বোনের জন্মদিনে রাতের আয়োজন
নমস্কার বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন ?আশা করছি সকলেই ভালো আছেন। আজকে আবারো নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি আপনাদের মাঝে আশা করছি সকলেরই ভালো লাগবে।
আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করে নেব বোনের জন্মদিনে কাটানো সন্ধ্যার মুহূর্ত। বাঙ্গালীদের এখন জন্মদিন যেন একটা জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান বললেই চলে। তাতে আবার বাড়ির ছোট সদস্য বলে কথা। জন্মদিনের আগের দিন রাত বারোটার থেকে শুরু করে সারাটা দিনই চলে জন্মদিনের অনুষ্ঠান। আবার কেউ কেউ পরের দিন কিংবা সাতদিন পরেও চলে জন্মদিনের কেক কাটা। জন্মদিনটা একটা এখন ফ্যাশান হয়ে দাঁড়িয়েছে। ছোটবেলাতে দিদা শুধুমাত্র একটু পায়েস রান্না করে দিত এতেই আমরা সন্তুষ্ট ছিলাম। কিন্তু বড় হওয়ার সাথে সাথে আমাদেরও জন্মদিনের সমস্ত কিছু পাল্টে গিয়েছে আর এখনকার বাচ্চাদের জন্মদিনের তারিখ মায়েদের মনে রাখতে হয় না। নিজেরাই মনে রেখে মা-বাবাকে মনে করিয়ে দেয়। সেই দিনটা আমার জন্মদিন কিভাবে সেলিব্রেশন করা হবে সেটা তারাই ঠিক করে।
যাইহোক সেদিন সন্ধ্যা বেলায় রেডি হয়ে আসার পর দেখি ছোট মামা বেলুন ফুলিয়ে কিছুটা কাজ এগিয়ে রেখেছিল ।আবার এদিকে বেলুনে কম পড়েছে বলে কিনতে ছুটেছে। ছোট মামায় সমস্ত বেলুন ফুলিয়ে ঘরে সমস্ত এরেঞ্জ করেছিল। আমাকে এসে আর কিছু করতে হয়নি। খানিকক্ষণ পরই দেখি মেজ মামা মামি তিনজনেই চলে এসেছে। এদিকে যার জন্মদিন সে তখনও রেডি হয়নি।। তাকে আবার তাড়াহুড়ো করে রেডি হওয়ার জন্য পাঠানো হয়েছিল। এদিকে মেজ মামার মেয়ে ছোট সে এসে সমস্ত বেলুন লন্ডভন্ড করতে শুরু করে দিয়েছিল। আসলে বেলুন আর বাড়ির সকলকে দেখে আনন্দে আত্মহারা হয়ে উঠেছিল।এদিকে সমস্ত ছোট ছোট বাচ্চারা এসে কি আনন্দ তারা তো নাচানাচি শুরু করে দিয়েছিল। আসলে এই জন্মদিন গুলোতে বাচ্চাদেরই আনন্দ হয়। আমাদের বাড়িতেই অনেক বাচ্চা রয়েছে। বাড়ির সমস্ত বাচ্চাদের নিয়েই অনুষ্ঠান করা হয়েছিল।
এরপরে বোন তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে চলে এসেছিল কেক কাটবে বলে। মেজ মামার মেয়ে বাড়িতে এসে ভীষণ আনন্দ নাচানাচি শুরু করে দিয়েছিল ।বেলুন নিয়ে খেলা শুরু করে দিয়েছিল ।এরই মধ্যে সাজিয়ে গুছিয়ে নিয়ে কেক কাটিং করা হয়েছিল। সকলে কে হাতে কেক কেটে দেওয়া হয়েছিল ।কেক খাওয়ার পরে বাচ্চাগুলো তো কেউ খেতে চাইছিল না ।ওরা তো বসে বসে গান শুনছে আর নাচানাচি করছিল। ওদের আনন্দ করতে দেখে ভীষণ ভালো লাগছিল। এরপরে সকলকে একে একে খেতে দিয়েছিল । রান্নার সমস্ত আয়োজন বড় মামা নিজের হাতেই করেছিল। তাই একে একে সকলকে খেতে দেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছিল। বর্ষার সময় যখন তখন রাতে বৃষ্টি শুরু হয়ে যাচ্ছে। এদিকে আবার বাড়ি ফিরতে হবে তাই তাড়াহুড়ো লেগে গিয়েছিল।
সকলকে খেতে দিয়ে নিজেও খেয়ে নিয়েছিলাম। কারণ বাড়ি ফিরতে হবে। মামি আবার থেকে যাওয়ার জন্য বারবার বলছিল।বাড়ি ফিরতে ফিরতে প্রায় রাত্রি এগারোটা বেজে গিয়েছিল। ভেবেছিলাম মায়ের কাছেই থাকব। কিন্তু শরীরটা ভীষণ খারাপ করছিল তাই বাড়ি চলে যেতে হয়েছিল। তাতে আবার শুরু হয়ে গিয়েছিল হালকা বৃষ্টি।জন্মদিনে সারাদিন ভালোভাবেই কাটিয়েছিলাম ।সমস্ত কিছুই আপনাদের মাঝে শেয়ার করে নিয়েছিলাম ।আজ এইখানেই শেষ করলাম।
আবারো নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হব আগামীকাল। সকলে ভালো থাকুন ,সুস্থ থাকুন।


Congratulations! Your post has been upvoted from sc-07 account.
Thank you 🙏