মামির সাথে বেরোনোর মূহুর্ত

in Incredible India3 days ago

নমস্কার বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন? আশা করছি সকলেই ভালো আছেন। আজকে আবারো নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি আপনাদের মাঝে আশা করছি সকলেরই ভালো লাগবে।

IMG20260729194534.jpg

গত দুদিন ধরে আপনাদের মাঝে কোন কিছু শেয়ার করা হয়নি। আসলে বেশ কিছুদিন ধরেই মানসিক সমস্যা এছাড়াও মানসিক অশান্তিতে ভুগছি। মন ভালো না থাকলে কোন কিছুই করা সম্ভব হয় না। আশেপাশে কিছু মানুষের কথাবার্তা কিংবা অশান্তি সব সময় শরীর থেকে শুরু করে মন কেউ ভেঙে দেয়। তবুও আমি নিজেকে ঠিক রাখার চেষ্টা করি। ঠিক রাখার চেষ্টা করলেও হাজার ব্যস্ততার মধ্যে দিয়ে চাইলেও অনেক কিছু করা অসম্ভব হয়ে ওঠে না।যাই হোক আজকে সকাল থেকেই প্রচন্ড রোদ ছিল। কিন্তু দুপুরের পর হঠাৎ করেই এত মেঘ ডাকা শুরু হয়েছিল মনে হচ্ছিল যেন এখনই বৃষ্টি নামবে। ছিটে ফোঁটা বৃষ্টির পর বৃষ্টি আবারও থেমে গিয়েছিল। আজকে বিকেল বেলায় মামির সাথে বেরোনোর কথা ছিল। ভেবেছিলাম একটু বেড়োলে মনটা একটু ভালো লাগবে।আসলে বেশ কিছুদিন আগে মামার জন্য একটা গয়না কিনতে গিয়ে মামীর জন্য একটা গয়না পছন্দ করে রাখা ছিল। সেটাই আজকে ছিল আনার কথা। মামি আবার আমাকে ছাড়া কোথাও যেতে চাইনা।

IMG20260729194628.jpg

মামি যখন গয়নাটা কিনতে গিয়েছিল তখন দাম অনেকটাই বেশি ছিল। কিন্তু এখন সেই তুলনা মূলকভাবে অনেকটাই দাম এখন কমে গেছে, আমি মামিকে বুঝিয়ে বললাম চলো আজকে গিয়ে গয়নাটা কিনে নিয়ে আসি। গয়নার দোকানে লোকটি চেনা জানা ছিল। তাই অনেক রিকোয়েস্টের পর কিছুটা এডজাস্ট করে আমাদের গয়নাটা দিতে রাজি হয়েছিল। আসলে অন্য দোকানদার হলে কিন্তু এটা কোনদিনই করত না ।যে দামে বায়না দিয়ে রাখা ছিল সেই দামটাই নিতো। দোকানে যে মালিক উনি হল আমার ছোট মামার বন্ধু ।সম্পর্কে উনিও আমার মামা হয়। সেই খাতিরেই আমাদের সোনার গহনার অনেকটাই দাম কম নিল। আজকের সোনার দাম অনেকটাই কম ছিল। দোকানে গিয়ে দেখি মামা তখন দোকানে নেই। মামার দাদা ছিল দোকানে।সারাদিন দোকানে থাকার পর হয়তো পাশের দোকানে চা খেতে গিয়েছিল। আমরা গিয়ে এটা ওটা দেখছিলাম।

IMG20260729194058.jpg

সোনার জিনিস যেটা দেখা হয় সেটাই পছন্দ হয়ে যায়। আসলে সমস্ত কিছু তো আমাদের নেওয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না। যাইহোক বেশ খানিকক্ষণ অপেক্ষা করার পর মামাটা এসেছিল দোকানে, এমনিতেও মামাটার ব্যবহার ভীষণই ভালো ।অনেক কাস্টমারই দোকানে গিয়ে নাম করে ।আসলে মানুষের ব্যবহারটাই আসল। আমার দোকানে আসার পর আমাদের জিনিসটা বের করে আবারো হিসাব করে আমাদের দিয়ে ছিল ।আমরাও জিনিসটা নিয়ে মহানন্দে বাড়ির পথে রওনা দিয়েছিলাম। এদিকে আবার মামি মামার জন্য কয়েকটা ওষুধ নিয়ে নিয়েছিল। সমস্ত কাজ সেরে খুব তাড়াতাড়ি বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিলাম।

অনেক দিন পর বাইরে বেরিয়ে মনটা একটু ভালো লাগছিল। এছাড়াও আবহাওয়া বেশ ভালোই ছিল। ভেবেছিলাম বাইরে কিছু খাওয়া দাওয়া করব। কিন্তু সোনার দোকানে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। তাই টোটো ধরে সোজা বাড়িতে চলে আসতে হয়েছিল।


আজ এইখানেই শেষ করছি। আবারো নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হব আপনাদের মাঝে। সকলে ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।

Sort:  
Loading...
 2 days ago 

Thank you 🙏