নীরবতা নিয়ে
নমস্কার বন্ধুরা,
সময়ের পালাবদলে একটা প্রশ্ন থেকে যায়,আমরা আসলেই কি ঠিক ছিএলাম?আজকে এই ব্যস্ততম জীবনে দাঁড়িয়ে ফেরার তো আসলেই কোনো পথ নেই তবুও ভাবনারা আসে।
যন্ত্রণা ধার নিয়ে
কিছুদিন বেঁচে ছিলাম—
নিজের দুঃখ তখন
খুব সাধারণ মনে হতো।
যাদের চোখে জল ছিল না,
তাদের নীরবতা থেকে
একটু একটু করে শিখেছিলাম
কীভাবে ভেঙে পড়েও
শব্দ না করতে হয়।
শহর প্রতিদিন
আমাদের ক্ষতগুলো ঢেকে দেয়
বিজ্ঞাপনের উজ্জ্বল আলোয়;
আমরা অফিসে যাই,
বাজার করি,
বন্ধুদের সঙ্গে হাসি—
শুধু আয়নার সামনে দাঁড়ালে
ঋণের হিসাব মেলে না।
কিছু যন্ত্রণা
ফেরত দেওয়া যায় না,
তারা সুদের মতো বাড়তে থাকে
ঘুমহীন রাতের ভেতর;
একসময় বোঝা যায়—
আমরা যে কষ্ট বহন করছি,
তার সবটাই আমাদের নয়।
হয়তো কোনো মৃত সম্পর্ক,
কোনো অসমাপ্ত বিদায়,
কিংবা কারও চাপা কান্না
আমাদের রক্তে এসে
নতুন ঠিকানা বানিয়েছে।
তবু আমি তাকে অস্বীকার করি না;
যন্ত্রণা মানুষকে শুধু ভাঙে না,
কখনো কখনো
অন্যের দিকে তাকানোর জন্য
একটি গভীর চোখও দেয়।
এখন আমি ধীরে হাঁটি—
যেন বুকের ভেতর বহন করছি
অনেক অচেনা মানুষের রাত;
জানি, একদিন
সব ঋণ শোধ হবে না।
তবু কোনো ভোরে
একটি ক্ষুদ্র আলো রেখে যাব—
যাতে আর কেউ
যন্ত্রণা ধার নিতে এলে
সম্পূর্ণ অন্ধকার না পায়।
VOTE @bangla.witness as witness

OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |



