পুরনো দিনের ডায়েরি ( পর্ব ২৫ )
Image Created by OpenAI
আপনাদের সাথে "পুরনো দিনের ডায়েরি" গল্পের ২৫ তম পর্ব শেয়ার করে নেবো। তো রাহুল নবদ্বীপ গিয়ে সেই ঠিকানায় একজনকে পেলে মালতির কথা তুললে তার দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে। আসলে যে দরজাটা খুলেছে, সে একজন মহিলা ছিল। আর সবথেকে অবাক করা বিষয় তখন ঘটে, যখন মহিলা বলে- আমিই মালতি। শোনার পরে রাহুলের কাছে সমস্ত বিষয়টা এমন হয়ে গেলো আর মুহূর্তটা ছিল খুবই স্থির, যেনো সময়টা এখানেই থেমে গেছে। এরপর মালতি রাহুলকে ভেতরে আসতে বলে। ঘরটা খুবই সাধারণ ছিল, জানালার পাশে অবস্থিত টেবিলে রাখা আছে কিছু বই আর একটা পুরোনো ডায়েরি। রাহুলের চোখ একভাবে ওই ডায়েরির দিকেই পড়তে থাকে।
এরপর কোনো কিছু না জিজ্ঞাসা করে মালতি সরাসরি রাহুলকে বললো- তুমি তার ছেলে, তাই না? রাহুল শুনেই চমকে উঠলো আর বিষয়টা আসলে চমকে ওঠার মতই। কারণ হুট করে এমন কথা জিজ্ঞাসা করলে অবাক হয়ে যেতে হয়। যাইহোক, রাহুল পরে বললো- আপনি জানলেন কিভাবে? মালতি হালকা হেসে বললো- আমি তোমার চেহারা দেখে কখনোই বলতে পারব না, কিন্তু তোমার চুপ থাকার ভঙ্গিটা দেখেই বুঝতে পারলাম। এরপর ভেতরে বসে চা খাওয়ার পরে রাহুল তার বাবার সেই ডায়েরি এবং সাদা খাতা বের করলো। এইগুলো দেখার পরেই মালতির চোখ জলে ভিজে গেলো। আর বললেন- এই ডায়েরি আমি কোনোদিন পড়িনি, কারণ আমি জানি এতে কি লেখা আছে।...
