ফটোগ্রাফি পোস্ট - 📷 "এলোমেলো কিছু ফটোগ্রাফি ও সুন্দর কিছু অনুভূতি। "
হ্যালো বন্ধুরা,
মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার প্রিয়"আমার বাংলা ব্লগ"এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগন,কেমন আছেন সবাই?আশা করি সবাই ভালো আছেন।আমিও আলহামদুলিল্লাহ্ আল্লাহ্র অশেষ রহমতে ভালো আছি।আজ আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে।আজ আমি কিছু ফটোগ্রাফি নিয়ে হাজির হয়েছি।আমি আজ এলোমেলো কিছু ফটোগ্রাফি আপনাদের মাঝে শেয়ার করে নেবো।আশাকরছি আমার আজকের এলোমেলো ফটোগ্রাফি গুলো আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
এলোমেলো কিছু ফটোগ্রাফিঃ
বন্ধুরা,এলোমেলো কিছু ফটোগ্রাফি আর সুন্দর কিছু অনুভূতি নিয়ে আজ আপনাদের মাঝে হাজির হয়ে গেলাম।ফটোগ্রাফি করা আমার একটি পছন্দের কাজ।ফটোগ্রাফি করলে লাভ হয় দুটো।প্রথমত যেকোনো ফটোগ্রাফি করা হলে সেই সৌন্দর্যটাকে মোবাইলে ধারণ করা হলে মনের মধ্যে ভালো লাগা কাজ করে।আর দ্বিতীয়ত সেই ফটোগ্রাফিটা দেখে পরবর্তীতে সেই সময়ের স্মৃতি গুলো মনের মধ্যে ভালো লাগার জন্ম দেয়।আর মূলত এই কারনেই আমি যেখানে যাই কিছু না কিছু ফটোগ্রাফি করে থাকি।যদিও আমার এই মতের সাথে অন্য কারো মতের মিল নাও হতে পারে।তবে ফটোগ্রাফি গুলো সুন্দর কিনা তা কিন্তু আজকের এই এলোমেলো ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আমাকে জানাতে পারেন।আপনাদের উৎসাহ পেলে আরো সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি নিয়ে আমি হাজির হয়ে যাব ইনশাআল্লাহ।
আমার শেয়ার করা আজকের প্রথম ফটোগ্রাফিটি আমার বড় ভাইয়ার বাসায় ঢোকার দরজার কাছের।সত্যি কথা বলতে কোন বাসায় ঢোকার আগে আপনার চোখে যদি সবুজ সতেজ প্রকৃতির দেখা মেলা তবে কিন্তু মনটা প্রশান্তিতে ভরে উঠে।হোক সেটা আর্টিফিশিয়াল কোন ফুল কিংবা গাছ।আমার বাসায় ঢোকার দরজার কাছে ও আর্টিফিশিয়াল ফুলসহ ফুলদানী রয়েছে।
এরপরের ফটোগ্রাফিটি ভাইয়ার বাসার ছাদবাগান থেকে তোলা।একই সাথে যদি সবুজ সতেজ প্রকৃতি আর সুন্দর একটি আকাশ আপনি দেখতে পান তখন কিন্তু ভালো লাগাটা আরো বেশী বৃদ্ধি পায়।
এরপরের ফটোগ্রাফিটি কাঠ লিচুর।এই লিচু ছোটবেলা অনেক খেতাম।ভাইয়ার ছেলে কাঠ লিচু নিয়ে এসে আমাকে দিল।আমি ছেলেবেলায় হারিয়ে গিয়েছিলাম কিছু সময়ের জন্য।এরপর ফটোগ্রাফি করে নিলাম দিনটিকে স্মৃতিতে রেখে দিতে।কাঠ লিচু গুলো দারুন মিষ্টি ছিল।এই কাঠ লিচু নাকি ৫০০ টাকা কেজি।ভাইয়ার ছেলে তাছিনের কাছে এর দাম শুনে ভীষণ অবাক ই হলাম।আমার ভাইয়ার ছেলে তাছিনের কাছে নাকি এই কাঠ লিচু ভীষণ পছন্দ।তাই ও নাকি প্রায়ই নিয়ে আসে।
মুরগীর কালা ভুনা কখনো খেয়েছেন? মুরগীর কালা ভুনা রেসিপিটি আমি রান্না করেছিলাম।বিশ্বাস করবেন কিনা জানি না রেসিপিটি খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছিল।আমার পরিবারের সবাই খুবই প্রশংসা করেছিল আমার যেদিন আমি রেসিপিটি রান্না করে পরিবেশন করেছিলাম।
আমার আব্বু আমার বাড়িতে এসে অনেক গাছের মধ্যে একটি চালতা গাছ লাগিয়েছিলেন।কারন আমার শ্বশুরবাড়িতে কোন চালতা গাছ নেই।সেই চালতা গাছে বেশ কয়েক বছর ধরে ভালো ই চালতা ধরে।এবার ঢাকা যাওয়ার সময় কিছু চালতা নিয়ে গিয়েছিলাম।স্মৃতি ধরে রাখতে সেদিন ফটোগ্রাফি করেছিলাম।
লটকন ফলটি আমার ভীষণ পছন্দ।আগে ঝালকাঠিতে লটকন ফলটি পাওয়া যেতো না।এখন ভালো ই দেখা যায় এই ফলটি।আমার পছন্দ তাই হাসবেন্ড নিয়ে এসেছিল।যদিও আমি একটি ও খেতে পারিনি।কারন আমার প্রেশার তখন লো ছিল।এবার ঢাকা থেকে আসার সময় ও এক কেজি লটকন নিয়ে এসেছি।কিন্তু এখনো খাওয়া হয়নি ভয়ে।যদি প্রেশার আবার লো হয়।
সকালে হাঁটাহাঁটি করতে বের হলে অনেক দৃশ্য ই চোখে পরে।সেই দৃশ্য গুলো মোবাইলে ধারন করতে না পারলে ভালো লাগে না।
একদিন সকালে এই সুন্দর পাখিটি একটি তারে বসেছিল।পাখিটির নাম আমার জানা নেই।তবে পাখিটি কিন্তু ভারী মিষ্টি দেখতে।
গতকাল রাতের সৌন্দর্য আমি আমার মোবাইলে ধারন করে রেখেছিলাম।তাই আপনাদের মাঝে আজ শেয়ার করে নিলাম।আশাকরছি আমার এলোমেলো ফটোগ্রাফি গুলো আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে।
আজ এখানেই শেষ করছি।আবার হাজির হয়ে যাব অন্য কোন পোস্ট নিয়ে।সবাই সুস্থ থাকবেন,ভালো থাকবেন।
পোস্ট বিবরন
| শ্রেণী | ফটোগ্রাফি পোস্ট |
|---|---|
| ক্যামেরা | Galaxy A16 |
| পোস্ট তৈরি | @shimulakter |
| লোকেশন | বাংলাদেশ |














সাপোর্ট করার জন্য ধন্যবাদ।