প্রাচীন ভারতের চিকিৎসা বিজ্ঞান

Original image no longer available

মানব সভ্যতার ইতিহাসে ভারতবর্ষ শুধু আধ্যাত্মিকতার জন্যই নয়, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও চিকিৎসা শাস্ত্রের জন্যও বিশ্বজুড়ে পরিচিত ছিল। আজকের আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে ওঠার বহু আগে প্রাচীন ভারতের ঋষি-মুনি ও বৈদ্যরা মানুষের রোগ নিরাময়ে নানা ভেষজ, শল্যচিকিৎসা এবং প্রাকৃতিক উপায় ব্যবহার করত। এই দুটি ডায়াগ্রাম দেখলে যেনো মনে হবে, বাস্তবে চোখের সামনে সবকিছু ঘটছে। এই দৃশ্যগুলো যেন কয়েক হাজার বছর আগের ভারতীয় সভ্যতার মাঝে ফিরিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। প্রথম ডায়াগ্রামটিতে কয়েকজন সাধু বা বৈদ্য মাটির পাত্রে বিভিন্ন ভেষজ ও ঔষধ প্রস্তুত করছে। চারপাশে মাটির হাঁড়ি, পেষণ যন্ত্র এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ- সবকিছু মিলিয়ে একেবারে প্রাচীন ভারতের চিকিৎসা গবেষণাগারের মতো অনুভূতি তৈরি হয়েছিলো।

Original image no longer available

সেই সময়ে প্রকৃতিই ছিল মানুষের প্রধান চিকিৎসক। বন-জঙ্গল থেকে সংগৃহীত গাছের শিকড়, পাতা, ফল এবং বিভিন্ন ভেষজ উপাদান দিয়ে তৈরি হতো ওষুধ। এরপর দ্বিতীয় ডায়াগ্রামটিতে একজন অসুস্থ ব্যক্তিকে ঘিরে কয়েকজন বৈদ্য বা চিকিৎসক চিকিৎসা করছিলো। এখানে একজন রোগীর নাড়ি পরীক্ষা করছে, অন্যজন ওষুধ প্রস্তুত করছে, আবার কেউ রোগীর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছে। এই দৃশ্যটি প্রাচীন ভারতীয় চিকিৎসা ব্যবস্থার মানবিক দিকটিকেও তুলে ধরেছিলো। বর্তমান যুগে চিকিৎসা অনেকটাই যান্ত্রিক হয়ে গেলেও সেই সময়ে রোগীর প্রতি মানসিক যত্ন ও মানবিক আচরণ ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই মডেল গুলোর সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় ছিল বাস্তবতার ছোঁয়া।