অল্পতে তৃপ্ত হতে কি আমরা পারি?

আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।

IMG_0378.jpeg


আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।

মানুষের চাহিদা আসলে অসীম। কিন্তু সেটা আমরা বেশিরভাগ মানুষ এই স্বীকার করতে চাই না এটা আমাদের মনে মনে কিন্তু এটা থাকেই।অর্থাৎ এটা আমরা সকলেই জানি যে একবার কোনো কিছু পেলে আরেকটা চাই, আরেকটা পেলেই আবার নতুন কিছুর লোভ জাগে। জীবনের এই দৌড়ঝাঁপের মাঝেই আমরা প্রায়শই ভুলে যাই যে অল্পতেই সন্তুষ্ট থাকা মানেই আসল সুখ। প্রশ্ন হচ্ছে, আমরা কি সত্যিই অল্পতে তৃপ্ত হতে পারি?অল্পতেই তৃপ্তি মানে হলো নিজের যা আছে,সেটাকে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে গ্রহণ করা। যেমন একটা সাধারণ খাবারও কারও কাছে অমূল্য হতে পারে,কারণ তার জন্য হয়তো খাবারটাই দুর্লভ। আমরা যখন নিজেদের পাওয়া জিনিসের মূল্য বুঝতে শিখি, তখনই তৃপ্তি আসে।

কিন্তু এটা বলা সহজ হলেও বাস্তবে অনেক সময় কঠিন। কারণ সমাজ আমাদের শেখায় সবসময় বেশি অর্জন করতে হবে, অন্যের সঙ্গে তুলনা করতে হবে। এই প্রতিযোগিতার কারণে আমাদের ভেতরে অশান্তি তৈরি হয়। কিন্তু একটু থেমে ভেবে দেখলে বোঝা যায়,যে মানুষ অল্পতে সন্তুষ্ট হতে পারে, সে ই সবচেয়ে সুখী।অল্পতেই তৃপ্ত হতে পারা মানে কিন্তু জীবনে উন্নতির স্বপ্ন বাদ দেওয়া নয়। বরং এটি হলো একধরনের মানসিক শান্তি, যা আমাদের লোভ থেকে দূরে রাখে। আমরা স্বপ্ন দেখব,পরিশ্রম করব,নতুন কিছু চাইব, কিন্তু যা পেয়েছি তাতেও খুশি থাকব।

অল্পতে তৃপ্ত হতে পারলে জীবনে চাপ কমে যায়, সম্পর্কগুলো দৃঢ় হয় আর মনের ভেতরে জন্ম নেয় প্রশান্তি। তাই বলা যায়, হ্যাঁ,আমরা চাইলে অল্পতেই তৃপ্ত হতে পারি যদি আমরা কৃতজ্ঞতা শিখি,লোভকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি এবং জীবনের ছোট ছোট সুখগুলোকে উপভোগ করতে শিখি।আসলে আমরা যদি একটু বুঝতে পারি। তাহলে এটা খুব ভালোভাবে খেয়াল করলে দেখা যায় যে অল্পতে তৃপ্ত হতে পারাটাই জীবনের সৌন্দর্যতা।

ABB.gif