কালী পুজো ২০২৪ ( পর্ব ৪ )

in আমার বাংলা ব্লগlast year
হ্যালো বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন। সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি।

Photo by @winkles

Original image no longer available

Photo by @winkles

Original image no longer available

Photo by @winkles

Original image no longer available

Photo by @winkles

Original image no longer available

Photo by @winkles

Original image no longer available

Photo by @winkles

Original image no longer available

Photo by @winkles

Original image no longer available

Photo by @winkles

আজকে আপনাদের সাথে কালী পুজোর কিছু আলোকচিত্র শেয়ার করে নেবো। গত পর্বে আপনাদের সাথে কে এন সি ক্লাব এর একটি পুজো দেখিয়েছিলাম। এই পর্বে আপনাদের সাথে নবপল্লি নামের একটি বয়েস স্কুলের মাঠের কালী পুজো দেখাবো। এই কালী পুজোটা অনেক বিখ্যাত। আর এখানে কালী পুজোর প্যান্ডেল তৈরি করা হয় বিশাল বড়ো করে। আর এটা প্রতি বছরই করে থাকে। মূলত এখানে শুধু কালী পুজো না, যেকোনো পুজোতে মোটামুটি একটু আড়ম্বর বেশ ভালোই করে থাকে। তো আমরা সবাই হাঁটতে হাঁটতে এখানে চলে গিয়েছিলাম, রাত অনেক হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু তাও মানুষের ভীড় একেবারে কম ছিল না। যদিও আমি পুজো শুরু হওয়ার আগে অর্থাৎ যখন প্যান্ডেল তৈরি করেছিল, তখন একবার গিয়েছিলাম।

Original image no longer available

Photo by @winkles

Original image no longer available

Photo by @winkles

Original image no longer available

Photo by @winkles

Original image no longer available

Photo by @winkles

Original image no longer available

Photo by @winkles

Original image no longer available

Photo by @winkles

Original image no longer available

Photo by @winkles

Original image no longer available

Photo by @winkles

ভিতরে সাজসজ্জা তখন মোটামুটি বেশ ভালোই করেছিল। তবে এই কালী পুজোর প্যান্ডেল এর থিম আসলে কি ছিল, সেটা সঠিক মনে নেই, তবে সব কিছু দেখে কৈলাশের মাধ্যমে কিছু একটা তৈরি করেছিল। বারাসাতে যত কালী পুজো হয়েছে অর্থাৎ বেস্ট পুজোর মধ্যে এটিও একটি ছিল। তবে এই প্যান্ডেল তৈরি করেছিল কিন্তু অনেক দিন ধরে অর্থাৎ প্রায় ৩-৪ মাস ধরে। এরা মোটামুটি দুর্গাপুজোর সময়ের থেকে কাজ শুরু করে দেয়। তো অনেক কিছুই কাজ ছিল এই প্যান্ডেলের ভিতরে আর বাহিরে মিলিয়ে। সৌন্দর্যটা বেশ ভালো আকর্ষণীয় করে তুলেছিল। প্রথমেই দেখে চোখ আটকে যাবে সৌন্দর্যের কাছে। যদিও এতদিন ধরেও পুরোপুরি কমপ্লিট করে উঠতে পারিনি, প্রচুর কাজ ছিল প্যান্ডেলের এই থিমের উপরে।

Original image no longer available

Photo by @winkles

Original image no longer available

Photo by @winkles

Original image no longer available

Photo by @winkles

Original image no longer available

Photo by @winkles

Original image no longer available

Photo by @winkles

Original image no longer available

Photo by @winkles

Original image no longer available

Photo by @winkles

Original image no longer available

Photo by @winkles

কিন্তু তাও ঝটপট যেভাবে করেছে, তাতেই আকর্ষনীয়তার জন্য যথেষ্ট হয়ে গিয়েছে। মাঝে এক সাইডে পুকুরের মতো একটা জায়গা তৈরি করেছিল, যেখানে ঋষি মুনিরা সবাই আছে। এছাড়া এখানে পাশে বেশ কিছু ষাঁড়ের ন্যায় বিষয়টা তৈরি করে রেখেছে। আর পিছনে পাহাড়ের মতো বিষয়টা প্যান্ডেলের সাথে যুক্ত করে দিয়েছে। এছাড়া পাশে আরো কিছু একই পদ্ধতিতে ডিজাইন করা ছিল। মূলত এইগুলোর জন্য বাহ্যিক আকর্ষণটা আরো বেশি ছিল। তো এইসব দেখতে দেখতে মোটামুটি ভিতরের দিকে প্রবেশ করেছিলাম। তবে প্যান্ডেলের ভিতরে প্রবেশের আগে একটা বিষয় লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন যে, এখানে একদম সম্মুখে বরফের মতো দেখতে করা আছে। এইগুলো মূলত একধরণের পেপার দিয়ে তৈরি করা।

Original image no longer available

Photo by @winkles

Original image no longer available

Photo by @winkles

Original image no longer available

Photo by @winkles

Original image no longer available

Photo by @winkles

Original image no longer available

Photo by @winkles

Original image no longer available

Photo by @winkles

Original image no longer available

Photo by @winkles

তবে বিষয়টা এমনভাবে তুলে ধরা, যেন বাস্তবের মতো দেখতে লাগছে। কৈলাশ অর্থাৎ পাহাড়ের মধ্যে ঢোকার মুহূর্তে যেমনটা দেখা যায়, যেন তেমনটাই তৈরি করা। এর ভিতরেও একইরকম বিষয়গুলো তুলে ধরেছিলো। এরপর পাহাড়ের এক এক কোনে যেন সবকিছু অর্থাৎ বিভিন্ন মূর্তিতে সেজে উঠেছিল। এই মূর্তিগুলো দেখলে আপনারাও বুঝতে পারবেন বিষয়টা। ভিতরে নীল আলোর জন্য আরো কিছু বিষয় স্পষ্ট তুলতে পারিনি, তবে বিষয়গুলো অনেক সুন্দর ছিল। তাছাড়া মেইন মায়ের মূর্তির সামনেই এই লাইট ছিল, ফলে মায়ের মূর্তিটিও বেশি একটা স্পষ্ট আসেনি। এছাড়া এখানে আপনারা মায়ের মূর্তিটি ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখবেন যে, অসাধারণ লাগছে। একদম গুহার উপরে ছিল। এরপর ভিতরে সবকিছু এইভাবে পুরোপুরি তুলে নেওয়ার পরে আমরা বেরিয়ে এসেছিলাম। ভিতরে অসংখ্য লোক হয়েছিল, পা রাখার জায়গাই ছিল না যেন। আসলেই অনেক ভালো করেছিল এটা।


শুভেচ্ছান্তে, @winkles


Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power

250 SP500 SP1000 SP2000 SP5000 SP

Heroism_3rd.png


Original image no longer available


Sort:  

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.