The May contest #1 by sduttaskitchen: Soul select soulmates!
আশা করি,
সকলে অনেক ভালো আছেন। আমি ভালো আছি। অনেক দিন বাদে কমিউনিটিতে আয়োজিত কনটেস্ট অংশগ্রহণ করতে চলেছি। এডমিন দিদিকে মন থেকে অনেক ধন্যবাদ জানাই কনটেস্টের আয়োজন করার জন্য এবং সেই সাথে ক্ষমাপ্রার্থী।
আমি আমার তিনজন বন্ধুকে আমন্ত্রণ জানাতে চাই কনটেস্টে অংশগ্রহণের জন্য,
@sharmi.roy, @mou.sumi, @hafizur46n
| Do you believe the term "Soul select soulmates"? Your viewpoint! |
|---|
জীবনের প্রতিটা সিদ্ধান্ত আমাদের অনেক ভাবনা করে নিতে হয় তবে কিছু সিদ্ধান্তের গুরুত্ব যেন অন্য সকল কিছুকে ছাড়িয়ে যায়।
কিছু সিদ্ধান্তের গুরুত্ব এতটাই বেশি যেটার কারনে আমাদের সমগ্র জীবনের সুখ, শান্তি নির্ভর করে। এই সিদ্ধান্তগুলো যদি সঠিক হয় তাহলে নিজেকে পৃথিবীর সব থেকে সুখি মানুষ মনে হয় আবার যদি ভুল হয় তাহলে তার জন্য জীবনটা মলিন হয়ে যায় অশান্তির কালো ছায়ায়!
আত্মা কর্তৃক নির্বাচিত জীবনসঙ্গী একথাটা একেকজনের কাছে একেকরকম হতে পারে।
তবে আমি মনে করি,
আত্মা হলো আমাদের মন,
মন থেকে যাকে জীবন সঙ্গী হিসাবে চায় তাকেই নির্বাচন করা উচিত।
মনের উপর কোনো জোর চলে না, মন যা চায় না জোর করে সেই কাজ আপনি করতে পারবেন না বা করলেও সেটা সৌন্দর্যপূর্ণ হবে না।
খেয়াল করে দেখবেন,
কিছু কিছু সময় আমাদের নীল আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতে মন চায়,
আবার কিছু সময়,,
মেঘলা আকাশ দেখতে ভালো লাগে।
অবাক হয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকি। চোখ ফিরিয়ে আনতে চাইলেও খানিক বাদে আবার চোখ যায় সেই দিকে যেটা আমার মন উপভোগ করছে।
জীবনসঙ্গী নির্বাচন করার ক্ষেত্রেও তাই!
জোর করে কাউকে আমার উপর চাপিয়ে দিলে তাকে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। ভালোবাসা, অনুভূতি আসে মন থেকে জোর করে কারো থেকে যেমন পাওয়া যায় না, তেমনই চাইলেই কাউকে মনে জায়গা দেওয়া যায় না।
তাই আমি বিশ্বাস করি,
জীবন থেকে আত্মা কর্তৃক নির্বাচিত হয়!
| Please provide insights into the factors contributing to the breakdown of relationships. |
|---|
ছবিটা বন্ধুর মোবাইলে তোলা |
|---|
সম্পর্ক ভাঙার অনেক কারন রয়েছে তবে আমার কাছে মনে হয়, সব থেকে প্রধান কারন হলো সম্মান!
নাহ, দুজনের প্রতি দু'জনের সম্মানের কথা বলছি না।
আমি বলছি, সম্পর্কের প্রতি দুজনের সম্মানের কথা।
( রাম, শ্যাম, যদু, মধু) ইত্যাদি ইত্যাদি যে কোনো কিছুই হতে পারে একটা সম্পর্কের নাম।
আবার কোনো নাম নাও থাকতে পারে। তবে সম্পর্কে সম্মান থাকাটা আবশ্যক। আর যদি সেটা হয় জীবনসঙ্গী নির্বাচন করার ক্ষেত্রে, তাহলে
সম্পর্কের প্রতি সম্মান থাকা আবশ্যক।
ভাবতে পারেন, কেন এত সম্মান সম্মান করছি???
যখন দুজন মানুষের সমান ভাবে সম্পর্কে প্রতি সম্মান থাকে তখন দু'জনের কাউকেই জিজ্ঞেস করতে হয় না যে, তুমি আমার বিশ্বাস ভাঙবে না তো,
তুমি আমাকে ঠকাবে না তো, তুমি আমাকে সত্যি ভালোবাসো তো??
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর আলাদা করে খুজতে হয় না! কারন কি জানেন,
যদি কেউ কাউকে ভালোবাসে, তার বিশ্বাসের মূল্য দেয় তাহলে তাকে অসম্মান করতে পারে না আর না তাকে ছোটো করে দেখে!
তখন এই প্রশ্নগুলোর উওর এমনিতেই পরিষ্কার হয়ে যায় দু'জনের কাছে।
যেখানে সম্মান থাকে সেখানে, ভালোবাসা, বিশ্বাস এমনিতেই থাকে!
একটা সম্পর্কে ঝগড়া, মতের মিল -অমিল সবই থাকে। তবে সব কিছুর পরও একটা সম্পর্কে বন্ধন ছিড়ে যায় না যদি সেখানে অনুভূতির ভাটা না পড়ে।
ঝগড়া করার পর যদি দু'জনের একই ভাবে মনের মধ্যে চঞ্চলতা কাজ করে, কোনো কিছু মন না বসে বা সব কিছু স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত যদি দু'জনের পাগলামির শেষ থাকে না , এ এক এমন পাগলামি যেটার কোনো বয়সসীমায় আটকে থাকে না তাহলে বুঝতে হবে সেই সম্পর্ক আজও অটুট আছে।
খেয়াল করলে দেখবেন,
কোনো সম্পর্ক বিচ্ছেদের সময় কারন জানতে চাইলে দু'জনের মধ্যে একজন বা কোনো দু'জনই বলবে,
এই সম্পর্কে বিরক্ত হয়ে গেছি
ছোটো এই লাইনের মধ্যে কতটা কত অশ্রু, আবেগ আর নিষ্ঠুরতা লুকিয়ে আছে সেটা হয়ত যারা শোনে নি কখনও তারা বুঝবে না!
নিরব কান্নার আওয়াজ যখন অপর মানুষটা শুনতে পায় না সেটাই সম্পর্ক বিচ্ছেদের প্রথম ধাপ!
| What are the fundamental principles that both parties must uphold to sustain a long-term relationship? |
|---|
সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ইচ্ছে থাকতে হবে।
সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ইচ্ছে থাকলে যেকোনো পরিস্থিতিতে টিকিয়ে রাখা যায়, এখানে অযুহাতের কোনো জায়গা নেই।
আচ্ছা, আজ পর্যন্ত কি দেখেছেন,
সম্পর্কে অবস্থানরত দুজনেই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ইচ্ছে থাকার পরও সম্পর্ক ভেঙে গিয়েছে???
কোনো একজনের কাছ থেকে যখন গুরুত্বহীনতা দেখা যায় বা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার অনীহা দেখা যায় বা কখনও কখনও দু'জনের মধ্যেও গুরুত্ব কমে যায়,
তখনই একটা সম্পর্কে মৃত্যু ঘটে যায়!
একটা সম্পর্কে কতটা ভালোবাসা আছে যেটা বিষয় না, তবে যতটুকু ভালোবাসা আছে যেটায় সততা থাকে!
কোনো কারনে দুরত্ব যতই হোক না কেন একে অপরের প্রতি মনের দুরত্ব না যেন না হয়!
একে অপরের ভুল গুলো মানিয়ে নিতে পারলে যেকোনো সম্পর্ক সুন্দর।
মেনে নেওয়া আর মানিয়ে নেওয়ার মধ্যে তফাত আছে
কেউ ভুল করলে অপরজন যদি সেটা মেনে নেয় তাহলে মনের ভিতর হয়ত খানিক লাঞ্চনা রয়ে যায়।
কেউ আমার ভুলগুলো মেনে নিয়েছে এমন ভাবনা ভাবতেও হয়ত মনে মনে নিজেকে অপরাধী মনে হবে সারাক্ষণ ।
কিন্তু অপরদিকে,
কেউ একজন আমার ভুলগুলোর সাথে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছে এটা ভাবতেও গর্ব হবে, যে হয়ত সঠিক মানুষ কেউ বেছে নিয়েছি যে আমার সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিচ্ছে।
মানিয়ে নেওয়ার সদিচ্ছাটা দু'জনেরই থাকতে হবে।
নৌকার একপাশে বৈঠা বাইলে যেমন নৌকা দিক এলোমেলো হয়ে যায় তেমনই একতরফা ভালোবাসা আর একতরফা ভাবনা দিয়ে কোনো সম্পর্ক দীর্ঘদিন টিকে থাকবে না।
সম্পর্কে সময় দেওয়াটা অনেক জরুরি।
না সুন্দর সময় কাটানোর জন্য নয়, একে অপরকে বোঝার জন্য হলেও জরুরি ।
সেই সাথে গুরুত্ব দেওয়াটা জরুরি। আমি আগেই বলেছি, ভালোবাসা হলো এমন একটা পাগলামি যেটার কোনো বয়স নেই।
আমি অবুঝের মতো পাগলামি করছি জেনেও সেই পাগলামি করতে আমার ভালো লাগছে এই অনুভূতিগুলোই ভালোবাসা
যতদিন এই পাগলামিগুলো থাকবে ভালোবাসায় কোনো মরচে পড়বে না।
ভালোবাসার মানুষের রাগ, অভিমান ভাঙাতে ভুল শিকার করতে গিয়ে কান ধরাটা অসম্মান নয় বরং দায়িত্ব এই ভাবনাগুলো হয়ত ভালোবাসায় এক অন্য রকম সৌন্দর্য যোগ করে।
চাইলেই হাজারো ব্যস্ততার মাঝে ভালোবাসার মানুষের ফোনের উওর দেওয়া যায় আবার চাইলেই একটা মেসেজ করে ব্যস্ততার কথা জানানো যায়! আবার অন্যদিকে,
ব্যস্ততার ছদ্মবেশে তার ফোন কলকে উপেক্ষা করাও যায়! হয়ত এতে উপেক্ষাকারীর কিছু আসবে যাবে না কিন্তু অপরপক্ষের মানুষটা হয়ত অধির অপেক্ষায় বসে থাকে একটা উত্তরের জন্য।
সুযোগ পেলে কথা বলা আর কথা বলার জন্য সুযোগ তৈরি করার মধ্যে পার্থক্য আছে
সব শেষে একটা কথাই বলতে চাই,
ভালোবাসা, সম্পর্ক শব্দগুলোর অর্থ অনেক। প্রতিটা মানুষ যদি এই অর্থগুলো হয়ত সমান ভাবে বুঝবে না তবে সকলে যদি এগুলোর মূল্যায়ন করে তাহলে কোনো সম্পর্কে বিচ্ছেদ আসবে না।
দীর্ঘমেয়াদি কোনো সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য অবশ্যই নিজের নয় বরং নিজের জীবন সঙ্গীকে বড় করে দেখতে হবে বা মূল্যায়ন করতে হবে, এই ভাবনাটা উভয়ের থাকতে হবে।
সম্পর্কে জড়ানো যতটা না সহজ তার থেকেও অনেক সহজ সেই সম্পর্কের থেকে দুরে যাওয়া।তবে আসলেই কি এতটাই সহজ সবকিছু??
মন চাইলেই কি সব কিছু করা সম্ভব??
সম্পর্ক ভাঙতে কোনো যৌগ্যতা লাগে না তবে কোনো সম্পর্ককে পূর্নতা দিতে অনেক ধৈর্য্য আর চেষ্টার প্রয়োজন সেটা যদি থাকে তাহলে সম্পর্কে বন্ধন আমৃত্যু ছিন্ন হয় না!




Thank you Very much for your support.
আপনার পোস্টে থাকা কিছু জ্ঞানগর্ভ উক্তি আমার খুব ভালো লেগেছে। আমার যা মনে হচ্ছে, আপনি বলতে চাইছেন যে, আমি চাইলে হাজারো ব্যস্ততার মাঝেও কোনো প্রিয়জনের ফোন ধরতে পারি, অথবা চাইলে সেই ব্যস্ততার কথা জানিয়ে একটি বার্তাও পাঠাতে পারি! অন্যদিকে, ব্যস্ততার অজুহাতে ফোনকল উপেক্ষাও করা যেতে পারে! হয়তো এটা আমার কাছে কোনো ব্যাপার না, কিন্তু অপর প্রান্তের মানুষটি হয়তো একটি উত্তরের অপেক্ষায় আছেন।