Better Life with Steem||The Diary Game|| 22 June 2026||
প্রতিদিনের মতো সকাল সকাল ঘুম থেকে জেগে উঠি। ঘুম থেকে জেগেই আজও প্রকৃতির মাঝে কিছুটা সময় কাটানোর উদ্দেশ্যে বাইরে বের হই। প্রকৃতির মাঝে ঘুরে বেড়ানোর পাশাপাশি চারপাশের মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য উপভোগ করি এবং স্মৃতি হিসেবে কয়েকটি ছবি তুলে রাখি, যা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করেছি।
প্রকৃতির নির্মল পরিবেশে সময় কাটিয়ে মনটা সত্যিই অনেক ভালো হয়ে যায়। তাই এখন প্রায় প্রতিদিনই
সকালবেলা কিছুটা সময় প্রকৃতির সান্নিধ্যে কাটানোর চেষ্টা করি। প্রায় এক ঘণ্টা ঘোরাঘুরি করে এরপর বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিই।
বাড়িতে এসে দেখি আমার মামাতো ভাই নয়ন কাঠাল পাড়ার জন্য গাছে উঠছে। দৃশ্যটি আমার কাছে বেশ ভালো লাগায় একটি ছবি তুলে রাখি। এরপর নয়ন কাঠাল পাড়তে থাকে আর আমিও তাকে যতটুকু পারি
সাহায্য করি। প্রায় এক ঘণ্টা পর আমাদের কাজ শেষ হয়। তারপর ফ্রেশ হয়ে একটি পাকা কাঠাল ভেঙে আমাদের পরিবার এবং নয়নদের পরিবারের সবাই মিলে আনন্দের সঙ্গে খাই। কিছুক্ষণ পর আবার সকালের নাস্তা শেষ করে স্কুলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিই।
সকাল ১০টার দিকে স্কুলে পৌঁছে প্রথমে কিছু সময় অফিসে বসে সহকর্মীদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করি। এরপর দপ্তর ফরিদ ভাই ক্লাসের ঘণ্টা বাজালে
আমরা সবাই নিজ নিজ শ্রেণিকক্ষে চলে যাই। প্রতিদিনের মতো আজও দুপুর পর্যন্ত চারটি ক্লাস নিই। ক্লাস শেষে টিফিনের সময় বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিই।
বাড়ি ফেরার পথে দাদার দোকান থেকে পারুটি ও আরও কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস কিনে নিয়ে আসি। বাড়িতে এসে সবকিছু মায়ের হাতে দিই। মা সবার মধ্যে ভাগ করে দিলে আমরা সবাই মিলে খাই।
খাওয়ার আগে কয়েকটি ছবি তুলে রাখি। এরপর কিছুক্ষণ পর দুপুরের খাবার খেয়ে অল্প সময় বিশ্রাম নিই এবং আবার দুপুর ২টার আগেই স্কুলে ফিরে যাই। সময়মতো ক্লাস শুরু হলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত পাঠদান শেষে স্কুল ছুটি হয়।
স্কুল থেকে ফেরার সময় মাস্টার বাজার থেকে ১০০ টাকা দিয়ে একটি ডাব কিনে আনি। কয়েকদিন ধরে প্রচণ্ড গরম পড়ায় ডাবের পানি খেয়ে বেশ স্বস্তি লাগে। ডাব খাওয়ার পর মায়ের রুমে গিয়ে দেখি আমার
পোষা বিড়ালটি বিছানার পাশে সুন্দর করে শুয়ে আছে। দৃশ্যটি খুব ভালো লাগায় একটি ছবি তুলে রাখি। এরপর মাকে ডেকে বললাম, “দেখো তো, বিড়ালটা কত সুন্দর করে শুয়ে আছে।” মা হেসে বললেন, “বিড়াল তো এমনভাবেই শুয়ে থাকে।”
বিকেলের দিকে কিছু সময় বাড়িতে থাকার পর সন্ধ্যার আগে ভাতিজার দোকানে যাই। সেখানে গিয়ে শুনি তার ফোনে সমস্যা হয়েছে। ফোনে ভিডিও দেখা যাচ্ছিল না এবং কলও ঠিকমতো যাচ্ছিল না। সে
আমাকে সমস্যাটি ঠিক করে দিতে বললে আমি সেটি ঠিক করে দিই। ফোন ঠিক হয়ে যাওয়ায় সে অনেক খুশি হয়। খুশি হয়ে আমাকে একটি স্পিড খাওয়ায়। এরপর আমি, ভাতিজা এবং বুদ্দু মামা—আমরা তিনজন একসঙ্গে স্পিড খাই।
এরপর রাত প্রায় ৯টা পর্যন্ত দোকানে বসে নানা বিষয়ে গল্প করি। কিছুক্ষণ পর বাড়ি থেকে ফোন এলে বাড়িতে ফিরে যাই। বাড়িতে গিয়ে রাতের খাবার খেয়ে কিছু সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করি। এরপর রাত ১০টার পর ঘুমিয়ে পড়ি।
এই ছিল আমার সেদিনের পুরো দিনের কার্যক্রম। আশা করি আমার আজকের দিনলিপিটি আপনাদের ভালো লাগবে। ভালো লাগলে অবশ্যই মন্তব্যের মাধ্যমে আপনার মূল্যবান মতামত জানাবেন। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।







