আমি @bristy1, আমার বাংলা ব্লগ এর একজন সদস্য। আর আমার এই প্রিয় কমিউনিটির প্রিয় বন্ধুগণ, আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি৷সবার সুস্থতা কামনা করেই আজকের পোস্টটি শুরু করতে যাচ্ছি।

আজ আপনাদের মাঝে একটি রেসিপি শেয়ার করতে এসেছি। আজকের রেসিপিতে আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম সুজির রসভরি পিঠা। এটা আমার খুব পছন্দের একটা পিঠা।খুব বেশি মিষ্টি না দিয়েও করা যায়। এটা এত নরম তুলতুলে হয়, যা মুখে দিতেই মিলিয়ে যায়। আর তৈরি করতে খুব বেশি উপকরণের প্রয়োজন হয় না।তাই ঝটপট তৈরি করা যায়। এভাবে কিন্তু যে কেউই তৈরি করতে পারবে। আর একবার খেলে বারবার খেতে চাইবে যে কেউই। এটা শুধু যে আমার পছন্দ তা কিন্তু নয়,আমার বাবা,হাজব্যন্ড সবারই পছন্দের একটা পিঠা রেসিপি। বিশেষ করে নরম আর দুধে ভেজানো হয় বিধায় খেয়ে বেশি ভালো লাগে।যাইহোক কথা না বাড়িয়ে রেসিপিতে চলে যাই সরাসরি।
আজকের রেসিপির জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণসমূহ |
| উপকরণ | পরিমাণ |
| তরল দুধ | ১ লিটার |
| চিনি | ১/২ কাপ |
| ডিম | ২টি |
| সুজি | ১/৩ কাপ |
| লবণ | ১/২ চা চামচ |
| তেজপাতা | ১টি |
| দারচিনি | ১টুকরো |
| এলাচ | ৩টি |

প্রথমেই একটি পাতিলে দুধ দিলাম ১লিটার।চুলায় বসিয়ে জ্বাল দিতে থাকলাম। এরপর তেজপাতা,দারচিনি,এলাচ দিয়ে দিলাম। তারপর পরিমাণমত চিনি দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ জ্বাল দিতে থাকলাম।

এইধাপে ২টি ডিম ভেঙে নিলাম। তারপর লবণ এবং এলাচ গুড়ো দিয়ে দিলাম ফ্লেভারের জন্য।

এখন একটি হ্যান্ডহুইক্সের সাহায্যে ভালোভাবে সবকিছু মিক্স করে নিলাম। তারপর ধীরে ধীরে সুজি দিয়ে আবারও ৫ মিনিট মিক্স করলাম।

এইধাপে একটি ফ্রাইপ্যানে তেল বসিয়ে দিলাম। তারপর তেল গরম হলে অল্প অল্প করে ব্যাটার দিয়ে ভেজে নিতে থাকলাম।

এখন কিছুক্ষণ ভালোভাবে ভেজে নিয়ে উঠিয়ে নিলাম। তবে বেশি লালচে করে ভাজা যাবে না।

পূর্বে রান্না করে রাখা গরম দুধের মধ্যে এই পিঠাগুলো একসাথে দিয়ে দিলাম। তারপর ৫ মিনিট লো আঁচে রান্না করলাম,তারপর চুলা বন্ধ করে দিলাম। শেষে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ১ ঘন্টার জন্য রেখে দিলাম।

এইতো তৈরি হয়ে গেল মজাদার সুজির রসভরি পিঠা।




আজকের রেসিপিটি আপনাদের কাছে কেমন লেগেছে তা জানাতে ভুলবেন না কিন্তু।সবার মন্তব্যের অপেক্ষায় রইলাম।
সবাই অনেক অনেক ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন। সবার জন্য আন্তরিক ভালোবাসা রইল। সম্পূর্ণ পোস্টে আমার ভুল-ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। |
.png)
আমি তাহমিনা আক্তার বৃষ্টি। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি বাংলায় কথা বলি,আমি বাংলায় নিজের মনোভাব প্রকাশ করি। আমি নিজের মত করে সবকিছু করার চেষ্টা করি। আমি বিভিন্ন জিনিস আঁকতে পছন্দ করি। বিভিন্ন ধরনের ছবি আঁকা, রঙ করা, নতুন নতুন কিছু তৈরি করা আমার পছন্দের কাজ। তবে রান্নাবান্না আমার ভালোলাগা, চেষ্টা করি সবসময় নিজে নতুনভাবে কিছু রান্না করার। ভ্রমণপ্রেমীদের মত আমিও ঘুরতে পছন্দ করি। পরিবারের সবাইকে নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
.png)
💦
💦 BRISTY 💦
💦

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
সুজির রসভরি পিঠার রেসিপি খুব লোভনীয় দেখাচ্ছে। আপনার রেসিপির প্রতিটি স্টেপই আমি দেখেছি। খুব চমৎকারভাবে পিঠাটি তৈরি করেছেন। অসাধারণ একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া,মন্তব্য দেখে খুব ভালো লাগলো।
সুজির রস ভরি পিঠা দেখেই জিভে জল চলে আসলো। এ ধরনের পিঠা একটু ঠান্ডা করে খেতে খুবই সুস্বাদু লাগে আমার কাছে। দেখি আপনারা তৈরি করার পদ্ধতি ফলো করে তৈরি করব ইনশাল্লাহ। সুস্বাদু পিঠার রেসিপি শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া,ঠান্ডা করে খেতেই মজা বেশি।আর নরম তুলতুলে হলে আরও বেশি ভালো লাগে।
এ জাতীয় খাবার আমারও খুব ভালো লাগে খেতে।
আপনার প্রস্তুত করার সুজির রস ভরা পিঠা দেখেই তো জিভে জল চলে এলো।
খেতে নিশ্চয়ই খুব সুস্বাদু হয়েছিল।
সুন্দর উপস্থাপনা করেছেন পিঠা প্রস্তুত প্রণালী শুভেচ্ছা রইল আপনার জন্য।
জি ভাইয়া,খেতে খুবই মজার ছিল এই পিঠা।
অনেক সুন্দর হয়েছে আপু অনেক সুন্দর হয়েছে। আপনার হাতের তৈরি সুজির রসভরি পিঠার রেসিপি খুবই সুন্দর দেখাচ্ছে। যদিও এধরনের পিঠা আমি এখুনো খাইনি তবে আপনার রেসিপিটা দেখে আমার খাওয়ার ইচ্ছা জাগছে। আপনার রিসিপির ধাপগুলো ছিল অনেক সুন্দর।যা দেখে যে কেউ অতি সহজে আপনার এই সুজির রসভরি পিঠা তৈরি করতে পারবে। সবশেষে এত সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আপু।
সহজেই কিন্তু তৈরি করা যায় এই পিঠা। তাই খেতেও ভালো লাগে।সর্বোচ্চ ৩০মিনিটের মধ্যেই বানানো যায়।
সুজির রসে ভরা পিঠা চমৎকার সুস্বাদু হয় খেতে।পুষ্টিগুণেও ভরপুর হয়ে থাকে এই পিঠাগুলো । আপনি চমৎকার সুন্দর করে সুজির রসভরি পিঠা বানিয়েছেন এবং বানানো পদ্ধতি আমাদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর লোভনীয় রস ভরি পিঠা বানানো পদ্ধতি ভাগ করে নেয়ার জন্য।
আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ আপু।
আপু আপনি আজকে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন সুজির রসভরি পিঠার রেসিপি তৈরি করে। আসলে প্রত্যেকের কাছে এ রেসিপিটি অনেকটাই ইউনিক মনে হবে। গত কয়েকদিন আগেও এই রেসিপি খেয়েছিলাম আম্মু তৈরি করেছিল। আসলে এই রেসিপি ঝোল খেতে সত্যি আমার কাছে বেশ ভালো লাগে। আপনার তৈরি রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে খেতে বেশ সুস্বাদু ছিল আপু। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি রেসিপি তৈরি করে শেয়ার করার জন্য।
ঝোল সহ পিঠাগুলো খেতে খুব মজার।আর আপনার আম্মুর হাতে বানানো পিঠা খেয়েছেন শুনে ভালো লাগলো ভাইয়া।
সুজির রসভরি পিঠাগুলো দেখে তো জিভে জল চলে এসেছে আপু। বেশ লোভনীয় লাগছে পিঠাগুলো দেখতে। আগে কখনো এরকম পিঠা তৈরি করে খাওয়া হয়নি। আপনার কাছ থেকে রেসিপি টা শিখে নিলাম। ধন্যবাদ আপু সুস্বাদু এবং লোভনীয় একটা পিঠা রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
শিখে নিলেন, তাহলে এইবার যখন ইচ্ছে হবে তৈরি করে নিতে পারবেন।আমি এরপর আবার তৈরি করেছিলাম।
দেখে বেশ ভালো লাগলো আমার অনেক পছন্দের একটি রেসিপি আপু। এভাবে সুজির পিঠা তৈরি করে দুধের রসের মধ্যে দিয়ে খেলে বেশ ভালো লাগে। তাছাড়া ফ্রিজের মধ্যে রেখে খেলে আরো অনেক ভালো লাগে। আমার বাচ্চারাও অনেক পছন্দ করে। কিছুদিন আগে আমিও তৈরি করেছিলাম। আজকে আপনার মাধ্যমে রেসিপিটি দেখতে পেয়ে খুব ভালো লাগলো।
হ্যা আপু, আপনি মনে হয় কাস্টার্ড সহ করেছিলেন। আমার নিজের কাছেও এই পিঠা খুব মজা লাগে।
সুজির রসভরি পিঠা রেসিপি দারুন হয়েছে আপু। অল্প মিষ্টি দিয়ে এই রেসিপি তৈরি করলে খেতে ভালোই লাগবে। নরম পিঠা খেতে অনেক ভালো লাগে। আপু আপনার তৈরি করা রেসিপি দেখে আমিও এই পিঠা তৈরির পদ্ধতি শিখে নেওয়ার চেষ্টা করেছি। ধন্যবাদ আপনাকে।
মিষ্টি যে যেমন খেতে পছন্দ করবে সে তেমন দিয়ে করতে পারবে।তবে এই পিঠাতে একটু মিষ্টি বেশি দিয়ে করলেই ভালো লাগে।