শখের ফটোগ্রাফি!!
আমার বাংলা ব্লগে,সবাইকে স্বাগতম।
আমি @emon42.
বাংলাদেশ🇧🇩 থেকে
আশাকরি সবাই ভালো আছেন। আমি মোটামুটি ভালো আছি। বাড়িতে আসার পর যেন অলসতা টা একেবারে ঘিরে ধরেছে। দেখতে দেখতে কয়েকটা দিন যেন খুব দ্রুতই কেটে গেল। যদিও ৫ দিনের একটা লম্বা ছুটি কাটিয়ে গেলাম বাড়িতে। অনেকদিন পর আবার নিজের শহরের সেই প্রকৃতি সেই দৃশ্যপট দেখে বেশ ভালো লাগল। সবকিছু যেন আগের মতোই আছে তবুও কোথায় যেন কিছু একটা নেই। আজ আমি আপনাদের সাথে কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করে নেব। আশাকরি ফটোগ্রাফি গুলো আপনাদের বেশ ভালো লাগবে।
- এটা হলো কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর গেট। এক বছর আগেও আমি এই কলেজের শিক্ষার্থী ছিলাম। এবং আজ আমি এখানকার সাবেক শিক্ষার্থী। কয়েকদিন আগে গিয়েছিলাম সনদপএ তুলতে ঐসময় আমি ফটোগ্রাফি টা ধারণ করেছিলাম। আর কখনোই শিক্ষার্থী হিসেবে এই গেট দিয়ে প্রবেশ করতে পারব না। এটা ভাবলেই কেমন একটা অনূভুতি হচ্ছে।
- ২০১৯ সালের আগষ্ট থেকে চার বছরের যাএা শুরু হয়। এবং সেটার শেষ এবং গতবছর। চারটা বছর বেশ দারুণ কেটেছে আমার। সত্যি বলতে ভালো খারাপ অনেক অনূভুতির সাক্ষী হয়েছি এই ইনস্টিউটে। এখনও সবাইকে অনেক মনে পড়ে। গতদিন যখন এই চার বছরের পরিশ্রমের ফল সেই সনদপএ টা হাতে পেলাম তখন ভালো লাগার থেকে খারাপই বেশি লাগছিল। আমি আর এই ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী না এটা ভেবে।
- আমার ক্যাম্পাসের মধ্যে সবচাইতে পছন্দের জায়গা ছিল এই মাঠ। অনেক টা সময় কাটিয়েছি এই মাঠে। কখনও ক্রিকেট কখনও ফুটবল আবার কখনও ক্লাসের ফাঁকে আড্ডা সবকিছুই করেছি এই মাঠে। গতদিন যখন গেলাম মাঠে বতর্মান শিক্ষার্থীরা ফুটবল খেলছিল। ওদের দেখে সেই পুরাতন সময় টা স্মরণে চলে আসলো।
- আমার ক্যাম্পাসের একাডেমিক ভবন এবং প্রশাসনিক ভবনে যাওয়ার লেন এইটা। এইরকম চারটা লেন বা পথ আছে আমার কলেজে। এই পথে ঢুকতেই গেটে রয়েছে দারুণ একটা বাগানবিলাস ফুল গাছ। এটাকে আবার অনেকে গেট ফুল গাছও বলে। বেশ সুন্দর লাগছিল দেখতে।
- এই ফটোগ্রাফি টা আমি ধারণ করেছিলাম হাইওয়ে থেকে। হাইওয়ের এই অংশটা আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছিল। কারণ দুই পাশে গাছপালা। হাইওয়ে হলেও জায়গাটা একটা নিরিবিলি। না আছে কোন কোলাহল গাড়ির শব্দ না আছে মানুষের ভীড়। বেশ লাগছিল এই জায়গাটা।
- এটা হলো মীর মোশারফ হোসেন সেতু। সাহিত্যিক মীর মোশারফ হোসেনের নাম তো সবাই শুনেছেন। উনার বাড়ি কিন্তু আমাদের এই কুমারখালী - কুষ্টিয়াতে। উনার নামেই এই সেতুর নামকরণ করা। ঐদিন কুষ্টিয়া যাওয়ার পথেই এই ফটোগ্রাফি টা আমি ধারণ করেছিলা।
- ৮ নভেম্বরের কথা। ঐদিন ছিল আমার প্রথম সেমিষ্টারের শেষ পরীক্ষা। সাধারণত পরীক্ষা শেষ করে একটু উৎফুল্ল ছিলাম আমি। আমি এবং আমার কয়েকজন বন্ধু পরিকল্পনা করে বিকেলে হাতিরঝিলে হাঁটতে গিয়েছিলাম। এবং ঐসময় আমি ফটোগ্রাফি গুলো ধারণ করেছিলাম। বিকেল টা বেশ দারুণ কেটেছিল হাতিরঝিলে।
সবাইকে ধন্যবাদ💖💖💖।
অনন্ত মহাকালে মোর যাএা অসীম মহাকাশের অন্তে। যারা আমাদের পাশে আছে তারা একটা সময় চলে যাবেই, এটা তাদের দোষ না। আমাদের জীবনে তাদের পার্ট ওইটুকুই। আমাদের প্রকৃত চিরশখা আমরা নিজেই, তাই নিজেই যদি নিজের বন্ধু হতে পারেন, তাহলে দেখবেন জীবন অনেক মধুর।তখন আর একা হয়ে যাওয়ার ভয় থাকবে না।
আমি ইমন হোসেন। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি একজন ছাএ। তবে লেখাপড়া টা সিরিয়াসলি করি না হা হা। লেখালেখি টা বেশ পছন্দ করি। এবং আমি ফুটবল টা অনেক পছন্দ করি। আমার প্রিয় লেখক হলেন জীবনানন্দ দাস। আমি একটা জিনিস সবসময় বিশ্বাস করি মানিয়ে নিতে এবং মেনে নিতে পারলেই জীবন সুন্দর।।
















.png)



Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
Daily work proof
ভাই আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে কুষ্টিয়া পলিটেকনিকের কথা খুব মনে পড়ছে। এটা সত্যি বলেছেন আমরা আর কখনোই পলিটেকনিকের স্টুডেন্ট হিসাবে এই গেট দিয়ে ঢুকতে পারবো না। অন্যান্য ফটোগ্রাফি গুলো অনেক ভালো লেগেছে বিশেষ করে খেলার মাঠ। অনেক সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
দারুন কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন আপনি। হাইওয়ের ফটোগ্রাফি টা অনেক বেশি ভালো লেগেছে আমার কাছে। মাঝখানের রাস্তা এবং দু'পাশে গাছ এই দৃশ্য গুলো সত্যি মনোমুগ্ধকর। বাকি ফটোগ্রাফি গুলো ভালো লাগলো দেখে। চমৎকার ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
আজকে আপনি আমাদের মাঝে অনেক সুন্দর ভাবে আপনার ফটোগ্রাফি পোস্ট উপস্থাপন করেছেন। অনেক ভালো লাগলো আপনার এই কলেজ ক্যাম্পাসের বাগান বিলাস ফুল দেখে। খুব সুন্দর ভাবে প্রত্যেকটা ছবি ক্যাপচার করেছেন আপনি। এত সুন্দর ফটো ধারণ করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
আসলে আমরা শুরু থেকে যে সমস্ত বিষয়গুলো শেয়ার করে চলেছি সেগুলো এক প্রকার সাক্ষী হয়ে থেকে যাচ্ছে ভালো মন্দর। আর প্রথম থেকে আমার এত প্রতিনিয়ত পোস্ট করে চলেছি এইজন্য অনেক কিছুই শেয়ার করেছি। আপনার মত মাঝেমধ্যে আমিও আমার ভালো লাগার ছবিগুলো উপস্থাপন করে থাকি এইখানে। যেন অন্যরকম একটা ভালোলাগা। যাহোক আপনার বিভিন্ন পর্যায়ের ফটো গুলো দেখে ভালো লাগলো ভাইয়া। তবে ক্যাম্পাসের ফুলের ফটোগুলো আমার কাছে আরো বেশি ভালো লেগেছে। এছাড়াও পথের দৃশ্যগুলো দারুন ক্যামেরা বন্দি করেছেন আপনি।
আপনার পোস্টটি পড়ে অনেক ভালো লাগলো ভাইয়া। আপনার কাছে জায়গাটা স্মৃতি আর আমার কাছে জায়গাটা প্রতিদিনের আসা-যাওয়ার স্থান। অনেক আবেগের ভালোবাসার এই জায়গাটি। তবে এটা ভেবে খারাপ লাগছে আপনার মত আমিও কোনদিন এই পলিটেকনিক্যালের প্রাক্তন স্টুডেন্ট হয়ে যাব। সেদিন হয়তো আপনার মতই আর কখনো স্টুডেন্ট হিসেবে কলেজে প্রবেশ করতে পারবো না। আমাদের কলেজের সবকিছুই আমার কাছে অনেক ভালো লাগে তবে গেট জুড়ে বাগান বিলাস ফুলের গাছ এটা যেন অন্যরকম সৌন্দর্য ধারণ করে। ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর পোস্টটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
স্মৃতিমেদুর জায়গার ছবি আপলোড করেছেন আপনি। সেই জন্যই হয়তো ছবিগুলোতে অদ্ভুত মায়াটান লেগে আছে৷ আপনার বর্ণনা পড়ে ভালোলাগা জন্মালো। মধুর সব যাপন লেগে আছে, কলেজের গেটে, যাবার রাস্তায়। আহা কী অপূর্ব যেন এক উচ্ছ্বসিত যাপনের কথামালা।
ভাইয়া খুব সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করছেন। এইরকম এলোমেলো ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে অনেক ভালো লাগে আমার।বিশেষ করে রাস্তার ফটোগ্রাফি ও আপনার ক্যাম্পাসের মাঠের ফটোগ্রাফি অনেক সুন্দর হয়েছে। ধন্যবাদ আপনাকে পোস্ট টি শেয়ার করার জন্য।
আপনার শখের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আমার অনেক ভালো লেগেছে। আপনি সবসময় অনেক সুন্দর ফটোগ্রাফি করেন। আমার কাছে আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে খুব ভালো লাগে। তেমনি আজকের ফটোগ্রাফি গুলো ও অনেক ভালো লেগেছে। আমার কাছে প্রত্যেকটা দৃশ্য অনেক ভালো লেগেছে দেখতে। ধন্যবাদ আমাদের মাঝে এগুলো শেয়ার করার জন্য।