ভ্রমণ পর্বঃ০৯❤️পদ্মার পড়ে মটরশুঁটি সিদ্ধ করে খাওয়া ❤️১০%পন্ডিত মশায়ের❤️
২৮মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
১১ফেব্রুয়ারী , ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
০৮রজব, ১৪৪৩ হিজরী
শুক্রবার ❤️❤️
শীতকাল।
আসসালামু আলাইকুম,আমি মোঃআলী, আমার ইউজার নাম @litonali।আমি বাংলাদেশ থেকে। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমি আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি [আমার বাংলা ব্লগ] এর সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনজানিয়ে আমার আজকের পোস্ট শুরু করছি
😋😋👌
প্রিয় আমার বাংলা ব্লগ বাসি আশা করছি আপনারা সবাই সৃষ্টিকর্তার অশেষ দয়ায় ভাল আছেন।❤️ আমাদের কমিউনিটির সবাই খুব সুন্দর সুন্দর ভ্রমণ কাহিনী এবং আনন্দঘন মুহূর্ত গুলো আমাদের মাঝে তুলে ধরেন❤️ ঠিক তেমনি আমিও আজকে একটি আনন্দঘন মুহূর্ত নিয়ে আপনাদের সাথে আমার কিছু অনুভূতি শেয়ার করব আশা করছি আপনাদের ভালো লাগবে।।❤️ |
|---|
| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| ১. | মটরশুঁটি |
| ২. | ঢাকনা সহ পাতিল। |
| ৩. | লবণ। |
| ৪. | জ্বালানি লাকড়ি। |
| ৫. | আগুন। |
কাঁদা মাখা পথ পাড়ি দেওয়া😅
লোকেশন:
https://w3w.co///stiffened.buggy.stationing
গত তিনদিন আগে আমি এবং আমার এলাকার তিনজন বড় ভাই এবং @mrahul40 দুইটা হোন্ডা নিয়ে পাঁচজনে গিয়েছিলাম পদ্মার চর ভ্রমণে মূলত আমাদের উদ্দেশ্য ছিল ওখানে গিয়ে মটরশুঁটির ফল উঠিয়ে সিদ্ধ করে খাওয়া। তো আমরা বেলা দুইটার দিকে বাড়ি থেকে রওনা দিলাম 5 জন কিছুদূর যাওয়ার পরেই দেখি পথ কাদায় ভরা😅 আগের দিন রাতে বৃষ্টি হয়েছিল, বৃষ্টির কারণে এত কাঁদা জমেছিল। কাদার মধ্যে দিয়ে হোন্ডা পার করতে অনেক কষ্ট হয়েছিল। যে আপনারা ফটোর মাধ্যমে দেখতে পাচ্ছেন। আমরা জমির আইল এর মধ্যে দিয়ে হোন্ডা পার করছি। সাবধানতা অবলম্বন এর মধ্যে দিয়েও একটি গাড়ি কাদার মধ্যে পড়ে যায়😅 এবং গাড়িটির প্রায় অর্ধেক অংশ কাদায় ডুবে যায়। ওখান থেকে আমরা অনেক কষ্ট করে গাড়িটি উদ্ধার করতে সক্ষম হই। তারপরে আমরা ছুটতে থাকি পদ্মার পাড় পর্যন্ত। |
|---|
মটরশুঁটি সংগ্রহ
লোকেশন:
https://w3w.co///canned.headroom.clogged
আমরা কিছুসময়ের মধ্যেই পদ্মার পাড়ে পৌঁছে যায়।ওখান থেকে একটি পাতিল সংগ্রহ করি এবং একটি দোকান থেকে হাফ কেজি লবণ এবং একটি গ্যাস লাইট ক্রায় করি। আমাদের মধ্যে একটা ভাই ছিল উনার নাম বকুল হোসেন❤️ ওই পদ্মার পাড়ে ওনাদের মটরশুঁটির জমি আছে। সেই জমিতে আমরা সবাই মিলে মটরশুঁটির ফল সংগ্রহ করতে থাকি। ছবিতে দেখতে পাবেন। সবাই মিলে অনেক মজা করি এবং ফল উঠাতে থাকি। |
|---|
সময়ের প্রতি লক্ষ
লোকেশন:
https://w3w.co///canned.headroom.clogged
মোটর সুটি যখন উঠানো শেষ হলো তখনো সূর্য তীর্যকভাবে আলো দিচ্ছিল যা আপনারা উপরের ফটোর মাধ্যমে দেখতে পাচ্ছেন । কারণ এখান থেকে বাড়ি যাইতে আমাদের 10 কিলো পথ পাড়ি দিতে হবে। তারপরেও পথ কাদা যুক্ত। |
|---|
মটরশুঁটি সিদ্ধ করা
লোকেশন:
https://w3w.co///canned.headroom.clogged
যখন আমাদের পর্যাপ্ত পরিমাণ ফল উঠানো শেষ হয় তারপরে আমরা একটি কলাবাগানের আবডালে আসি ।কারণ ঐদিন অনেক বাতাস হচ্ছিল। বাতাসের কারণে ফাঁকা জায়গায় চুলা জ্বালানো সম্ভব হচ্ছিল না। তাই কলার বাগানের পাশে এসে বড় বড় মাটির চাপ দিয়ে একটি চুলা তৈরি করি। এবং চুলার উপরে ফল সিদ্ধ করার জন্য পানি দিয়ে চুলার উপরে বসিয়ে দিই। এবং আশপাশ থেকে কিছু লাকরি ও কলার খোলা সংগ্রহ করি জ্বালানোর জন্য। এবার জ্বালানি সংগ্রহ করা শেষ হলে চুলায় আগুন দিয়ে জ্বালাতে থাকি। ফটোতে লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন। জ্বালানোর একপর্যায়ে যখন পানি ফুটতে থাকে তখন তার মধ্যে লবণ দিয়ে দেই। লবণ দেওয়ার পরে 15 মিনিট ধরে জ্বালাইতে থাি 15 মিনিট পর তখন ফলগুলো সিদ্ধ হয়ে গেছে। |
|---|
গোধূলির
লোকেশন:
https://w3w.co///canned.headroom.clogged
এখন সূর্য প্রায় গোধূলিলগ্নে পৌঁছে গেছে হয়তো কিছু সময় পরেই সূর্যাস্ত হয়ে যাবে। তবে পদ্মার পাড়ে বসে গোধূলি লগ্ন টা খুব সুন্দর ভাবে উপভোগ করতে পেরেছি। |
|---|
সিদ্ধ শেষ
লোকেশন:
https://w3w.co///canned.headroom.clogged
এরপরে দুইটা কলার পাতা কেটে মাটিতে বিছিয়ে নেই। এবং তার উপরে ফলগুলো ঢেলে দেই। |
|---|
খাওয়াতে ব্যস্ত
লোকেশন:
https://w3w.co///canned.headroom.clogged
ফলগুলো ঢেলে দিয়ে আমরা খুব মজা করে খেতে থাকি। |
|---|
মেহমান দাড়ি
লোকেশন:
https://w3w.co///canned.headroom.clogged
এমন সময় দেখি আমাদের পাশ দিয়ে একটি মোটরসাইকেলে তিনটা লোক যাচ্ছিল তো আমি তাদেরকে দাঁড় করালাম। এবং আমাদের সাথে বসে ফল সিদ্ধ খেতে বললাম। তার আমার কথা শুনল। এবং আমাদের সাথে ফল সিদ্ধ খেলো। একটা ভাই বলতেছিল যে এগুলা খেতে আমার খুব ভালো লাগে। সবাই মিলে একসাথে অনেক মজা করে। |
|---|
খাওয়া শেষ
লোকেশন:
https://w3w.co///canned.headroom.clogged
আমরাও ফলগুলো সিদ্ধ করে অন্য মানুষকে ডেকে মেহমানদারী করিয়ে খাওয়ালাম। এ বিষয়টি আমার কাছে খুবই ভালো লাগছিল। তারাও আমাদের সাথে বসে পড়ল খেলো এবং অনেক কথার মাধ্যমে হাসি তামাশা ও মজা করলো। যাই হোক আমরা ফলগুলো খাওয়া শেষ করলাম তখন সূর্য ডুবে গেছে তারপরে আমরা ওখান থেকে আবার বাড়ির দিকে রওনা হলাম।। |
|---|
❤️❤️❤️❤️
এরই মধ্যে দিয়ে শেষ করলাম আমার পার করা কিছু আনন্দঘন মুহূর্ত এবং মটরশুটি সিদ্ধ করে খাওয়ার অনুভূতি আশা করতে আমার আজকের পোস্টটি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন |
|---|
ডিভাইসঃ Redmi Note 5
সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।
ধন্যবাদ












https://twitter.com/MdLiton82465447/status/1492066656301948933?t=6jrxo3VPNKLZTtl7xqyJZQ&s=19
ভাই মিস করে গেলাম কিন্তু। মটরশুঁটির ফল সেদ্ধ খেতে সত্যিই অসাধারণ লাগে যেমন সুস্বাদু তেমনি পুষ্টিকর। দিলটা দারুন উপভোগ করেছেন, আপনার কাটানো সুন্দর মুহূর্ত গুলো আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
পরেরবার নিয়ে যাব তোমাকে প্রস্তুত থেকো 🌹🌹
ঠিক আছে ভাই 💚
আপনি খুবই সুন্দর একটি দিন অতিবাহিত করেছেন ভাইয়া। মটরশুঁটির আমার কাছেও খেতে অনেক ভালো লাগে। ছোটবেলায় খুব বেশি পরিমাণে এই মটরশুঁটির সিদ্ধ করে খাওয়া হতো কিন্তু বড় হয়ে যাবার পরে তার পরিমাণটা অনেকটাই কমে গেছে। আজকে আমি আপনারেই মটরশুঁটির খাবার দৃশ্যটা দেখার পরে নিজের কাছে অনেকটাই লোভ লেগে গেছে তাই আমি চেষ্টা করব আজকে আমার বন্ধুদের কে সাথে করে মটরশুঁটির সিদ্ধ করে খেতে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া ছোটবেলার একটা স্মৃতি আমাকে মনে করিয়ে দেবার জন্য।
ধন্যবাদ ভাইয়া আপনার সুন্দর মন্তব্য তুলে ধরার জন্য আমিও ছোটবেলার স্মৃতি কে একটু জাগিয়ে তোলার জন্য আয়োজন করেছিলাম
যে কোন নদীর পাড়ে সময় কাটাতে আমার খুবই ভালো লাগে। আপনার পদ্মার পাড়ে মটরশুঁটির সিদ্ধ খাওয়ার মুহূর্ত গুলো খুবই আনন্দের ছিল, সেটা কিন্তু এই পোস্ট পড়ে আমি বুঝতে পেরেছি। আর এরকম সবাই একসাথে ঘুরতে গেলে অনেক আনন্দ হয়। আপনার এই সুন্দর মুহূর্ত গুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করে নেওয়ার জন্য।
ধন্যবাদ ভাইয়া আপনার সুন্দর মন্তব্য উপস্থাপন করার জন্য ❤️❤️
সত্যি বলছি ভাই আপনার ওখানে গিয়ে আমার মটরশুঁটি সিদ্ধ খেতে খুব ইচ্ছা করছে। ক্ষেত থেকে মটরশুঁটি তুলে নিজে সিদ্ধ করে খাওয়া যে কি মজা এই কাজটা যে করে নাই সে বুঝতে পারবেনা। এইটুকু মটরশুঁটি সিদ্ধ খেতে ১/২ কেজি লবন খেয়ে ফেললেন হাহাহাহা! যাইহোক সবমিলিয়ে খুব মজা করেছেন। আপনার জন্য শুভকামনা রইলো।
ধন্যবাদ ভাইয়া আপনার সুন্দর মন্তব্য করার জন্য 🌹❤️
বাহ্!! পদ্মার পাড়ে মটরশুঁটির সিদ্ধ করে খাওয়ার অনুভূতিটাই ভিন্নতর অনুভূতি।এ যেন অন্যরকম এক অনুভূতি।আপনাদেরকে দেখে আমারও ভীষণ খেতে ইচ্ছে করছে।আপনাদের সকলের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা ও দোয়া রইল♥♥
আপনার জন্য ও অনেক অনেক শুভকামনা ও ভালোবাসা রইল আপনাকে আমন্ত্রণ রইল আমাদের কুষ্টিয়ায় পদ্মার পাড়ে মটরশুঁটির সিদ্ধ করে খাওয়ার জন্য আমাদের সাথে
খুব অসাধারণ একটি অনুভূতি শেয়ার করেছেন আমাদের মাঝে। আপনাদের সবাইকে দেখে আমার খুবই ভালো লেগেছে। সবাই একসাথে খুব অসাধারণ একটি মুহূর্ত কাটিয়েছেন। খুব স্মরণীয় হয়ে থাকবে এই দিনটি। শুভকামনা রইল আপনার জন্য
ধন্যবাদ ভাইয়া আপনার সুন্দর মন্তব্য তুলে ধরার জন্য
ভাই কথা হইলো এতো মটরশুঁটি তুললেন কিভাবে 😶।
আমরাও এভাবে অনেক খেয়েছি আসলে এই মুহুর্ত গুলো কখুনো টাকা দিয়ে কেনা যাবে না এগুলো কখুনো ফিরেও আসবে না থাকবে সৃতি হয়ে।কিছুদিন আগে আমরাও গিয়েছিলাম পদ্মার পারে বরই খেতে। আপনাদের দেখে ভালো লাগলো দারুন মুহুর্ত ছিলো ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
ভাইয়া মোটরশুটি তুলতে অনেক সময় লেগেছিল ।।ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্য তুলে ধরার জন্য 🌹❤️
ভাইয়া বন্ধুরা এবং সবাই মিলে মটরশুঁটির সিদ্ধ করে এই খাওয়ার বিষয়টা বেশ ইন্টারেস্টিং লেগেছে আমার কাছে। যেকোনো খাওয়ার জিনিস যদি সবাই মিলে একসাথে মজা করে খাওয়া যায় তাহলে সেখানে অনেক গল্প গুজব হাসি-তামাশা এবং অনেক আনন্দ হয় যা আমার খুবই ভালো লাগে। আপনাদের হাসিমাখা মুখ গুলো দেখতে সত্যিই খুব ভালো লাগছে। শুভকামনা রইলো আপনাদের জন্য ভাইয়া।ধন্যবাদ ভাইয়া আপনার সুন্দর মন্তব্য পেশ করার জন্য ❤️❤️