সোনাঝুরির হাটে একদিন।।শান্তিনিকেতন।।২১.০৪.২০২২।।
হ্যালো বন্ধুরা কেমন আসেন?আশা করি ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন।সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকে আমার পোস্ট লেখা শুরু করছি।আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।আজকে আমি আপনাদের সোনাঝুরি হাট নিয়ে কিছু বলতে চলেছি।কারণ কিছুদিন আগে আমি শান্তিনিকেতনে গিয়েছিলাম।আর শান্তিনিকেতনের অন্যতম আকর্ষণ হলো সোনাঝুরির হাট।একে শনিবারের হাট নামে ও ডাকা হয়।সপ্তাহান্তে শনিবার ও রবিবার এই দুইদিন এই সোনাঝুরির মেলা বসে।সোনাঝুরি জঙ্গলের মধ্যে এই হাট বসে।
আমাদের শান্তিনিকেতনে বেড়ানোর একটা বিশেষ উদ্দেশ্য ছিলো এই সোনাঝুরির হাট দেখা।সব সময় শুনে আসছি এই হাট সম্পর্কে।এই হাটে মূলত স্থানীয়দের হস্তশিল্পের পরিচয় পাওয়া যায়।এই মেলাকে একটি হস্তশিল্প মেলা ও বলা চলে।এখানে বিভিন্ন রকমের পোশাক খুব কম দামে পাওয়া যায়।এছাড়া বিভিন্ন অলংকার টেরাকোটা জাঙ্ক জুয়েলারি কাঠের ঘর সাজানোর সামগ্রী এই মেলায় পাওয়া যায়।এই মেলার পোশাকে একটা শিল্পের ছোঁয়া আছেজ।
এখানে আদিবাসীরা এসে নাচ করে।সে এক মনোমুগদ্ধকর দৃশ্য।দেখে সত্যি খুব ভালো লেগেছে আমার কাছে।এই হাটের দুদিনে এরা এখানে এসে নাচ করে আর মানুষ খুশি হয়ে কিছু টাকা তাদের দেয়।
এই মেলায় এসে আমি অনেকদিন পর শৈশবের একটা জিনিস খেতে পারলাম।এই জিনিসটাকে আমরা পেপসি বলে ডাকতাম ছোটবেলায়।কেন যে এটাকে পেপসি বলতাম তখন জানি না।প্লাস্টিকের লম্বা প্যাকেটের মধ্যে মিষ্টি ও অরেঞ্জ ম্যাংগো স্বাদের বরফ থাকতো।ছোটবেলায় এগুলো খেতে খুব ভালোবাসতাম।এতবছর পর খেয়ে সত্যি খুব ভালো লাগলো।
আলোকযন্ত্র: নিকন ক্যামেরা
সোনাঝুরির হাট
শান্তিনিকেতন,বীরভূম,পশ্চিমবঙ্গ।।

250 SP 500 SP 1000 SP 2000 SP 5000 SP


Beauty of Creativity.
Beauty in your mind.
Take it out and let it go.
Creativity and Hard working.
Discord


তাই তো দেখছি দাদা, কত সুন্দর সুন্দর হাতের তৈরি শিল্প। আর মানুষগুলোকে দেখে মনটা সত্যিই উৎফুল্ল হয়ে গেল। আর বাজারের পরিবেশটা অনেকটাই মেলার মত 😍। এরকম দৃশ্য কেবল মেলাতেই চোখে পড়ে।
This post has been upvoted by @italygame witness curation trail
If you like our work and want to support us, please consider to approve our witness
Come and visit Italy Community
Hi @blacks,
my name is @ilnegro and I voted your post using steem-fanbase.com.
Please consider to approve our witness 👇
Come and visit Italy Community
দাদা গতপর্বে আমি আপনার শান্তিনিকেতনের কোপাই নদীর পারিপার্শ্বিক অবস্থার কথা জেনেছি এবং এই পর্বে জানলাম সোনাঝুরি হাটের ঘটনা ,বেশ ভালোই কাটিয়েছেন সময়টা । তা নিঃসন্দেহেই বোঝা যাচ্ছে , সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য বেশ ভালোই ফুটিয়ে তুলেছেন ক্যামেরায় । মজার ব্যাপার হচ্ছে পেপসি কে আমরা ছোট বেলায় আইসক্রিম ললি বলতাম ভাই । ভালোবাসা রইল।
লিখাগুলো পড়ছিনআর ভাবছি যদি যেতে পারতাম এই মেলায়।কি সুন্দর করে মাথায় হাড়ি নিয়ে আদিবাসীরা নাচছে। আর বড় দাদার কাছে গত পরশু এর পোস্টে পেপসির কথা পড়েছিলাম।কালো ঐটা কি।যাই হোক ভালো ছিলো।ধন্যবাদ
ভাই আপনি খুব সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আজকে আমাদের সাথে শেয়ার করলেন। সত্যি আদিবাসীদের নাচের দৃশ্যের ফটোগ্রাফি গুলো আমার খুবই ভালো লেগেছে। শুভকামনা রইল আপনার জন্য, এত সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
সত্যি ছোট দাদা, সোনাঝুরির হাটে অনেক সুন্দর সুন্দর দেখার মত জিনিস রয়েছে, অনেক সুন্দর একটি পরিবেশ ছিলো দাদা, আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে মনে হচ্ছে আপনি অনেক সুন্দর একটি মূহুর্ত কাটিয়েছেন, সত্যি বলতে এই মেলায় আমারও যাওয়া ইচ্ছে করতেছে দাদা, অনেক সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। শুভকামনা রইলো আপনার জন্য প্রিয় দাদা।
এ সমস্ত সাংস্কৃত গুলো প্রাচীন বাংলার ঐতিহ্য। এ সাংস্কৃত গুলো আছে বলে আমার বাংলা তার পরিচয় কে তুলে ধরতে পেরেছে বিশ্ববাসীর মাঝে। তাই আমি ভালোবাসি এসমস্ত সংস্কৃতিগুলো,এসব জাতীয় মানুষগুলোর কর্মকাণ্ডকে। আমরা আমাদের কর্মব্যস্ততা ফলে আমাদের সংস্কৃতিকে ভুলে যায় কিন্তু এরা আমাদের মাঝে তাদের সে সাংস্কৃত গুলো তুলে ধরে । আমাদের বাংলাকে জাগিয়ে রাখে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। খুব সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে এই সংস্কৃতির বিষয়গুলো তুলে ধরার জন্য।
প্রিয় দাদা, আশা করি ভালো আছেন? দাদা খুব অসাধারণ মুহূর্ত কাটিয়েছেন শান্তিনিকেতন, সোনাঝুরির হাটে। ফটোগ্রাফি গুলো দেখে খুব ভালো লাগলো। ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর অসাধারণ নিত্য এবং তাদের সংস্কৃতি এবং নানান ধরনের জিনিসপত্র দেখে দেখে খুব ভালো লাগলো আমার। এত অসাধারন পোষ্ট শেয়ার করার জন্য আপনাকে অন্তরের অন্তস্থল থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। ভালো থাকবেন দাদা।
আদিবাসীদের নাচের মুহূর্ত গুলো অসাধারন ছিল দাদা। এছাড়াও অনেক সুন্দর সব ফটোগ্রাফি আপনি ক্যাপচার করেছেন।সোনাঝুরির হাটে অনেক সুন্দর সময় কাটিয়েছেন এবং আনন্দ করেছেন এটা বোঝাই যাচ্ছে। আসলে জায়গাটি দেখেই আমার পছন্দ হয়েছে। মন চাচ্ছে ছুটে চলে যেতে। তবে এটা হয়তো সম্ভব নয়। আজকে আপনার এই সুন্দর ফটোগ্রাফি গুলো দেখে এবং আপনার লেখাগুলো পড়ে মনে হচ্ছে ভিন্নধরনের একটি পরিবেশে সময় কাটিয়েছেন। অনেক সুন্দর ভাবে আপনার কাটানো মুহূর্ত ও ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য আপনাকে জানাচ্ছি ধন্যবাদ। সেই সাথে আপনার জন্য শুভকামনা রইল দাদা।💖💖