সাঁটিয়ে দেওয়া।
যেখানটাতে থাকি,
তার আশেপাশের কিছু বুড়ো ষাঁড়ের আচার-আচরণ দেখলে মাঝে মাঝে মাথা তিন চক্কর খায়।
অথচ লোকলজ্জার ভয়ে বলতে পারি না, তার থেকেও বাড়তি পয়সার গাড়ি বাসার গ্যারেজে অহেতুক পড়ে থেকে ধুলাবালি জমছে কিংবা আত্মীয়স্বজনরা নিজেদের প্রয়োজনে ব্যবহার করছে।
সত্যিই আমার কিছু নাই, আমি শুধু খোলা আকাশের নিচে আনারস বেচে খাই। এই হচ্ছে আমার অবস্থা।
সামিরুল ভাই, আমাদের শ্রদ্ধেয় বড় ভাই এবং গাড়ির ড্রাইভার। সে এখন আমাদের পরিবারের সদস্য হয়ে গিয়েছে, ইচ্ছা আছে যদি তার পারফরম্যান্স ঠিকঠাক থাকে,তাহলে শীঘ্রই আরও একটা গাড়ি কিনে দেব তাকে।
তবে কোনো অবস্থাতেই স্টিয়ারিং আমার সহোদরের হাতে দেওয়ার পক্ষে আমি নই। ও শুধু অফিসে যাবে আর আসবে।
ব্যাস এতোটুকুই।
এমন কথা কখনো লিখতেই ইচ্ছে করে নি, গত কয়েকদিনে গ্রামীণ বুড়ো ষাঁড় গুলোর কার্যকলাপ দেখে, ভীষণ বিরক্তিকর অবস্থায় পড়ে গিয়েছি।
তাই বাধ্য হয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে লেখাগুলো সাঁটিয়ে দিয়েছি।
