Better Life with Steem||The Diary Game|| 20 July 2026||
প্রতিদিনের মতো আজও সকাল সকাল ঘুম থেকে জেগে উঠি। ঘুম থেকে উঠেই কিছু সময় প্রকৃতির মাঝে হাঁটাহাঁটি করতে বের হই। সকালের নির্মল
পরিবেশে কিছুক্ষণ সময় কাটিয়ে যখন বাড়ির দিকে ফিরছিলাম, তখন রাস্তা দিয়ে একটি ট্রাক্টর যেতে দেখি। দৃশ্যটি আমার ভালো লাগায় মোবাইল বের করে একটি ছবি তুলে রাখি, যা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করলাম।
বাড়িতে ফিরে হাত-মুখ ধুয়ে ফ্রেশ হয়ে রুমে আসি। এরপর আমাকে একটি বড় পারুটি খেতে দেওয়া হয়। পারুটিটা সবাই মিলে ভাগ করে খাওয়ার আগে একটি ছবি তুলে রাখি। তারপর সকলে একসঙ্গে নাস্তা শেষ করি।
আজ অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা শুরু হওয়ায় প্রতিদিনের তুলনায় একটু আগে, সাড়ে ৯টার আগেই স্কুলে চলে যাই। স্কুলে পৌঁছে পরীক্ষার দায়িত্ব পালন করি।
পরীক্ষা চলাকালীন কয়েকটি ছবি তুলে রাখি, যা এই পোস্টে শেয়ার করেছি। পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় এবং এ কার্যক্রম পুরো জুলাই মাসজুড়েই চলবে।
পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর সকল শিক্ষক মিলে উত্তরপত্র অফিসে জমা দিই। এরপর হালকা নাস্তার ব্যবস্থা ছিল, সেটি খেয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিই।
বাড়ি ফেরার পথে আমার স্ত্রী ফোন করে জানায়, তার মাথাব্যথার জন্য ওষুধ নিয়ে যেতে। তাই স্কুল থেকে বের হয়ে ছোট ভাই ফরিদুলের ওষুধের দোকানে যাই।
সেখান থেকে প্রয়োজনীয় ওষুধ কিনে কিছুক্ষণ সময় কাটিয়ে বাড়িতে ফিরে স্ত্রীকে ওষুধটি দিই। ওষুধ পেয়ে সে অনেক খুশি হয়। এরপর আমি নিজেও ফ্রেশ হয়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিই।
এর কিছুক্ষণ পর আমার স্ত্রী জানায়, তার মায়ের মোবাইলে নেটওয়ার্ক সমস্যা হয়েছে। তাই বিকেল চারটার দিকে মোবাইলটি নিয়ে আমাদের এলাকার মেকারের কাছে যাই। তিনি মোবাইলটি পরীক্ষা করে
খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সমস্যার সমাধান করে দেন। আমি ভেবেছিলাম হয়তো অনেক টাকা লাগবে, কিন্তু তিনি মাত্র ৫০ টাকা নেন। কাজ করার সময় একটি ছবিও তুলে রেখেছিলাম, যা এই পোস্টে শেয়ার করেছি।
আমাদের এলাকার আলম মেকার খুবই দক্ষ একজন মানুষ। মোবাইল কিংবা ইলেকট্রনিক্সের যেকোনো সমস্যায় আমি সাধারণত তার কাছেই যাই। তার কাজ যেমন ভালো, তেমনি অন্যদের তুলনায় তিনি অনেক কম টাকা নেন। তাই তার প্রতি আমার আস্থা অনেক বেশি।
মোবাইল ঠিক করিয়ে বাড়ি ফেরার পথে শাহিনের সঙ্গে দেখা হয়। এরপর বাজারে বসে তার সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টা গল্প করি। সন্ধ্যার আগেই বাড়িতে ফিরে আসি।
আজ আর কোথাও বের হইনি। পরিবারের সঙ্গেই পুরো সন্ধ্যাটা কাটিয়েছি।দেখতে দেখতে রাত আটটা বেজে যায়। তখন পরিবারের সবাই মিলে রাতের খাবার খাই। খাবার শেষে কিছু সময় মোবাইল ব্যবহার করি। এরপর রাত যখন দশটার বেশি হয়ে যায়, তখন প্রতিদিনের মতো ঘুমিয়ে পড়ি।
এভাবেই কেটে গেল আমার আজকের পুরো দিন। আশাকরি আমার দিনের ছোট ছোট মুহূর্তগুলো আপনাদের ভালো লাগবে।যদি পোস্টটি আপনাদের ভালো লাগে,তাহলে অবশ্যই মন্তব্যের মাধ্যমে আপনার মূল্যবান মতামত জানাবেন।সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন।আল্লাহ হাফেজ।
![]() |
|---|






