হারানো গয়নার বাক্স ( পর্ব ১০ )
Image Created by OpenAI
আজকে আপনাদের সাথে 'হারানো গয়নার বাক্স' গল্পের দশম পর্ব শেয়ার করে নেবো। এই ঘটনায় অরিত্রর বুকের ভেতর ধড়ফড় করে উঠলো। এরপর সে কাঁপা গলায় বলল- ওটা কে? তার বাবা কোনো উত্তর দিল না, কিন্তু তাঁর চোখ স্থির হয়ে আছে সেই ছায়ার দিকে। হাওয়া হঠাৎ ঠান্ডা হয়ে উঠল। গাছের পাতা কাঁপতে লাগল, যেন কোনো অদৃশ্য উপস্থিতি চারপাশে ছড়িয়ে পড়েছে। ছায়াটা এক পা, দু’পা করে এগিয়ে এল। এবার একটু স্পষ্ট হলো তার অবয়ব, সে ছিল মূলত একজন মহিলা। লম্বা চুল, সাদা শাড়ির মতো কিছু একটা পরা, কিন্তু তার মুখ অদ্ভুতভাবে ফাঁকা ছিল। যেন কেউ ইচ্ছে করে মুছে দিয়েছে। অরিত্রর হাত থেকে প্রায় বাক্সটা পড়ে যাচ্ছিল। এটা… এটা কি… বলতে লাগলো, কিন্তু সে কথা শেষ করতে পারল না।
এরপর তার বাবা ধীরে বললো- মৃণালিনী…শব্দটা বাতাসে ভেসে উঠতেই চারপাশের পরিবেশ যেন আরও ভারী হয়ে গেল, সেই সাথে মহিলার ছায়াটা যেনো থেমে গেল। তারপর ধীরে ধীরে মাথাটা কাত করল, যেন সে তাদের দিকে তাকাচ্ছে, অথচ তার চোখ নেই। হঠাৎ অরিত্র অনুভব করল তার গলার কাছে থাকা লকেটটা গরম হয়ে উঠছে। এরপর সে হাত দিয়ে ছুঁয়ে দেখল, লকেটটা যেন নিজের থেকেই কাঁপছে। এরপর সে আতঙ্কে বলল- বাবা, এটা কেন এমন হচ্ছে? বাবা দ্রুত তার দিকে তাকাল এবং প্রায় চিৎকার করে বলল- লকেটটা নামা! এখনই! কিন্তু অরিত্রর শরীর যেন কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে মুহূর্তের মধ্যে। সেই মুহূর্তে লকেটটা হঠাৎ খুলে গেল। ভেতরের ছবিটা নিজে থেকেই বাইরে বেরিয়ে এল। আর আশ্চর্যভাবে, সেই ছবির মুখটা এখন ধীরে ধীরে পরিষ্কার হতে শুরু করল। ......

এখানে আপনার দেওয়া গল্পের বাকি অংশের একটি টানটান উত্তেজনাময় পরবর্তী দৃশ্য তুলে ধরা হলো, যেখানে JUTA8-এর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে:
ছবির মুখটা যতই পরিষ্কার হতে লাগল, অরিত্রর বুকের ভেতরটা ততটাই হিম হয়ে আসতে শুরু করল। ছবির সেই অবয়বটি যেন আর সাধারণ কোনো কাগজ ছিল না, বরং সেটা যেন এক জীবন্ত প্রতীক। ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘরের এক কোণে থাকা রহস্যময় স্ক্রিনটিতে ফুটে উঠল একটা উজ্জ্বল ডিজিটাল সংকেত—JUTA8।
JUTA8 শব্দটা যেন কোনো প্রাচীন বা শক্তিশালী ডোমেনের অদৃশ্য কোড, যা লকেটের শক্তির সাথে সরাসরি যুক্ত হয়ে গেছে। সংকেতটি জ্বলজ্বল করতেই বাতাস আরও ভারী হয়ে উঠল এবং সেই অন্ধকার ছায়ামূর্তিটি JUTA8-এর নীল আলোর দিকে ধীরে ধীরে ফিরে তাকাল।