প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সিলেট ভ্রমণ (ষষ্ঠ পর্ব)। ১০% সাইফক্স
|
|---|
পরদিন অনেক সকালে আমরা ঘুম থেকে উঠলাম। কারণ আজকে দিনটা হতে যাচ্ছে অত্যন্ত ব্যস্ত একটি দিন। কারণ সময় স্বল্পতার কারণে আমাদের আজকেই বেশ কয়েকটি স্পট ভ্রমণ করতে হবে। আমরা বেশ কয়েকটি জায়গা আগে থেকেই সিলেক্ট করে রেখেছি ঘোরার জন্য। সেই হিসেবে ড্রাইভার কে বলে রাখা হয়েছিল যেন উনি সকাল সাড়ে সাতটার ভেতরে রেস্ট হাউজের সামনে চলে আসেন।
যেহেতু আমরা সাড়ে সাতটার দিকে বের হতে চাচ্ছিলাম তাই আমরা আরো আগে ঘুম থেকে উঠে তৈরি হচ্ছিলাম। তারপর আমরা নাস্তা করে দেখি ড্রাইভার গাড়ি নিয়ে হাজির হয়ে গিয়েছে। আজকে আমাদের পরিকল্পনা প্রথমে শিমুল বাগান ঘুরতে যাব। তারপর সেখান থেকে আমাদের পরবর্তী গন্তব্য হবে নীলাদ্রি লেক। ফেরার পথে আমরা বারিক্কা টিলা হয়ে ফিরে আসব।
এই পরিকল্পনা নিয়েই আমরা রেস্ট হাউস থেকে বের হলাম। বের হওয়ার আগে রেস্ট হাউজের লোকজন আমাদের জন্য বেশ ভালো একপ্রস্থ নাস্তার ব্যবস্থা করেছিলো। আমরা সকলে বেশ তৃপ্তি সহকারে সেই নাস্তা খেলাম। তারপর আমাদের যাত্রা হল শুরু। আমরা যারা সমতলের মানুষ তাদের কাছে সিলেটের পাহাড় ঘেরা অঞ্চল এমনিতেই অনেক সুন্দর লাগে। যা দেখি সেটাই আমাদের কাছে ভালো লাগছিল।
যাত্রা শুরুর পর প্রথমে আমরা গাড়িতে চুপচাপ বসেছিলাম। পরে ড্রাইভারকে বলা হলো তার কাছে কোনো গান থাকলে সেটা চালানোর জন্য। ড্রাইভার সাহেব তার পছন্দের হিন্দি গান চালালো আমাদেরকে শুনানোর জন্য। এভাবে গান শুনতে শুনতে চমৎকার রাস্তা ধরে আমরা চলছিলাম। আর দুপাশের প্রাকৃতিক পরিবেশ দেখছিলাম।
এভাবে প্রায় আধাঘণ্টা চলার পর হঠাৎ করে আপু ড্রাইভার কে গাড়ি থামাতে বলল। আমরা প্রথমে কারণটা বুঝতে পারিনি। পরে ডান পাশে তাকিয়ে দেখি সেখানে একটি সূর্যমুখী বাগান। সেই বাগান দেখার পর আমরা কেউ আর এক মুহূর্ত দেরি করিনি। সবাই নেমে রাস্তার অপর প্রান্তে সূর্যমুখী বাগানে চলে গেলাম। সকালের সোনা রোদে সূর্যমুখী বাগান এক অন্য রূপ ধারণ করেছিলো। মনে হচ্ছিলো পুরো বাগানে হলুদ আগুন লেগেছে।
সূর্যমুখী বাগান এমনিতেই দেখতে অনেক সুন্দর। সকালের রোদ ঝলমলে পরিবেশে বাগানটি দেখতে আরো অনেক সুন্দর লাগছিল। আমরা সকলেই বাগানে গিয়ে ছবি তুলতে লাগলাম। কিছুক্ষণ সূর্যমুখী বাগান এর আশেপাশে ঘোরাফেরা করে আমরা আবার গাড়ির দিকে ফিরে আসলাম। কারণ সামনে আমাদের দীর্ঘ পথ।
যখন আমরা গাড়িতে উঠতে যাব তখন দেখি সামনে কয়েকজন গাছ থেকে বড়ই পাড়ছে। আমরা তাদের কাছ থেকে চেয়ে কিছু বড়ই নিলাম। কারণ দীর্ঘদিন দেশি বড়ই খাওয়া হয়না। এই অঞ্চলে একটি জিনিস দেখলাম সেটা হচ্ছে রাস্তার দু'পাশে অনেক বড়ই গাছ আছে। যেটা আমাদের অঞ্চলে এখন দেখাই যায়না।
আজকের মতো এখানেই শেষ করছি। পরবর্তীতে আপনাদের সাথে দেখা হবে এই ভ্রমণের সপ্তম পর্ব নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন।
| ফটোগ্রাফির জন্য ব্যবহৃত ডিভাইস | হুয়াই নোভা 2i |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @rupok |
| স্থান | লিংক |

Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |















সূর্যমুখী ফুলের বাগানটা বেশ সুন্দর দেখতে। দুঃখের বিষয় সূর্যমুখী ফুলের বাগানে যাওয়ার এখনো সৌভাগ্য হয়নি। ফুলের বাগানটি বেশ বড় দেখে বুঝা যাচ্ছে সেই সাথে সূর্যের আলোতে ফুলগুলো আরও জীবন্ত মনে হচ্ছিল। বেশ উপভোগ করেছেন সময়টুকু।
সিলেটে আপনার দিনগুলো ভালোই গিয়েছে, আর সেটি আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে এবং বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে বুঝতে পারলাম। আজকে আপনার সূর্যমুখী ফুলের ফটোগ্রাফি দেখে আমি তো মুগ্ধ। বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে ফটোগ্রাফি গুলো আমাদের সাথে শেয়ার করার কারনে এটি আরো মনমুগ্ধকর লাগতেছে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, এবং সব সময় ভালো কিছু শেয়ার করবেন আমাদের উদ্দেশ্যে এই আশা রাখি। ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন সব সময় এই কামনাই থাকবে আপনার জন্য।
আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
ভাই আপনার ভ্রমণ কাহিনী পড়ে আমার খুবই ভালো লাগলো । আমার ভ্রমণ করতে খুবই ভালো লাগে। আপনি খুব সুন্দর মুহূর্ত পার করেছেন দেখছি বিশেষ করে সূর্যমুখী ফুলের সৌন্দর্য তা স্বচক্ষে অনেকদিন দেখা হয় না যা আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে দেখতে পেলাম। সূর্যমুখী ফুলের সৌন্দর্যতা আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ ভাই।
সূর্যমুখী বাগান আমি নিজেও অনেকদিন পরে দেখলাম। এজন্যই হয়তো আরো বেশি ভালো লেগেছে।
আপনার সিলেট ভ্রমনের কাহিনী টা বেশ ভালোই লাগলো। সত্যি বলতে হাতে পর্যাপ্ত সময় না থাকলে ঘুরে তৃপ্তি মিটে না। আমার কাছে সূর্যমুখী ফুলের বাগানের দৃশ্য টা সব চেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
কোথাও ঘুরতে গেলে অবশ্যই হাতে পর্যাপ্ত সময় নিয়ে যাওয়া উচিত। না হলে ভ্রমণটা মন মতো হয়না।
একদম ঠিক বলেছেন ভাই।
আপনার সিলেট ভ্রমনের কাহিনী টা বেশ ভালোই লাগলো। সত্যি বলতে হাতে পর্যাপ্ত সময় না থাকলে ঘুরে তৃপ্তি মিটে না। আমার কাছে সূর্যমুখী ফুলের বাগানের দৃশ্য টা সব চেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
আপনার ভ্রমণের গল্প পড়ে খুবই ভালো লাগলো ভাইয়া। সূর্যমুখী ফুল গুলো অনেক সুন্দর। আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে দারুণভাবে সূর্যমুখী ফুলের অপরূপ সৌন্দর্য তুলে ধরেছেন। সেইসাথে আপনি সূর্যমুখী ফুলের বাগানে অনেক সুন্দর সময় কাটিয়েছেন ভাইয়া। আপনার কাটানো এই সুন্দর মুহূর্ত গুলো আমাদের সকলের মাঝে তুলে ধরেছেন এ জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
আমার ফটোগ্রাফির হাত ভালো না। আর আমার মোবাইলের ক্যামেরাটা এখন ব্যাকডেটেড হয়ে গিয়েছে। ভালো মানের ক্যামেরা হলে আরো সুন্দর ছবি আসতো। তবে সময়টা খুব উপভোগ করেছি।
হ্যাঁ ভাইয়া আপনি ঠিক বলেছিলেন সূর্যমুখী ফুলের বাগান টা অনেক সুন্দর। সূর্যমুখী ফুল আমার বেশ পছন্দের একটি ফুল। আমি মনে করি ভাইয়া আপনি সুন্দর একটি আনন্দময় মুহূর্ত কাটিয়েছেন। আপনার আনন্দময় মুহূর্ত পোস্টটি পড়ে আমার খুবই ভালো লাগলো। পোস্ট টি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া। আমার পক্ষ থেকে আপনার জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা ও প্রাণঢালা শুভেচ্ছা রইল।
আসলেই যখন প্রকৃতির সংস্পর্শে আপনি আসবেন। তখন এমনিতেই আপনার ভালো লাগবে। আপনাকে ধন্যবাদ পোস্টটি সময় নিয়ে পড়ার জন্য।
আপনি একজন ভ্রমণপিপাসু মানুষ। সেটা আপনার ব্লগগুলো দেখলে বোঝা যায়। সিলেট হলো বাংলাদেশের লন্ডন। সূর্যমূখী বাগানটা খুবই সুন্দর লাগছে। রোদ ঝলমলে অবস্থায় অসাধারণ লাগছে। ধন্যবাদ আমাদের সাথে আপনার সুন্দর ভ্রমণ কাহিনী টা শেয়ার করার জন্য।।
এই কথাটা ছোটবেলায় শুনতাম। তবে এখন বুঝি এটা একটি ভুয়া কথা। সিলেট শহর মোটেই সুন্দর না। কিন্তু শহরের আশেপাশে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ছড়াছড়ি।
প্রথমে সূর্যমুখী ফুল টা দেখে তো একদম মুগ্ধ হয়ে গেলাম ভাইয়া ।আর সত্যি মন কেড়ে নিল এই সূর্যমুখী ফুল । আপনার সিলেট ভ্রমণের কথা শুনে আমার খুবই ভাল লাগল, কারণ সিলেটের বিভিন্ন জায়গা যেগুলো খুব সুন্দর। আপনার ছবিগুলোর মাধ্যমে দেখতে পারলাম।সিলেটে একটি সুন্দর মুহূর্ত কাটিয়েছেন আর তা আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। এ জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
সিলেট যদি কখনো যান। তাহলে চেষ্টা করবেন বর্ষা মৌসুমে যেতে। আর অবশ্যই হাতে সময় নিয়ে যাবেন।
সূর্যমুখী বাগান টা আমার কাছে খুবই অসাধারণ লেগেছে। সিলেট ভূমিতে আমার এখনো যাওয়া হয়নি। খুব শীঘ্রই যাওয়ার খুব ইচ্ছে রয়েছে। সূর্যমুখী ফুলের ছবি তো আমার কাছে খুবই দারুণ লেগেছে। শুভকামনা রইল ভাই আপনার জন্য
সিলেট আসলেই খুব সুন্দর একটি জায়গা। একবার পরিবার নিয়ে ঘুরে আসুন। দেখবেন সমস্ত মানসিক ক্লান্তি দূর হয়ে যাবে।
আশা আছে সবাইকে নিয়ে ঘুরে আসার। দোয়া করবেন