প্রকৃতির সান্নিধ্যে- মিনি চিড়িয়াখানা (পর্ব-৬)
হ্যালো বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আলহামদুলিল্লাহ, আমিও ভালো আছি এবং প্রকৃতির দারুণ শীতলতায় নিজেকে আরো বেশী সতেজ রাখার চেষ্টা করছি। যদিও প্রকৃতির হঠাৎ পরিবর্তন এবং খুব বেশী বৃষ্টিপাত নতুন করে আরো একটা আতংক জাগ্রত করে দিচ্ছে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকার হাওড়গুলো নিয়ে, হঠাৎ অতিরিক্ত পানির ঢলের কারণে নিচু এলাকাগুলো ডুবে গিয়ে একটা বন্যার ভয় সৃষ্টি করেছে। আমাদের মতো সমতল ভূমির দেশে হয়তো এটা নিয়মিত ঘটনা কিন্তু তবুও ক্ষয়ক্ষতির হিসেবে সেটা এক রকম আতংকই বটে।
প্রকৃতির বিষয়ে হয়তো আমাদের অনেক ক্ষেত্রে অনেক কিছুই করার থাকে না, এটা যেমন সত্য ঠিক তেমনি এটা সত্য যে অনেক ক্ষেত্রেই আমরা সমস্যাগুলো আমাদের নিজেদের হাতেই তৈরী হয়ে থাকে। তাই সব সময় যে কিছুই করার থাকে না সেটা আদতে সত্য নয় বরং অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের অনেক কিছু করার থাকে। প্রকৃতির এমন আগ্রসন কিংবা আমাদের সৃষ্টি এমন সমস্যাগুলো নিয়ে অন্য একদিন ঠিক লিখবো। তবে আজকে আমি প্রকৃতির সান্নিধ্যে- মিনি চিড়িয়াখানার ষষ্ঠ পর্ব শেয়ার করবো। প্রকৃকির আগ্রাসন আজকে না হয় বাদ থাকুক।
বরং প্রকৃতির নির্মলতার মাঝে আজকে কিছু সৌন্দর্য খোঁজার চেষ্টা করি আমরা। সবুজ প্রকৃতির মুগ্ধতা শেষ করে আমরা টিকেট কাউন্টারে গিয়ে লাইনে দাঁড়ালাম। অন্য সময় তেমন একটা ভীড় না হলেও ঈদের ছুটির কারণে বেশ মানুষের উপস্থিতি একটা কৃত্রিম ভীড় তৈরী করে দিয়েছিলো। যার কারণে টিকেটের মূল্যও কিছুটা বৃদ্ধি করা হয়েছিলো। আমরা টিকেট নিলাম, তারপর আইসক্রিম কিনে সেটা খেতে খেতে ভিতরে প্রবেশ করলাম। ভিতরের পরিবেশটা সত্যি বেশ সুন্দর ছিলো।
বিশেষ করে কপোত-কপোতীদের জন্য হি হি হি। না না না সেটাকে ভিন্নভাবে নেয়ার কোন সুযোগ নেই কারণ সেদিন প্রচুর মানুষের উপস্থিতি ছিলো, তাই হয়তো তারা সেভাবে কোন সুযোগই পায়নি। অনেকেই কিন্তু শান্তিতে একটু নিরিবিলি পরিবেশে বসে দুটো মনের কথা কিংবা একটু ঢং করে ফটো তোলার সুযোগ হতেও বঞ্চিত হয়েছিলেন। আমরা ভেতরের দিকে হাঁটতে শুরু করলাম আর চারপাশের সুন্দর দৃশ্যগুলো দেখে আবেগে অভিভূত হতে লাগলাম।
সত্যি সেদিনের প্রকৃতি যেমন সুন্দর ছিলো আর এমন পরিবেশে সেটা আরো দারুণভাবে স্পষ্ট হয়ে উঠেছিলো। প্রকৃতির এমন পরিবেশ কিংবা মুগ্ধতার এমন দৃশ্য হয়তো না দেখলে বুঝতে পারবেন না। আসলে অনুভূতির সবটাই শব্দের সীমানা দিয়ে প্রকাশিত হয় না। দুই পাশে সবুজ গাছের সারি এবং তার সাথে ছিলো একটা কৃত্রিম লেক, যেটার পাশে আবার সুন্দরভাবে বসার ব্যবস্থাও ছিলো। আপাদত সেগুরো দেখা বাদ দিয়ে ভেতরে দিকে যেতে থাকলাম।
তারিখঃ মার্চ ২৬, ২০২৬ইং।
লোকেশনঃ সাভার, ঢাকা।
ক্যামেরাঃ রেডমি-১৩, স্মার্টফোন।
ধন্যবাদ সবাইকে।
@hafizullah
আমি মোঃ হাফিজ উল্লাহ, চাকুরীজীবী। বাংলাদেশী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লালন করি। ব্যক্তি স্বাধীনতাকে সমর্থন করি, তবে সর্বদা নিজেকে ব্যতিক্রমধর্মী হিসেবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করি। পড়তে, শুনতে এবং লিখতে ভালোবাসি। নিজের মত প্রকাশের এবং অন্যের মতামতকে মূল্যায়নের চেষ্টা করি। ব্যক্তি হিসেবে অলস এবং ভ্রমন প্রিয়।

|| আমার বাংলা ব্লগ-শুরু করো বাংলা দিয়ে ||




>>>>>|| এখানে ক্লিক করো ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য ||<<<<<

Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness

OR









