Better Life with Steem|| The Diary Game||27- 05-2026|| The Gang is Back ||

in Incredible India29 days ago (edited)
1000040832.jpg

Hello,

Everyone,

আশা করি সৃষ্টিকর্তার অশেষ কৃপায় সকলে ভালো আছেন এবং ঈদের ছুটি সুন্দরভাবে উপভোগ করছেন। পরিবারের সাথে ঈদ উদযাপন করার জন্য অনেকেই গ্রামের বাড়িতে গিয়েছেন ।এখন ঢাকার শহর পুরোটাই ফাঁকা ।

রাজধানী ঢাকা শহর শান্ত ,কোন যানজট নেই। এখন রিক্সা করে ঢাকা শহরে ঘুরতে অনেক ভালো লাগে।মুক্ত বাতাস পাওয়া যাচ্ছে, তবে এই নীরবতা বেশিদিন থাকবে না। আবার পহেলা জুন থেকে ছুটি শেষ হয়ে যাবে। । এরিমাঝে অনেকে গ্রাম ছেড়ে শহরের উদ্দেশ্যে চলে আসতেছে ।

ঢাকা শহর আবার তার চিরাচরিত রূপ ফিরে পাবে।সকলের ছুটি থাকলেও আর্মি বাবুর ছুটি নেই ।যেহেতু মুসলিম ভাইয়েরা ছুটিতে গিয়েছে তাই জনবল কম থাকায় একটু বেশি ডিউটি দিতে হয় । মেয়ের কলেজ ছুটি তাই মেয়ে বাসায় থাকতে চাচ্ছে না ।

গ্রামের বাড়ি থেকে আমার বাবা-মা এসেছেন। বাবা আবার অসুস্থ তাই তাকে ডাক্তার দেখাতে হবে ।ছোট বোনের বাসায় বাবা-মা এসেছে। আমি এবং মেয়ে বাবা-মাকে দেখতে ছোট বোনের বাসায় চলে গেলাম ।অনেকদিন পরে বাবা মাকে পেয়ে ভালো লাগছে ।বেশি ভালো লাগতো, যদি বাবা সুস্থ থাকতেন।

1000040814.jpg1000040812.jpg

বাবার যত ধরনের পরীক্ষা করা হলো বেশিরভাগ পরীক্ষাতেই নরমাল এসেছে ।কোন সমস্যা খুঁজে পাচ্ছে কিন্তু বাবা তো সম্পূর্ণ সুস্থ হচ্ছে না । বিভিন্ন ধরনের ডাক্তার দেখানো হলো , দাঁতের ডাক্তার দেখানো হলো, কানের ডাক্তার দেখানো হলো,মেডিসিনের ও ডায়বেটিস এর ডাক্তার দেখানো হলো, কিডনির ডাক্তার দেখানো হলো।কোন ডাক্তার তেমন কঠিন সমস্যা খুঁজে পাচ্ছে না।

ছোট বোন প্রতিবার ঈদের ছুটিতে ওর শ্বশুরবাড়িতে গ্রামে চায় কিন্তু এবার বাবা-মা ঢাকাতে থাকায় ওদের গ্রামের বাড়িতে যাওয়া হলো না ।যেহেতু ২৮ তারিখ ঈদ পড়েছে তাই বোন ২৭ তারিখ তার বিশ্ববিদ্যালয় থাকাকালীন বান্ধবীদের বাসায় নিমন্ত্রণ করেছিলাম ।২৭ তারিখ ওরা সবাই বাসাতে আসবে ।

অনেক কিছু আয়োজন করা হয়েছিল । ছোট বোনগুলো দেখতে দেখতে চোখের সামনে বড় হয়ে গেল। সবাই সম্পূর্ণরূপে সংসারী ।ছোট বোনগুলো আজ আমার সারিতে এসে পড়েছে ।ওরাও এক সন্তানের মা ।ওরা সকলে ব্যস্ত ওদের সংসার গোছাতে।

সময় এবং পরিস্থিতি মেয়েদের সমস্ত কিছু শিখিয়ে দেয়। ২৭ তারিখ খুব সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে রুটি ভাজি করা হলো । মা ,আমি ও বোন রান্নার সমস্ত মসলা গতকাল রাতে গুছিয়ে রেখেছি ।আজ শুধু রান্না করব। প্রতিবারের মতো এবারও রান্নার দায়িত্ব এসেছে আমার হাতে । মা এবং বোন সাহায্য করেছিল।

দুপুরে খাবারের তালিকায় ছিল :- বেগুনি, সুস্বাদু পমফ্রেট (রূপচাঁদা) মাছ ভাজি, ইলিশ মাছের পাতুরি, চিকেন রোস্ট, ইলিশ মাছের মাথা দিয়ে মুগ ডাল ,খাসির রেজালা ,পোলাও, আমের চাটনি ,পাপড় ,চিংড়ি মাছ দিয়ে মিক্সড সবজি । আমরা এক এক করে সমস্ত কিছু দুপুর একটার ভিতরে শেষ করেছি। তৃতীয় শ্রেণি থেকে ওদের সাথে পরিচয়।

1000040816.jpg1000040818.jpg1000040817.jpg

মাঝে দশটি বছর ওরা আলাদা হয়ে যায় ।সবাই সবার পরিবার নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। যখন শুনলো ঢাকা আছে, তাই ওরা একটি সুন্দর দিন একত্রে কাটানোর জন্য বোন ওদেরকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে । দুপুর ২ টার সময় অতিথিরা চলে আসে।

ওরা আসার পর ওদেরকে মিষ্টি, শরবত এবং আম খেতে দেওয়া হলো। আমার ছোট বোন আমার মতো রান্না করতে ভালোবাসে এবং তা সুন্দরভাবে পরিবেশন করতেও খুব ভালোবাসে । খাবার টেবিল সাজিয়ে দিলাম । শুরুতে পুরুষদেরকে খেতে দেওয়া হল , তারপর মেয়েরা সব একত্রে খেতে বসে পড়লাম ।

সেই পুরনো দিনের অনেক গল্প হলো । দিন চলে যায়, জীবনে পরিবর্তন আসে কিন্তু সে পুরনো স্মৃতি মনের মাঝে থেকে যায়। আমরা কর্মব্যস্ত এ জীবনে পুরনো দিনগুলো হয়তো ভুলতেই বসেছি । মাঝে মাঝে যদি আমাদের সহপাঠীদের সাথে দেখা হয় তবে সে পুরনো দিনগুলো আবার খুঁজে পাওয়া যায়।

তখনকার সময় এতটা মোবাইল ফোন ছিল না, এতটা ইন্টারনেট ছিল না ।আমরা আমাদের সহপাঠীদের সাথে অনেকটা সময় কাটাতে পেরেছি কিন্তু বর্তমান সময়ে আমাদের ইন্টারনেট সুযোগ-সুবিধা পাওয়ায় আমরা মোবাইলের প্রতি বেশি আসক্ত হয়ে পরছি।

1000040930.jpg1000040828.jpg

প্রতিটা খাবারের অনেক প্রশংসা করলো তারা। কষ্ট করে রান্না করে সেই খাবারের যদি প্রশংসা পাওয়া যায় তবে রান্না করতে ভালো লাগে । গল্প করতে করতে রাত ৮:৩০ মিনিট বেজে গেল ।অতিথিগণ তাদের বাসায় চলে গেল।
এভাবে কেটে গেল আমার ২৭শে মে দিনটি। পোস্ট অনেক বড় হয়ে যাচ্ছে আর দীর্ঘ করলাম না ।এখানেই বিদায় নিচ্ছি। শুভরাত্রি।||

এখানে কিছু ছবি WhatsApp থেকে নেওয়া হয়েছে ।

Thank You So Much For Reading My Blog📖

3YjRMKgsieLsXiWgm2BURfogkWe5CerTXVyUc6H4gicdRPmPayXPfM22kXaj3xKw37oQ9tua3JfrnuMRWWqGHfhuyA1UYheY5qjiFbP3BW...JWNUaLb1UAxtVkvpEzFvrbCpiTVHr2qys8cnVHpyrfv38wVPMc1Luya71X8AzcNNuKjF1rHwqMTUWN8r39rGXHzGTLWtLUbqpNh6DHaWG6eK2zUkgnx8ShFKdg.png

Sort:  
Loading...
Loading...