফা ভালোবাসা বলতে আমরা বুঝি যখন দুজন মানুষ দুজনকে ভালোবাসে সেটি দুই তরফা।আর যখন দুজন মানুষের মধ্যে একজন ভালোবাসে আর অপরজন ভালোবাসে না সেটা হলো একতরফা। আজকে আমাদের একতরফা ভালোবাসার জুটির নাম হলো রাজ-নন্দিনী। বর্তমান যুগ সোস্যাল মিডিয়ার যুগ।আর এই সোস্যাল মিডিয়ার যুগে আমরা নানা মানুষের সাথে পরিচিত হই।আর এই গল্পের রাজ-নন্দিনীর ও পরিচয় হয় এই সোস্যাল মিডিয়াতেই।

নন্দিনীর বয়স তখন সতেরো আর রাজের বয়স তখন তেইশ এর কাছাকাছি প্রায়। নন্দিনী তখন সদ্য কলেজে উঠেছে আর রাজ তখন ভার্সিটির তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। তাদের দুজনের জীবন দুজনের মতই চলছিলো। নন্দিনীর স্যোশাল মিডিয়ায় অনেকের সাথেই পরিচয় হয় বন্ধুত্ব হয়। ঠিক একই ভাবেই রাজের সাথে ও তার বন্ধুত্ব হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় আর পাঁচ জনের সাথে যেমন বন্ধুত্ব হয় রাজও নন্দিনীকে ঠিক একই ভাবে একসেপ্ট করেছিল। কিন্তু নন্দিনী রাজের সাথে প্রথম কথা বলায় প্রথম দেখায় ভালোবেসে ফেলেছিল রাজকে। আর নন্দিনী সেটা রাজের সাথে কথা বলার দ্বিতীয় দিনই রাজকে জানিয়ে দেয়। কিন্তু রাজ নন্দিনীর এই ভালোবাসার প্রস্তাব অস্বীকার করে। অস্বীকার করার কারণ হিসেবে রাজ জানায় যে তাদের লং ডিসটেন্স। কারণ লং ডিস্টেন্স রিলেশনশিপ খুব কমই পূর্ণতা পায়। আর দুদিনের কথা বলায় কেউ কাউকে কিভাবে ভালোবাসতে পারে এসব নানা কারণে রাজ নন্দিনীর প্রস্তাব অস্বীকার করে।

চলবে..


◾▪️◾পোস্ট বিবরণ◾▪️◾

শ্রেণীক্রিয়েটিভ রাইটিং
লোকেশনবারাসাত, নর্থ ২৪ পরগনা, ওয়েস্ট বেঙ্গল।
বন্ধুরা, আজকে শেয়ার করা এই পোস্টটি তোমাদের কেমন লাগলো তা কমেন্ট এর মাধ্যমে জানিও। সবাই ভালো থাকো, সুস্থ থাকো , সুন্দর থাকো ,হাসিখুশি থাকো , নিজের পরিবার নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকো , সবার জন্য এই শুভকামনা রইল।

ধন্যবাদ সবাইকে






আমার পরিচয়

IMG_20220728_164437.jpg

আমি সুবীর বিশ্বাস( রঙিন)। কলকাতার বারাসাতে আমি বসবাস করি। আমি স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে আমার গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করেছি, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফিস এন্ড ফিসারিস সাবজেক্ট নিয়ে। বর্তমানে আমি রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যানরত আছি। আমি ব্যক্তিগতভাবে একটু শান্ত স্বভাবের । চুপচাপ থাকতেই বেশি ভালোবাসি আমি। নতুন নতুন জিনিস শিখতে আমার খুব ভালো লাগে। মাঝে মাঝে আর্ট করা, ফটোগ্রাফি করা, রেসিপি করা , গল্প লেখা আমার বেশ ভালো লাগে। আমি স্টিমিটকে অনেক ভালোবাসি এবং সব সময় স্টিমিটে কাজ করতে চাই।

Original image no longer available

🌷🌷 সমাপ্ত 🌷🌷

Original image no longer available

Add a little bit of body text_20240911_022744_0000.png

Sort:  

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.

 last year 

আপনার পোস্ট পড়ে অনেক ভালো লাগলো। আসলে ভাইয়া নন্দিনী কেন এভাবে যেকেউ এর প্রস্তাব সামনে প্রত্যাখকান করলে ভালো লাগে না। তবে এক তরফা ভালোবাসা কখনো হয় না।দেখা যাক পরবর্তী পর্বে কি হয়।

 last year 

এটা ঠিক লং ডিস্টেন্স রিলেশনশিপ একেবারেই কম পূর্ণতা পায়। তবে ভালোবাসা সত্যি হলে ডিস্টেন্স কোনো ম্যাটার করে না। যাইহোক রাজ যেহেতু নন্দিনীর ভালোবাসার প্রস্তাব অস্বীকার করেছে, দেখা যাক পরবর্তীতে কি হয়। তবে একতরফা ভালোবাসায় কষ্ট অনেক বেশি। নন্দিনী সেটা হাড়ে হাড়ে টের পাবে। যাইহোক এতো চমৎকার একটি গল্প আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।