এবিবি ফান প্রশ্ন- ৫৩৮ | গার্লফ্রেন্ডের বিয়ে হয়ে যাওয়ার ... ছেলেদের চাকরি হওয়ার রহস্য কি?
আমার বাংলা ব্লগের নতুন উদ্যোগ- এবিবি-ফান এ সবাইকে স্বাগতম জানাচ্ছি। এটা সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী একটি উদ্যোগ, শুধুমাত্র ভিন্নভাবে কিছু বিষয় নিয়ে আনন্দ উপভোগ করার জন্যই করা হয়েছে। বিষয়টি যেন আরো বেশী আকর্ষণীয় হয়ে উঠে সেই জন্য প্রতিদিন পাঁচজনকে $২.০০ ডলার করে মোট $১০.০০ ডলার এর ভোট দেয়া হবে। তবে অবশ্যই যারা নিয়মগুলো মেনে এই উদ্যোগের সাথে সংযুক্ত হতে হবে।
এবিবি-ফান এর মাধ্যমে প্রতিদিন একটি প্রশ্ন শেয়ার করা হবে, বাস্তব বিষয় নিয়ে যা প্রতিনিয়ত আমরা আমাদের চারপাশে দেখে থাকি। তারপর সে প্রশ্নের উত্তরটি একটু ভিন্নভাবে দিতে হবে। আমরা প্রশ্নটির সঠিক উত্তর জানতে আগ্রহী নই কিংবা সঠিক উত্তরটি জানতে চাই না। বরং প্রশ্নটির ভিন্ন ধরনের এবং মজার কিছু উত্তর জানতে চাই। সুতরাং যে প্রশ্ন করা হবে, সেই প্রশ্ন সম্পর্কে আপনার নিজের ক্রিয়েটিভিটি, সৃজনশীলতা এবং মজার চিন্তা ভাবনা জানাতে হবে, যার ক্রিয়েটিভিটি যত বেশী আকর্ষণীয় ও মজার হবে, সে বিজয়ী হওয়ার ততো বেশী সম্ভাবনা তৈরী করতে পারবে। যেমন, প্রশ্ন করা হলো আকাশের রং কেন নীল? উত্তরগুলো এই রকম হতে পারে, আকাশের বউয়ের মন খারাপ, আকাশের বান্ধবীর পছন্দের রং নীল, এই রকম মজার মজার নানা ধরনের উত্তর দিতে পারবেন আপনারা। আশা করছি সকলের অংশগ্রহণে উদ্যোগটি সফলতা পাবে।
আজকের প্রশ্নঃ
গার্লফ্রেন্ডের বিয়ে হয়ে যাওয়ার কিছুদিন পরেই ছেলেদের চাকরি হওয়ার রহস্য কি...?
প্রশ্নকারীঃ
প্রশ্নকারীর অভিমতঃ
বালা মুসিবত দূর হলে সফলতা তো আসবেই। 😄
অংশগ্রহণের নিয়মাবলীঃ
- উত্তরটি সর্বোচ্চ ৫০ শব্দের মাধ্যমে দিতে হবে।
- একজন ইউজার শুধুমাত্র একবারই উত্তর দিতে পারবে।
- অন্যের উত্তর কপি করা যাবে না।
- উত্তর/কমেন্টটি অবশ্যই উপরের কবিতার সাথে সামঞ্জস্য রেখে করতে হবে।
- এডাল্ট উত্তর/কমেন্ট দেয়া যাবে না।
- পোষ্টটি অবশ্যই রিস্টিম করতে হবে।
ধন্যবাদ সবাইকে।
| আমার বাংলা ব্লগের ডিসকর্ডে জয়েন করুনঃ | ডিসকর্ড লিংক |
|---|





দুর্দিন শেষে সুদিনের আগমন ঘটে এটা আমরা সকলেই জানি। তেমনি গার্লফ্রেন্ডের বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর ছেলেদের জীবন থেকে বিপদ আপদ নেমে যায় তখনই সে সকল কাজে সফল হয়। হাহাহাহ।
ছেলেদের ইগো হার্ট হয়ে যায়। কারণ তারা তার গার্লফ্রেন্ডের স্বামীর থেকে বেশি ভালো চাকরি বা ইনকাম করে দেখিয়ে দিতে চায় বা প্রমান করতে চায় মেয়েটি কি হারালো।
কারন গার্লফ্রেন্ডের বিয়ে হয়ে গেলেই বোকা ছেলেগুলির হুশ ফেরে,যে যদি আজ আমি নিজের পায়ে দাঁড়াতাম চাকরি পেয়ে তাহলে সারাজীবনের জন্য গার্লফ্রেন্ডকেও পাশে পেতাম।☺️☺️
আপনার লজিকটা হলো না দিদি 🤔। গার্লফ্রেন্ড থাকা মানে এক্সট্রা প্যারা 😬
যদি জানতেন -ই এক্সট্রা প্যারা তাহলে গার্লফ্রেন্ড বানাতেন কেন?🤔
ঘাড়ের উপরে চড়ে বসলে গার্লফ্রেন্ড না বানিয়ে কি উপায় আছে 😇
ইস, ঘাড়ের উপর চড়তে দেওয়াটাই তো ছেলেদের ভুল।চড়তে না দিলে কিভাবে চড়বে!
ঘাড়ের উপরে জোর করে বসলে কি করবো বলেন 🫡
কারণ গার্লফ্রেন্ড এর বিয়ে হওয়ার পর ছেলেদের আর ঘোরাঘুরি, রেস্টুরেন্টের বিল কিংবা গিফটের খরচ থাকে না। তখন পুরো ফোকাস চাকরির প্রস্তুতিতে আর মেয়েরাও বলে,দেখো এখন তোমার জীবন গড়ার সময় তাই।
বাস্তবতা স্বীকার করার জন্য ধন্যবাদ।
গার্লফ্রেন্ড চলে যাওয়ার পর ছেলেরা এমনভাবে ফোকাস করে যে, চাকরির ভাইভা বোর্ডেও বলে 'স্যার, একবার সুযোগ দিন, প্রমাণ করে দেবো যে আমিও সেটেলড হতে পারি!' 🤣
হা হা হা 🤣😅। এটা দারুন বলেছেন।
প্রেম থাকলে চাকরির জন্য পড়াশোনা করা যায় না, কিন্তু প্রেম চলে গেলে মনে হয় এবার তাকে দেখিয়ে দিব তার চেয়ে সুন্দরী মেয়ে বিয়ে করেছি। আর সুন্দরী মেয়ে বিয়ে করার জন্য মন দিয়ে লেখাপড়া করে চাকরি পেয়ে যায়।
আসল রহস্য তো এটাই যে, গার্লফ্রেন্ডের বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর ছেলেরা চাকরি খুঁজতে শুরু করে কারণ—"এখন তো আর ‘ফ্রি’ থাকা যাবে না! খাওয়া-দাওয়া, ভাড়া, উপহার—সব কিছুই তো এখন নিজেই মেটাতে হবে!" 😅
একদম ঠিক কথা বলেছেন আপু।
এটা প্রকৃতির অদ্ভুত ব্যালেন্স! গার্লফ্রেন্ডের বিয়ের শোক কাটাতে ছেলেরা এত সিরিয়াস হয়ে যায় যে, CV-তে “দুঃখী অভিজ্ঞতা” লিখলেও চাকরিদাতা বলে“একজন ডেডিকেটেড মানুষ পেয়েছি!” 😆
হাহাহা দারুন বলেছেন।।
জনি ভাই সঠিক কথা বলেছে। বালা মসিবত দূর হলে এমনিতেই ছেলেদের সাফল্য আসবে! জীবনে গার্লফ্রেন্ড থাকা মানে একটা আপদ রাখা। এ আপদ যতদিন থাকবে ততদিন জীবনে সাফল্যে আসবে না 😬🫡
গার্লফ্রেন্ড হলো সনির দশা। সেটা কেটে গেলে সফলতা আসবে, এটাই স্বাভাবিক। 🤣😅