Better Life with Steem||The Diary Game|| 24 July 2026||
প্রতিদিনের মতো সকাল সকাল ঘুম থেকে জেগে উঠি। ঘুম থেকে জেগে উঠেই আজকে কোথাও না গিয়ে বাসাতেই সময় কাটানোর সিদ্ধান্ত নিই।আজ যেহেতু শুক্রবার ছিল,তাই সকালে পায়েস রান্না করা হয়েছিল।সামনে পায়েস এনে দিলে আনন্দের সঙ্গে তা খেয়ে নিই।খাওয়া শেষে কিছুক্ষণ বসে বিশ্রাম করি।
ঘড়িতে যখন প্রায় ১১টা বাজে, তখন গোসল করে নিই। কারণ সাড়ে ১২টার দিকে জুমার আজান হবে, তাই আগে থেকেই প্রস্তুত হয়ে রাখতে চেয়েছিলাম। গোসল শেষে নিজের রুমে গিয়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিই। বিশ্রাম নেওয়ার সময় আমার ওয়াইফ আমাকে একটি পেয়ারা খেতে দেয়। পেয়ারাটি খেয়ে আবার কিছুক্ষণ আরাম করে বসে থাকি।
একপর্যায়ে জোহরের আজান হলে অজু করে মসজিদে যাই। সেখানে ইমাম সাহেবের প্রায় ৩০ মিনিটের বয়ান মনোযোগ দিয়ে শুনি। বয়ান শেষে চার রাকাত কাবলাল জুমার সুন্নত নামাজ আদায় করি।
এরপর খুতবা শুনে দুই রাকাত জুমার ফরজ নামাজ আদায় করি। ফরজ নামাজের পর চার রাকাত বাদাল জুমার সুন্নত এবং আরও দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ে মোনাজাতে অংশ নিই। সবশেষে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিই।
বাড়িতে এসে হাত-মুখ ধুয়ে ফ্রেশ হয়ে দুপুরের খাবার খেয়ে নিই। খাবার শেষে রুমে গেলে মা আমাকে একটি তসবিহ দেখিয়ে বললেন, এটি নতুন আনা হয়েছে। আমি জানতে চাইলে মা বললেন, আমার
বোন তাকে তসবিহটি দিয়েছে। আর আমার বোনকে এটি দিয়েছে আমার বিয়ান। শুনলাম, আমার বিয়াই বিদেশে থাকেন এবং দেশে আসার সময় এই তসবিহটি সঙ্গে করে এনেছিলেন। পুরো বিষয়টি শুনে ভালো লাগলো।
এরপর বিকেল প্রায় ৪টা পর্যন্ত বাড়িতেই সময় কাটাই। বিকেল ৪টার পর বাইরে বের হই। বাইরে গিয়ে ছোট ভাই নয়নের সঙ্গে দেখা হয়। সে আমাকে তাদের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে গিয়ে দেখি, বাড়ির ভেতরে অনেক সুন্দর সুন্দর ফুলের টব সাজিয়ে রাখা
হয়েছে। ফুলগুলো দেখে একটি ছবি তুলে রাখি এবং পরে শেয়ার করি। ছবি তোলার সময় নয়ন বললো, সকালে এলে সব ফুল একসঙ্গে ফুটে থাকে, তখন আরও সুন্দর ছবি তুলতে পারবো। আমি বললাম, ইনশাআল্লাহ একদিন সকালে এসে ছবি তুলবো।
এর কিছুক্ষণ পর মাস্টার বাজার থেকে ছোট ভাই ফরিদের ফোন আসে। তার ফোন পেয়ে মাস্টার বাজারে গিয়ে তার দোকানে বসি। সেখানে বসে একটি ছবিও তুলে রাখি, যা পরে শেয়ার করেছি। কিছুক্ষণ
পর আমার এক ছাত্র ফরিদের ফার্মেসিতে ওষুধ কিনতে আসে। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, কার
জন্য ওষুধ নিচ্ছো? সে জানালো, তার ভাগ্নের জ্বর হয়েছে, তাই ওষুধ নিতে এসেছে। তার সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলে আবার দোকানে বসে সময় কাটাই।
রাত প্রায় ৮টা পর্যন্ত ফরিদের দোকানে ছিলাম। এরপর বাড়ি থেকে ফোন এলে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিই। বাড়িতে ফিরে পরিবারের সবার সঙ্গে রাতের খাবার খাই। খাওয়া শেষে কিছু সময় অনলাইনে কাটাই।
রাত যখন প্রায় সাড়ে ১০টা বাজে,তখন দিনের সব কাজ শেষ করে নির্দিষ্ট সময়েই ঘুমিয়ে পড়ি।
যাইহোক,এভাবেই কেটেছে আমার পুরো দিনের কার্যক্রম।আশাকরি আমার আজকের ডায়েরিটি আপনাদের ভালো লাগবে।যদি ভালো লাগে,তাহলে অবশ্যই মন্তব্য করে আপনার মূল্যবান মতামত জানাবেন।সবাই ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।






Thank you so much for your support
Thank you so much for your support ❤️❤️