Better life with steem//The Diary Game// 22 th July, 2026
![]()
|
|---|
Hello,
Everyone,
কেমন আছেন আপনারা সকলে? আশাকরছি সকলে ভালো আছেন, সুস্থ আছেন এবং আপনাদের সকলের আজকের দিনটি খুব ভালো কেটেছে।
আমার সারাটা দিনও আজ মোটামুটি ভালোই কেটেছে। তবে কোমর ব্যথায় গত দুদিন ধরে বেশ কষ্ট পাচ্ছি। আসলে একই জায়গায় দুবার ব্যথা পেয়েছি, ওষুধ খেলে ব্যথা কম থাকে কিন্তু ওষুধ না খেলে আবার পুনরায় ব্যথা শুরু হয়।
আর সত্যি কথা বলতে এই ব্যথা সম্পূর্ণ নিরাময়ের আর কোনো উপায় নেই। বয়স বাড়ার সাথে সাথে ব্যথার তীব্রতা বোধহয় এই ভাবেই বাড়বে। তবে নিয়মিত যদি ব্যায়াম করা যায় তাহলে অনেকটা ভালো থাকা সম্ভব। কিন্তু সমস্যা এখানেই। নিয়মিতভাবে কোনো কিছুই এখন আর করা হয়ে ওঠে না।
যাইহোক চলুন সারাটা দিন আজ কিভাবে কাটালাম, সেকথা আপনাদের সাথে এই পোস্টের মাধ্যমে শেয়ার করি,-
|
|---|
![]()
|
|---|
আজ যেহেতু বুধবার, তাই শুভর অফিস ছিলো। আর সেই কারণেই নির্দিষ্ট সময়ে অ্যালার্মের শব্দে ঘুম ভাঙলো আমার। ঘুম থেকে ওঠার সময় বা তারপরে কিছু সময়, কোমর ব্যথা বেশি অনুভব করি। তবে তারপর ধীরে ধীরে যখন কাজ করতে শুরু করি, তখন আর ততটাও অনুভূত হয় না।
ব্যথা পাওয়ার পরে যখন ডাক্তার দেখিয়েছিলাম তিনি বলেছিলেন কোমর নিচু করে কোনো কাজ করা যাবে না। তবে সংসার করতে গেলে সব সময় ডাক্তারের সমস্ত কথা মেনে চলার সম্ভব হয় না। এই কারণেই হয়তো এই ব্যথা আরও বাড়তে থাকে। সংসারে একাধিক এইরকম কাজ আছে, যেগুলো করার জন্য আপনাকে উঁচু নিচু হতেই হবে। তখন কোমরে চাপ পড়াটা স্বাভাবিক।
![]()
|
|---|
যাইহোক ফ্রেশ হয়ে ঠাকুরের শয়ন তুলে, পুজোর ফুল তুলে, তারপর এসে রান্না বসালাম। রান্না করতে করতে সময় মত শুভকে ডেকে দিলাম এবং ওকে চাও করে দিলাম। আজকাল খুব একটা চা খায় না। বেশিরভাগ দিনে ব্ল্যাক কফি খায়। আজ অনেকদিন বাদে চা খেতে চাইলো।
তাই ওকে আর শাশুড়ি মাকে চা করে দিলাম। অফিসের রান্না শেষ করে ব্রেকফাস্ট এর জন্য রুটিও তৈরি করলাম। সময় মতো ব্রেকফাস্ট সেরে শুভ অফিসে বেরিয়ে গেলে, আমি কমিউনিটির একটু কাজ সারলাম। ততক্ষণে শাশুড়ি মাও ব্রেকফাস্ট করে নিয়েছিলেন।
কিছু জামা কাপড় গতকাল ধুয়ে দিয়েছিলাম। বৃষ্টি শুরু হতেই আবার সেগুলোকে আবার তুলে রেখে আসলাম। তারপর আমিও ব্রেকফাস্ট করে নিলাম। তারপর দিদির সাথে কিছুক্ষণ ফোনে কথা বললাম। আসলে এবছর বিপত্তারিণী পুজো করা হয়নি, যেহেতু আমাদের অশৌচ চলছে। তবে দিদি পুজো করেছে গতকাল, আমাদের জন্য সুতো রেখেছে সে কথা জানানোর জন্যই ফোন করেছিলো।
|
|---|
![]()
|
|---|
এই সমস্ত কাজ করতেই বারোটার বেশি বেজে গেলো। তারপর উপরে গিয়ে ঠাকুরের পূজোর বাসন মেজে, ঘর মুছে, সবকিছু সেরে স্নান করতে গেলাম। আগামীকাল বৃহস্পতিবার শ্যাম্পু করা যাবে না, তাই আজ তেমন একটা রোদ্দুর না হলেও শ্যাম্পু করে নিলাম। তার আগে অবশ্য বাথরুম পরিষ্কার করে আরও কিছু জামা কাপড় ধুয়ে দিয়েছিলাম।
রোদ্দুরের আশায় থাকলে জামা কাপড় জমতেই থাকে। এখন টানা রোদ্দুর পাওয়া কঠিন, যেহেতু শ্রাবণ মাস চলছে। তাই মাঝে মধ্যেই বৃষ্টি হবে। আর তার মাঝে যেটুকু রোদ্দুর উঠবে, তাতেই জামা কাপড় শুকাতে হবে। যাইহোক স্নান সেরে পূজো দিয়ে একেবারে নিচে নামলাম।
![]()
|
|---|
এদিকে রান্না ঘরের বাকি কাজ ততক্ষণে শাশুড়ি মা সেরে নিয়েছিলেন। এরপর একসাথে দুজনে খাওয়া দাওয়া করলাম। অনেকদিন বাদে আজ শাশুড়ি মা কাঁচা আম দিয়ে চাটনি রান্না করেছিলেন। তার সাথে অনেক খেজুরও দিয়েছিলেন। মোট কথা আজকে চাটনিটা খেতে অসাধারণ হয়েছিলো। খাওয়া-দাওয়া শেষ করে কিছুক্ষণ বাদে শুয়ে পড়লাম। তারপর কখন ঘুমিয়ে পড়লাম বুঝতেও পারিনি। সন্ধ্যার কিছু সময় আগে ঘুম ভেঙেছে।
|
|---|
![]()
|
|---|
ঘুম থেকে উঠে উপরে গিয়ে কিছুক্ষণ ছাদে ঘোরাঘুরি করে সময় কাটালাম। আমাদের লেবু গাছে এবছর বেশ অনেকগুলোই লেবু হয়েছিলো। পাড়া-প্রতিবেশী অনেককেই লেবু দেওয়া হয়েছে। তারপরেও গাছে কয়েকটা লেবু রয়েছে। পাতিলেবুগুলো অনেক বড় বড় হয়, খোসা বেশ পাতলা আর রস হয় অনেক। আরো কিছু লেবু পেকে যাচ্ছে দেখে তাদের একটা ছবি তুললাম।
তারপর একেবারে সন্ধ্যা পুজো দিয়ে নিচে নামলাম। এরপর কিছুক্ষণ ফোনে কথা বললাম। তারপর আমি আর শাশুড়ি মা মিলে একটু টিভি দেখছিলাম। শুভ আজ বেশ অনেক আগেই অফিস থেকে ফিরেছে। সকালেই অবশ্য ওকে একটা ওষুধ আনতে বলেছিলাম। আসলে যখন কোমরে ব্যথা পেয়েছিলাম তখন একজন হোমিওপ্যাথি ডাক্তার দেখিয়েছিলাম।
![]()
|
|---|
আর তিনি আমাকে এই ওষুধটা নিয়মিত খেতে বলেছিলেন। কিন্তু অনেকের মতনই ব্যথা কমে যাওয়ার পরে আর ওষুধ খাওয়ার কথা মনে থাকে না আমার। সেই কারণে আর মাঝখানে কেনা হয়নি। তবে আজ শুভকে আসার সময় ওষুধ নিয়ে আসতে বলেছিলাম। তাই ও আসার সময় ওষুধ নিয়ে এসেছে। আজ থেকে এটা আবার নিয়মিত খেতে শুরু করবো।
|
|---|
বৃষ্টি বৃষ্টি আবহাওয়া রাতের দিকে বেশিরভাগ দিন রুটিই খাওয়া হয়। তবে আজ হঠাৎ করে শুভ বলল রাতের আলুর পরোটা খাবে। সৌভাগ্যবশত ফ্রিজে একটা আলু সিদ্ধ করাও ছিলো। তাই ভাবলাম একেবারে বানিয়ে নিই, আমিও দুটো খেয়ে নেবো।
![]()
|
|---|
অনেকদিন খাওয়া হয়নি আলুর পরোটা। তবে এর সাথে খাওয়ার জন্য আমি আলাদা করে আর কিছু তৈরি করিনি। দুপুরের কিছু তরকারি ছিলো, তার সাথে ডিম ভেজে নিয়েছিলাম। সেটা দিয়েই আমি আর শুভ রাতের ডিনার সেরে নিলাম। শাশুড়ি মা অবশ্য রাতে ভাত খেয়েছেন।
এরপর সমস্ত কিছু গুছিয়ে নিয়ে আমি পোস্ট লিখতে বসলাম। পোস্ট শেয়ার করার পর এখনও কমিউনিটির কিছু কাজ করে, তারপর শুতে যাবো। সবকিছু মিলিয়ে এই ভাবেই কেটেছে আমার আজকের দিনটি। সারাদিন আবহাওয়াটা বেশ ভালোই ছিলো। আর দিনটাও মোটামুটি ভালোই কেটেছে।
যাইহোক সকলের সুস্থতা কামনা করে আজকের লেখা শেষ করছি। ভালো থাকবেন। শুভরাত্রি।










Thank you for sharing on steem! I'm witness fuli, and I've given you a free upvote. If you'd like to support me, please consider voting at https://steemitwallet.com/~witnesses 🌟