সন্দ্বীপ ভ্রমণ - পর্ব ১৩
হ্যালো বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আলহামদুলিল্লাহ, আমিও ভালো আছি এবংসুস্থ আছি। হৃদয়ের চঞ্চলতাগুলোকে আরো বেশী সতেজ রাখার চেষ্টা করছি। সময়ের গতি এবং জীবনের গতির মাঝে একটা সুন্দর সংযোগ তৈরীর চেষ্টা করে যাচ্ছি। যদিও আমাদের প্রত্যাশা এবং বাস্তবতা দুটোর মাঝেই দারুণ একটা পার্থক্য সর্বদা স্পষ্ট হয়ে থাকে। প্রত্যাশার পরিধি হয়তো সব সময় পূর্ণতা পায় না কিন্তু তবুও আমাদের চাহিদাগুলো হারিয়ে যায় না, আমাদের হৃদয়ের আকাংখাগুলো কখনো থেমে থাকে না। সময়ের সাথে সাথে সেগুলোর মাঝেও পরিবর্তন আসতে শুরু করে।
সময় সত্যি এমন এক হাতিয়ার যা আমাদের সকলের মাঝে থাকা অনুভূতিগুলোকে পাল্টে দেয় নিদারুণভাবে। কিন্তু প্রকৃতি এবং এর মাঝে থাকে সতেজতার ছোঁয়া সব কিছুকে নিমিষেই আমার ঠিক করে দিতে পারে। আর এই কারণেই প্রকৃতির সান্নিধ্যে আমাদের বেশী সময় থাকা উচিত, ব্যস্ততাকে পাশ কাটিয়ে কিছুটা সময় নীরবে উপভোগ করার চেষ্টা করা উচিত। সব সময় হয়তো সম্ভব হবে না কিন্তু যতটা সুযোগ পাওয়া যায় ততটুকু নিশ্চিত করা উচিত। যাইহোক, আজকে সন্দ্বীপ ভ্রমণের তেরতম পর্ব শেয়ার করবো। বিগত পর্বে হাঁটার কথা বলে শেষ করেছিলাম।
হাঁটতে হাঁটতে আমরা কাংখিত জায়গায় পৌঁছে গেলাম। সাগরের পাড়ে, তবে সেই উত্তাল ঢেউয়ের পাশে নয় বরং শান্ত এবং নিরিবিলি পরিবেশের মাঝে। এই পাশটায় বিশাল বড় চর পড়েছে, যদিও এগুলো এখনো কাংখিত পর্যায়ে নেই অর্থাৎ চাষাবাদ কিংবা মানুষজন থাকার উপযোগি হয়ে উঠে নাই। জোয়ার আসার সাথে সাথে অনেক অংশই আবার ডুবে যায়।
তবে গরু-মহিষ চড়ানো কিংবা সবুজ ঘাস কাটা এবং মাছ ধরার ক্ষেত্রে কিছুটা সুবিধা পাওয়া যায়। মানুষ সময় করে আসে এখানে, কিছুটা শান্ত পরিবেশে এবং সাগরের শীতল বাতাস উপভোগ করে। তারপর আবার সতেজতা নিয়ে বাড়িতে ফিরে যায়। এই পাশটা একটা সময় ভীষণ উত্তাল ছিলো, বেশ উত্তাল হওয়ার কারণে অনেক গ্রাম এই দিক হতে বিলীন হয়ে গেছে।
কিন্তু এখন পরিস্থিতি পাল্টে গেছে, বিশাল আকারের চর বিস্তৃত হতেছে, আশা করা যায় এগুলো স্থায়ী হবে এবং মানুষের বসবারের উপযোগি হবে। সময়ের সাথে সাথে এভাবে হয়তো সব পাল্টে যায়, কখনো উত্তাল হয়ে সব কিছু নিঃশেষ করে দেয় আবার কখনো কখনো শান্ত হয়ে প্রত্যাশা বাড়িয়ে দেয়, এই বাস্তবতা কিংবা প্রত্যশার মাঝেই আমাদের জীবনকে গতিশীল রাখার চেষ্টা করতে হয়।
তারিখঃ অক্টোবর ০৩, ২০২৫ইং।
লোকেশনঃ সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম।
ক্যামেরাঃ রেডমি-১৩, স্মার্টফোন।
ধন্যবাদ সবাইকে।
@hafizullah
আমি মোঃ হাফিজ উল্লাহ, চাকুরীজীবী। বাংলাদেশী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লালন করি। ব্যক্তি স্বাধীনতাকে সমর্থন করি, তবে সর্বদা নিজেকে ব্যতিক্রমধর্মী হিসেবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করি। পড়তে, শুনতে এবং লিখতে ভালোবাসি। নিজের মত প্রকাশের এবং অন্যের মতামতকে মূল্যায়নের চেষ্টা করি। ব্যক্তি হিসেবে অলস এবং ভ্রমন প্রিয়।

|| আমার বাংলা ব্লগ-শুরু করো বাংলা দিয়ে ||




>>>>>|| এখানে ক্লিক করো ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য ||<<<<<

Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness

OR










