কাঁচা কলার কাবাব রেসিপি।
১১ ফাল্গুন , ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
২৪ই ফেব্রুয়ারি ২০২৪ খৃস্টাব্দ ।
আজ রোজ শনিবার
আ মার বাংলা ব্লগের সকল বাংলাভাষী সদস্যগনকে আমার সালাম এবং আদাব। সবাই কেমন আছেন ? আশা করি, সবাই মহান সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে অনেক ভালো আছেন। আমি ও আপনাদের দোয়ায় এবং মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে অনেক ভাল আছি। সবাইকে আন্তরিকভাবে শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আমার আজকের ব্লগ
প্রতিদিনের মত নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি।আমি আপনাদের সাথে একটি রেসিপি শেয়ার করবো। যদিও বেশ কিছুদিন আগের রেসিপি ,সেটা হচ্ছে কাঁচকলার রেসিপি। আমি আগে একে বারেই কাঁচকলা পছন্দ করতাম না। শুধু মাত্র ইলিশ মাছ দিয়েই খেতাম এখন কাঁচকলার কাবাব বানিয়ে ভাত অথবা সস দিয়ে খেতে ভালো লাগে। বিকেলের নাস্তা কিংবা বাচ্চাদের টিফিনে জন্য বেশ ভালো নাস্তা। কাঁচকলাতে প্রচুর পরিমান আয়রন থাকে যার জন্য যে কোনো রেসিপি করলেই একটু কালো কালো হয়ে যায়। আগে তো বুঝতাম না তাই খেতে চাইতাম না ,হা হা। যাই হোক কাচঁকলাতে প্রচুর পরিমান পুষ্টি গুন্ রয়েছে।তাহলে চলেন কথা না বারিয়ে যাই মূল রেসিপিতে।
প্রয়োজনীয় উপকরণ |
|---|

| উপকরন | পরিমান | |||
|---|---|---|---|---|
| কাঁচকলা | প্রয়োজন মত | |||
| পেঁয়াজ | ৩টি | |||
| লবন | সামান্য | |||
| কাঁচামরিচ | প্রয়োজন মত | |||
| পুদিনাপাতা | প্রয়োজন মত | মসলা | প্রয়োজন মত | |
| আদা রসুন পেস্ট | প্রয়োজন মত | |||
| তেল | ১কাপ | |||
| ডিম | ১টি |
প্রস্তুত প্রণালী |
|---|
প্রথমে পানি দিয়ে সিদ্ধ করে নিয়েছি।
খোসা ছাড়িয়ে নিয়েছি।
মেশ করে নিয়েছি।

পেঁয়াজ ,কাঁচামরিচ ,লবন মসলা ,আদা পেস্ট দিয়ে দিব।

মেখে নিব।

৭ম ধাপ |
|---|
গোল গোল করে নিয়েছি।
৮ম ধাপ |
|---|
তেলে ভেজে নিব।
৯ম ধাপ |
|---|
এতক্ষন সাথেই থাকার জন্য ধন্যবাদ
| device | samsung SM-A217F |
|---|---|
| Location | Dhaka |
| Photograpy | recipe |
ডিসকর্ড লিংক:
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |









কাঁচা কলার কাবাব আজকে তো আমি এটা নতুন দেখলাম, আমার কাছে ভীষণই অনেক লাগলো। আপনি ভীষণ সুন্দরভাবে আমাদের মাঝে উপস্থাপনা করেছেন এবং এইগুলো গরম গরম খেতে ভীষণ ভালো লাগে। প্রতিটি ধাপ খুব সুন্দর করে উপস্থাপনা করেছেন। আপনার জন্য শুভেচ্ছা রইলো।
আপু কাঁচকলার কাবাব রেসিপি কখনো খাওয়া হয়নি। তবে আপনার রেসিপি দেখে লোভ লেগে গেল। দেখি একদিন অবশ্যই তৈরি করব।প্রতিটি ধাপ অনেক সুন্দর করে দেখেছে। তবে আপু আপনার ছবিগুলো ঠিক করে নিবেন,সব ছবিগুলো আসেনি।ধন্যবাদ আপু ।
কাঁচা কলার এই জাতীয় রেসিপিগুলো আমার খুবই ভালো লাগে। আমরা তো একবার কাঁচা কলা আর পাকা কলা মিশ্রণ করে তৈরি করেছিলাম কাঁচা কলা ভর্তা আর পাকা কলা তার সাথে ময়দা দিয়ে ছেনে। চমৎকার কিন্তু তৈরি করেছেন। আশা করি অবশ্যই খুব টেস্ট হয়েছিল এই ভাজা রেসিপিটা। উপস্থাপনা বেশ চমৎকার।
কাঁচ কলা বেশ পুস্টিগুন সম্পন্ন একটি সব্জি ।তাই সপ্তাহে দু' থেকে ৩দিন আমাদের খাওয়া দরকার। আপনার এই রেসিপিটি আমিও বানাই খেতে বেশ লাগে। আমার ভাত দিয়ে খেতে যেমন ভালো লাগে,তেমনি বিকালের নাস্তায়ও বেশ মজা লাগে। আপনার রেসিপিটি দেখতে বেশ লোভনীয় লাগছে। তবে আটা না ব্যবহার করে চালের গুড়া ব্যবহার করলে বেশ মুচমুচে হয়। ধন্যবাদ রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য।
আপনি সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের একটা রেসিপি তৈরি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন আপু। এর আগে আমি কোনদিন কাঁচা কলা দিয়ে কাবাব তৈরি করতে দেখেছিলাম না। আপনার পোষ্টের মাধ্যমে এই বিষয়টা আমি প্রথমবারের মতো জানতে পারলাম।
কাঁচা কলার কাবাব তৈরির প্রক্রিয়াটি আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। একই সাথে আপনার রেসিপি তৈরীর বর্ণনা গুলো চমৎকার ভাবে আপনি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। কাঁচা কলার কাবাব তৈরিতে ডিমের ব্যবহারটা আমার কাছে সব থেকে বেশি ভালো লেগেছে।
আপনি তো তাও কাঁচা কলা শুধু ইলিশ মাছ দিয়ে খেতেন আমি তো কাঁচা কলা জীবনেও খাই না । লাস্ট কবে খেয়েছি সেটাও বলতে পারব না । তবে কাঁচা করার কাবাব দেখে খেতে ইচ্ছা করছে । এ ধরনের খাবার গুলো খেতে ভালো লাগে । কাঁচা কলা দিয়ে যে এভাবে কাবাব বানানো যায় সেটা আপনার থেকে শিখে নিলাম । ভালো লাগলো আপু আপনার রেসিপিটি ।
কাঁচা কলা বাচ্চারা তেমন খেতে চাই না আপু। তবে এভাবে তৈরি করলে অবশ্যই খাবে আমার মতে। আপনি অনেক সুন্দর করে উপস্থাপন করলেন। মনে হচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছিল। তাছাড়া কাঁচা কলা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। এমন সুস্বাদু একটি রেসিপি আপনি কাবাব তৈরি করলেন। আপনার রেসিপি টা দেখে একদিন তৈরি করে নিতে হবে।
কাঁচা কলা খাওয়া আমাদের জন্য খুবই উপকারী। আমি কাঁচা কলা খেতে খুবই পছন্দ করি। যে কোন রেসিপি তৈরিতে কাঁচা কলা ব্যবহার করলে খেতে খুবই সুস্বাদু লাগে। আপনি আজ কাঁচা কলা দিয়ে কাবাবের মজাদার রেসিপি তৈরি করেছেন। যদিও এই রেসিপি কখনো খাওয়া হয়নি, তবে আপনার উপস্থাপনা দেখে লোভ সামলাতে পারছিনা। ধাপ গুলো খুব সুন্দর ভাবে বর্ণনা করেছেন। ধন্যবাদ মজাদার রেসিপি শেয়ার করার জন্য।