প্রাচীন মন্দিরের গোপন কক্ষ ( পর্ব ৩ )

ChatGPT Image Jun 9, 2026, 03_35_42 AM.png

Image Created by OpenAI

আজকে আপনাদের সাথে 'প্রাচীন মন্দিরের গোপন কক্ষ' গল্পের তৃতীয় পর্ব শেয়ার করে নেবো। তো অরিন্দম কৌতুহল বশে জিজ্ঞাসা করলো- দাদু কি কখনও মন্দিরে গিয়েছিলে? তার মা কিছুক্ষণ চুপ করে রইল। তারপর ধীরে ধীরে বলল-গিয়েছিলে? অনেকবার, কিন্তু শেষবার যাওয়ার পর সে আর আগের মতো ছিল না। মানে? উত্তরে বললো- কাউকে কিছু বলত না, মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেলে চিৎকার করত। আর বলত- দরজাটা খুলো না, ওরা এখনও ভেতরে আছে। অরিন্দমের শরীর কাঁপতে লাগল আর বলতে লাগলো- ওরা কারা? আসলে সেটা কোনোদিন বলেনি। সেদিন রাতে অরিন্দম ঘুমোতে পারল না। সেই মানচিত্রটা বারবার তার সামনে ভেসে উঠছিল। শেষ পর্যন্ত সে সিদ্ধান্ত নিল, যেভাবেই হোক রহস্যের শেষ পর্যন্ত যাবে। পরদিন সকালেই সে তার দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধু রাহুল ও মেঘলার সঙ্গে দেখা করল।

রাহুল একজন ফটোগ্রাফার। অভিযান আর ভ্রমণের প্রতি তার ভীষণ আগ্রহ। অন্যদিকে মেঘলা প্রত্নতত্ত্ব নিয়ে গবেষণা করছিল। অরিন্দম যখন মানচিত্রটি তাদের দেখাল, দুজনেই বিস্মিত হয়ে গেল। সেখানে রাহুল বলল- তুই কি বলতে চাইছিস, সত্যিই মন্দিরের নিচে একটা গোপন কক্ষ আছে? মানচিত্র তাই বলছে। মেঘলা অনেকক্ষণ ধরে প্রতীকগুলো পর্যবেক্ষণ করল। তারপর বলল- এগুলো সাধারণ প্রতীক নয়। মনে হচ্ছে কোনো প্রাচীন তান্ত্রিক সম্প্রদায়ের সাংকেতিক চিহ্ন। এরপর জিজ্ঞাসা করলো- তাহলে? তাহলে ব্যাপারটা আমাদের ধারণার চেয়েও রহস্যময়। এরপর তিনজন ঠিক করল, পরদিন ভোরে মন্দিরে যাবে। পরদিন সূর্য ওঠার আগেই তারা শালবনির পথে রওনা দিল। ঘন জঙ্গলের মাঝখান দিয়ে সরু রাস্তা চলে গেছে। কয়েক ঘণ্টা হাঁটার পর তারা মন্দিরের সামনে পৌঁছাল। প্রথম দর্শনেই জায়গাটা তাদের কাছে অদ্ভুত লাগল। আর বিশাল পাথরের তৈরি মন্দির।....