Incredible India Monthly Contest of April#2: Self-sacrifice!

আজকে আমার লেখার বিষয়বস্তু কমিউনিটিতে চলমান প্রতিযোগিতার বিষয়!
এখনো যারা এই প্রতিযোগিতার লিংক সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নন তাদের উদ্দেশ্যে নিম্নে প্রতিযোগিতার লিংক উল্লেখিত।
এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে আমি @solperez, @aviral123 এবং @zulay7059 দের আমন্ত্রণ জানাতে চাই!
তাহলে এবার লেখার দিকে এগোনো যাক, এবং আমার নিজস্ব অভিমত প্রকাশ করবার প্রয়াস করছি কোনরকম সহমতের প্রত্যাশা ছাড়াই!
- How do you glance at the term "Self-sacrifice"? Describe.
![]() | ![]() |
|---|
(দেশের রাষ্ট্রপতি যখন একজন নারী!) |
|---|
আমার দৃষ্টিভঙ্গিতে এই শব্দটি কেবলমাত্র চার দেওয়ালের অন্তর্ভুক্ত নয়! শব্দটির অর্থ আর অনেক বেশি গভীর।
যে ত্যাগ কিংবা বলিদানের পিছনে থাকে না আত্মস্বার্থ, যেখানে বলিদানের পিছনে কেবলমাত্র রক্তের সম্পর্ককে সুরক্ষিত রাখবার চাইতে সমগ্র দেশ এবং দেশবাসীর সুরক্ষা অধিক কাজ করে, তাকেই প্রকৃত অর্থে আত্মবলিদান কিংবা আত্মত্যাগ বলে আমি সংজ্ঞায়িত করতে চাই!
উদাহরণস্বরূপ, তুলে ধরবো কোভিড এর সময় কর্মরত সেই সমস্ত মানুষ (ডাক্তার, নার্স সহ সেই ডোম যারা মৃতদেহ সৎকার এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন)
এছাড়াও দেশের সীমান্ত রক্ষার্থে অবিচল থাকা সেই সৈনিক, যারা যেকোনো আবহাওয়ায় নিজের দায়িত্ব থেকে পিছপা হন না!
এদের বলিদানকে আমি আত্মত্যাগ তথা আত্ম বলিদান হিসেবে সংজ্ঞায়িত করবো, অনেক মায়ের ত্যাগ যেখানে জড়িত, যেখানে অনেক সিঁথির সিঁদুর মুছে গেছে!

তেমনি অনেক নারী ঘর থেকে মাসের পর মাস দূরে থেকে মানবসেবার পাশাপশি, দেশের সেবায় নিয়োজিত।
তাই, আমার কাছে ঘরের মধ্যে থাকা অনেক আত্মত্যাগের মাঝে এই ত্যাগের ভূমিকা অধিক।
আমার নজরে এই ত্যাগ সেরা এবং অনেক ত্যাগের ঊর্ধ্বে!
- Do you believe self-sacrifice often helps to enhance relationships? Share your viewpoint!

অবশ্যই! আমি বিশ্বাস করি, নিজের ইচ্ছের পাশপাশি অন্যের ত্যাগের সম-মর্যাদা একটি মানুষকে প্রকৃত অর্থে মানুষ আখ্যায়িত করে।
যেমন, যিনি গৃহবধু তার কাজ সহজ, এই মানসিকতা আজও সমাজে একটি ব্যাধির মত থাবা বসিয়ে রেখেছে, এবং পুরুষের কাজ অর্থ উপার্জন আর সন্তান সামলানোর দায়িত্ব নারির!
এমন অনেক কুসংস্কার এবং অসুস্থ মানসিকতা সেই গৃহবধূর সংসারের প্রতি দায়িত্বের অবমাননা এবং তার একটা গোটা জীবনের সুপ্ত ইচ্ছের একাধিক বলিদানকে অনেক ক্ষেত্রেই ক্ষুণ্ন করে।
তাই অনেক লেখায় উল্লেখ করেছি, আজকেও করছি, আমি সেই বাড়িতে বড় হয়েছি যেখানে একজন নারী দেশের সেবায় নিয়োজিত ছিল, তেমনি ছিল পুরুষ!
আবার ঘরের অভ্যন্তরে পুরুষ তার ক্লান্ত স্ত্রী কাজ থেকে ফিরে কি খাবে সেই চিন্তায় রান্না করা থেকে সন্তান সামলানোর মত কাজগুলো করে নিজেকে কোনো অংশে কম পুরুষ ছিলেন এমনটা কিন্তু নয়!
আর এই একে অপরের পরিপূরক হিসেবে পাশে দাঁড়িয়ে থাকা থেকেই একটি সম্পর্কের ভিত মজবুত হয়।

এবার এটিকে কেউ আত্মত্যাগ হিসেবে ধরে নিয়ে নিজেকে মহান ভাবতে পারেন আবার কেউ ভালবাসার বন্ধনকে মজবুত করবার হাতিয়ার হিসেবে ভাবতে পারেন!
তবে, কেউ গলা জলে দাড়িয়ে থাকবে আর কেউ গোড়ালি ভেজাবে না, এমনটা বেশিরভাগ দেখা যায়, যেটি অনুচিত, তাই একটি সম্পর্কে উভয়ের প্রতি উভয়ের সম্মান সেই সম্পর্কের দৃঢ়তা মজবুত করে।
আত্মত্যাগ কোনো একটি জেন্ডারের জন্য নয়, এটি একটি সম্মিলিত প্রয়াস যেটি উভয়ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হলেই সম্পর্কের বন্ধন গাঢ় থেকে গাঢ়তর করে।
- Self-sacrifice often seeks recognition and respect in return. I invite you to share your justification regarding this notion!

(দেশের জন্য আত্ম বলিদান দেবার পূর্বে দেশের মানুষের জন্য শান্তির বার্তা দিয়ে গেছেন অনেক শহীদ!) |
|---|

আচ্ছা! এই উপরিউক্ত প্রশ্নের উত্তর দেবার পূর্বে যদি আপনাদেরকে একটি প্রশ্ন করি, আপনি সারা বছর কি ভেবে লেখাপড়া করেন?
উত্তর নিশ্চই দেবেন ভালো ফলাফল করতে, তারপর উচ্চ শিক্ষায় নিজেদের শিক্ষিত করে মনের মত কাজে নিজেকে নিয়োগ করতে ইত্যাদি ইত্যাদি!
কি তাই তো?
আরেকটি উদাহরণ রইলো, ধরুন আপনি কোনো বড় রেস্তোরাঁয় খেতে গিয়েছেন, আপনার অর্থ বিনিময়ের মাধ্যমে আপনার কি প্রত্যাশা থাকবে?
নিশ্চই, খাবারের মান উন্নত হবে, এই প্রত্যাশা, কি তাই তো?
তেমনি যারা ঘরের অভ্যন্তরে দিবারাত্র কাজ করেন, সন্তান লালন পালন করেন, তাদের প্রত্যাশা যোগ্য সম্মানের, আবার যারা বিভিন্ন কর্মের সাথে যুক্ত তাদের প্রত্যাশা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা যেনো তাদের পরিশ্রমকে নিরপেক্ষ বিচারের দ্বারা সমাদৃত করেন!

অর্থাৎ আমি উপরের প্রশ্নের সাথে সহমত পোষণ করি যেকোনো কাজ, যেখানে পরিশ্রম নিযুক্ত সেই কাজের সাথে প্রত্যাশা জড়িয়ে থাকে!
বিষয়টি ঘরের অভ্যন্তর থেকে কর্মক্ষেত্র সর্বত্রই প্রযোজ্য যেমনটি উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরলাম।
(যারা হিন্দি বোঝেন গানটির প্রতিটি কথা মনোযোগ দিয়ে শুনবেন! তারপর নিজের আত্মত্যাগ এর সাথে তুলনা করে দেখবেন! সঙ্গে যদিও ইংরেজি সাবটাইটেল রয়েছে!) |
|---|
যদি স্বীকৃতি ও শ্রদ্ধা বিষয়গুলো যেকোনো ক্ষেত্রে সংযোগ করা না হয়, তাহলে সেখানে আত্ম সম্মান অব্যাহত থাকে না, যে কেউ অবলীলায় পদদলিত করে বেরিয়ে যাবে, দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে।

এই ছিল আমার অভিমত প্রতিযোগিতার বিষয় সম্পর্কে, আশাকরি যারা লেখাটি পড়বেন অথবা যারা অংশগ্রহণ করবেন তারাও বিষয়টি নিয়ে নিজেদের অভিমত প্রকাশ করবেন।
নমস্কার!🙏




Curated by: @mahadisalim