Better life with steem//The Diary Game// 24 th July, 2026
![]()
|
|---|
Hello,
Everyone,
আশাকরি আপনারা সকলে ভালো আছেন, সুস্থ আছেন এবং আপনাদের সকলের আজকের দিনটি খুব ভালো কেটেছে।
আমার সারাটাদিনও আজ মোটামুটি ভালোই কেটেছে। তবে শরীরটা খুব একটা ভালো ছিলো না। তার উপরে ছিলো আজ একাদশীর উপবাস। যাইহোক আজকের পোস্টের মাধ্যমে আমি আপনাদের সাথে গতকালকে সারাদিনের কার্যক্রম শেয়ার করতে চলেছি। চলুন তাহলে একেবারে সকাল থেকে শুরু করি,-
|
|---|
![]()
|
|---|
যেমনটা আপনাদের গতকালকের পোস্টেই বলেছিলাম শাশুড়ি মা কে গতকাল শিয়ালদহ স্টেশনে পৌঁছে দিতে গিয়েছিলাম। কারণ তিনি শান্তিনিকেতনের বেড়াতে গিয়েছেন। যেহেতু কয়েকদিন আগে থেকেই কাল যাওয়ার দিনটা ঠিক করা ছিলো, তাই অন্যান্য দিনের তুলনায় গতকাল একটু সকালেই ঘুম থেকে উঠেছিলাম।
রোজকার মতোনই ঠাকুরের শয়ন তুলে, ঠাকুরের পুজোর ফুল তুলে, আমি রান্না ঘরে এসে রান্না বসিয়ে দিয়েছিলাম। যেহেতু শুভর অফিস ছিলো এবং ও বেরোনোর আগেই আমরা বেরোবো, তাই ওর রান্নাটা আগে থেকেই শুরু করেছিলাম।
একাদশীর আগের দিন সংকল্প করার কারণে আমি নিরামিষ খাই। তাই নিজের জন্য আলাদা করে গতকাল আরো কোনো কিছু রান্না করার সময় পাইনি। ভাতের মধ্যেই আলু সেদ্ধ দিয়ে দিয়েছিলাম, সেটা দিয়েই খাবো ঠিক করেছিলাম। বাকি মাছের ঝোল আর ভাজা দিয়ে শুভর টিফিন দিয়ে দিয়েছিলাম এবং শাশুড়ি মা ও ভাত খেয়ে নিয়েছিলেন। যেহেতু সারাদিন ট্রেনেই থাকবেন, তাই সকালের দিকেই ভাত খেয়ে বেরিয়েছিলেন।
![]()
|
|---|
সমস্ত কিছু গোছগাছ করে শুভকে ডেকে দিয়ে, ওর টিফিন গুছিয়ে রেখে আমরা সময়মতো বেরিয়ে পড়েছিলাম। তবে তা করতে গিয়ে শুধু আমার আর কিছু খেয়ে ওঠা হয়নি। তবে একেবারে খালি মুখে বাড়ি থেকে বেরোনো ঠিক হবে না ভেবে, এক কাপ চা করে দুটো বিস্কুট খেয়ে নিয়েছিলাম।
|
|---|
![]()
|
|---|
মাঝখানের গল্প তো আপনাদের সাথে শেয়ার করেছিলাম। কিভাবে আমরা স্টেশনে পৌঁছালাম। তারপর শাশুড়ি মাকে ট্রেনে তুলে দিয়ে আমি বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা করেছিলাম। ট্রেন থেকে নেমে বাড়ি ফেরার সময় একটু ফল কিনে নিয়ে বাড়ি পৌঁছে, কাজকর্ম গুছিয়ে নিয়ে পুজো দিয়েছিলাম।
সকালে যেহেতু ভাত খাওয়া হয়নি তাই আলু সেদ্ধ ছিলো। তবে দুপুরে শুধু আলু সিদ্ধ দিয়ে ভাত খেতে ইচ্ছে করছিলো না। ফ্রিজে শাশুড়ি মা দুদিন আগেই বকফুল এনে রেখেছিলেন, যার বড়া খেতে আমি বেশ পছন্দ করি। তবে সকাল থেকে এতোটা কষ্ট করে, জার্নি করে ফিরে এসে, আমার আর সত্যিই বড়া ভাজতে ইচ্ছে করছিলো না।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
কিন্তু শুধু আলু সিদ্ধ দিয়ে ভাত খেতে ইচ্ছে করছিলো না। তাই একটু কষ্ট করে কয়েকটা ফুলের বড়া করে নিয়েছিলাম। গরম গরম ফুলের বড়া, আর আলু সেদ্ধ দিয়ে তৃপ্তি করে দুপুরে ভাত খেয়েছিলাম। সঙ্গী ছিলো টিভি। কারণ একা আমি ভাত খেতে পারি না। অনেক সময় এরকম হয় সকালে শুভর সাথেই ব্রেকফাস্ট সেরে নিই,আর রাতে ও ফিরলেই খাই।
তবে গতকাল যেহেতু সকালে খাইনি, তাই দুপুরে খেতেই হতো। এই কারণে টিভি চালিয়েই একা একা খেয়েছিলাম। অনেকটা দেরিতে খাওয়া-দাওয়া করে তারপর বেশ কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে নিয়েছিলাম।
|
|---|
বিকালে বাড়িতে একেবারেই ভালো লাগছিলো না। তাই ছাদে গিয়ে একটু হাঁটাহাঁটি করলাম। বিকেলের দিকে গতকাল বৃষ্টি হয়নি। একেবারে সন্ধ্যা পুজো দিয়ে তারপর নেমেছিলাম উপর থেকে। এরপর বেশ কিছুক্ষণ ফোনে বৌদির সাথেও কথা বললাম। তারপর শাশুড়ি মা ও ফোন করেছিলেন।
কিছুক্ষণ বাদে শুভ অফিস থেকে ফিরলো আর তারও কিছুক্ষণ বাদে ওর একটা বন্ধু এলো। ওরা দুজনে কথা বলছিল উপরে। আমি বেশ কিছুক্ষণ টিভি দেখলাম। তারপর নিজের পোস্ট লেখা শুরু করলাম। রাতের দিকে শুভ রুটি খাবে বললো, তবে আমি জোর করলাম যেহেতু আজ একাদশী থাকতে হবে, তাই গতকালকে ভাত খেতেই বলেছিলাম।
|
|---|
![]()
|
|---|
পোস্ট লেখা বেশ কিছুটা এগিয়ে রেখে আমি আবার ভাত বসালাম। সাথে কয়েকটা বেগুনী ভাজলাম। যেহেতু শুভ বকফুলের বড়া খায় না, তাই ওর জন্যই বেগুনী ভাজা। গরম ভাতের সাথে আমি বকফুলের বড়া দিয়েই অল্প একটু ভাত খেলাম। শুভকে একটা ডিম ভেজে দিয়েছিলাম।
ও আসলে একাদশীর উপবাস করে। কিন্তু তার আগের দিন এবং পরের দিন নিরামিষ খাবারটা খেয়ে উঠতে পারে না। তাই এই বিষয়টা আর ওর উপরে জোর করে চাপানো হয়নি।এই জন্য ওকে আমি ডিম, মাছ সবকিছুই দিই। শুধু আমি খাই না।
যাইহোক ওর জন্য সমস্ত খাবার দিয়ে, হাত ধুয়ে তারপর আমি নিজের খাবার নিয়ে নিলাম। তারপর একসাথে রাতের ডিনার শেষ করেছিলাম। এরপর নিজে পোস্ট করে শুয়ে পড়েছিলাম তাড়াতাড়ি।
গতকাল রাত থেকেই শরীরটা একটু খারাপ লাগছিলো। আর আজ উপবাস থাকার কারণে সারাদিনই মোটামুটি দুর্বলতা ছিলো। যাইহোক সবকিছু মিলিয়ে গতকালের দিনটি খুব একটা খারাপ কাটেনি। তবে দিনশেষে শাশুড়ি মা যে সুন্দরভাবে অতোটা দূরে জার্নিটা কমপ্লিট করতে পেরেছিলেন, এটা আমাকে সত্যিই গতকাল এক অন্য রকমের ভালো লাগা দিয়েছিলো।
আজও ফোনে কথা হয়েছে। তিনি ভালো আছেন। যাইহোক এইভাবে কেটেছে আমার গতকালের দিন। কিছু মুহূর্ত আজ আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করলাম। যাইহোক ভালো থাকবেন প্রত্যেকে। সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করে আজকের লেখা শেষ করছি। শুভ রাত্রি।
|
|---|










