জীবনের গল্প || গবেষণা যেখানে তামাশা

in আমার বাংলা ব্লগ8 hours ago

হ্যালো বন্ধুরা,

কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আলহামদুলিল্লাহ, আমিও ভালো আছি এবং ভালো থাকার চেষ্টা করে যাচ্ছি। যদি আমাদের চারপাশের পরিবেশ কিংবা ঘটনাবলী খুব একটা সুখকর না এবং যথানিয়মে আমাদের ভালো থাকার খুব একটু সুযোগও দেয় না। কারণ আপনি চাইলেও নিজেকে কাংখিত অবস্থানে রাখতে পারবেন না, আপনি চাইলেও নিজেকে ভালো থাকার সীমানায় ধরে রাখতে পারবেন না। কারণ চারপাশের স্বার্থবাদী মানুষগুলোর বিবর্ণ চেহারা কিংবা আচরণ সেটা হতে দিবে না।

কাল একটা দারুণ খবর দেখলাম, মানে পড়লাম। সেটা পড়ার পর বুঝতে পারলাম না আমি খুশি হবো নাকি দুঃখি হবো। এক অদ্ভুত ধাঁধায় কিভাবে যেন আটকে গেলাম, শুন্যতার মাঝে অনেকটা ঝুলে গেলাম। তারপর সেই খবরের রিএ্যাকশনগুলো একটু দেখার চেষ্টা করলাম, মানে দর্শকরা সেটাকে কিভাবে গ্রহণ করেছেন সেগুলো পড়ার চেষ্টা করলাম। কয়েকজনের কথা মানে উত্তর দেখেতো রীতিমত হাসি থামাতে পারছিলাম না। না না না শব্দগুলো মজার হলেও এটা ছিলো আমাদের দেশের নিয়মিত একটা ঘটনার ছায়া।

jarmoluk-laboratory-2815641.jpg

যেখানে গবেষণার জন্য কিছু দেয়া হয় যাতে সেটার একটা সুন্দর ফলাফল ভিন্ন ভিন্নক্ষেত্রে আমাদের সুন্দরভাবে প্রভাবিত করতে পারে এবং তথ্যগত চিত্র দিয়ে আমাদের আরো বেশী সতর্ক করতে পারে, অর্থাৎ প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সেগুলোর সুন্দর ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়। কিন্তু গবেষণার কাজে ব্যবহৃত জিনিষগুলো যদি বিনা দ্বিধায় গবেষকগণ নিজেরাই খেয়ে ফেলেন কিংবা গায়েব করে ফেলেন, তাহলে সেটা আমাদের কোন কাজে লাগবে, সেটার ফলাফল আমাদের কতটা প্রভাবিত করতে পারবে? নিশ্চিত প্রভাবিত করবে যদি ভবিষ্যতে আমরাও গবেষক হতে পারি হি হি হি।

খবরটা এমন ছিলো বাংলাদেশের উটপাখির গবেষকটা গবেষণার জন্য দেয়া ২২টা উটের মধ্যে ১৫টাই নাকি তারা খেয়ে ফেলেছেন। বাহ! অতি উত্তম গবেষণা না বলে আমি থাকতে পারলাম না। যদিও অন্যান্য দর্শকদের মতো আমিও হাসি রশে কিছু লিখতে পারলাম না, কারণ আমার মাঝে সেই উপলব্ধিটা আনতে পারলাম না। এটা শুধুমাত্র একটা চিত্র নয়, এটা শুধুমাত্র যে উটের ক্ষেত্রেই এমনটা ঘটেছে সেটা কিন্তু নয়, আপনি যাচাই করলে কিংবা খোঁজ করলে এমন হাজারটা বিষয আপনার সামনে চলে আসবে, সেটা আসাটাই স্বাভাবিক।

কারণ আমাদের কাছে এগুলো এখন নিয়মিত বিষয়, রক্ষক যেখানে ভক্ষক হয়ে যায় সেখানে আপনি কি আর প্রত্যাশা করবেন। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো আছে, বছর বছর সরকার সেখানে অর্থও বরাদ্দ দিচ্ছে, কিন্তু জনগন সেখান হতে কোন উপকৃত হচ্ছে না, কোন সেবা পাচ্ছে না। এমন কতগুলো দিক আপনি দেখতে চান? একটু পত্রিকা ঘেটে দেখুন, হাজারটা উদাহরণ আপনি পেয়ে যাবেন। সেগুলোর সুন্দর সুন্দর ব্যাখ্যাও কিন্তু আছে। ঐ যে একজন দর্শক লিখেছেন, গবেষকরা যদি সেগুলো না খেয়ে স্বাদ নিতে না পারেন তাহলে সেটা নিয়ে কিভাবে গবেষণা করবেন?

Image Taken From Pixabay

ধন্যবাদ সবাইকে।
@hafizullah

break .png
Leader Banner-Final.pngbreak .png

আমি মোঃ হাফিজ উল্লাহ, চাকুরীজীবী। বাংলাদেশী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লালন করি। ব্যক্তি স্বাধীনতাকে সমর্থন করি, তবে সর্বদা নিজেকে ব্যতিক্রমধর্মী হিসেবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করি। পড়তে, শুনতে এবং লিখতে ভালোবাসি। নিজের মত প্রকাশের এবং অন্যের মতামতকে মূল্যায়নের চেষ্টা করি। ব্যক্তি হিসেবে অলস এবং ভ্রমন প্রিয়।

break .png

Banner.png