You are viewing a single comment's thread from:

RE: রবীন্দ্র কুঠিবাড়ির আঁনাচে-কাঁনাচে। - প্রথম পর্ব।

in আমার বাংলা ব্লগ4 years ago

ধন্যবাদ দিতে কিন্তু কিপটামি করবেন না।

সর্বপ্রথম একটি কথাই বলতে চাই ধন্যবাদ দিতে কোনো কার্পণ্য করবো না। কারণ আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে আজ যেই মহামূল্যবান জিনিসপত্র গুলো সম্পর্কে জানতে পেরেছি ও দেখেছি সেটার জন্য আপনার কাছে আমরা অনেক কৃতজ্ঞ । বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর কাজের মাধ্যমে সকলের অন্তরে চিরকাল বেঁচে থাকবেন। আমাদের সকলের প্রিয় শ্রদ্ধেয় এই মানুষটি আমাদের অন্তরে যায়গা করে নিয়েছেন। তার ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র যে কখনো দেখতে পাবো তা কখনোও কল্পনা করিনি। সত্যি কথা বলতে আপনি আজকে আপনার এই ফটোগ্রাফির মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র অনেক সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন। আসলে এই জিনিসগুলো পুরনো হলেও দেখতে একদম নতুনের মতই রয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত আট বেহারার পালকির কথা অনেক শুনেছি। কিন্তু কখনো যে এই বিখ্যাত পালকি দেখতে পাব তা ভাবতেও পারিনি। এছাড়া রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ব্যবহৃত আলমারির ফটোগ্রাফি দেখে খুবই ভালো লাগলো। ভাইয়া আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য।

Sort:  
 4 years ago 

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আপু।

তবে আমি আপনাকে একটা পরামর্শ দিতে চাই। আপনি মন্তব্য গুলো অনেক বড় না করে গঠনমূলক মন্তব্য করুন অল্প কথার মধ্যে। সেটা দেখতে আরো সুন্দর লাগবে। তাছাড়া যে পড়বে তার কাছেও অনেক ভালো লাগবে৷

কিছু মনে করবেন না প্লিজ। এটা আপনার ভালোর জন্য বললাম।

 4 years ago 

আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি ভাইয়া একটি সুন্দর পরামর্শ দেওয়ার জন্য। আমাদের কাজের মাঝে হয়তো ভুল থাকতে পারে। আপনারা বড় ভাইয়ারা যদি আমাদেরকে শিখিয়ে নেন তাহলে ভবিষ্যতে আমাদের এই ভুলগুলো আর হবেনা। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।