জেনারেল রাইটিং - সভ্যতা এবং যুদ্ধ
আসসালামু আলাইকুম। প্রিয় আমার বাংলা ব্লগবাসী, কেমন আছেন আপনারা? আশা করি সকলেই ভালো আছেন। আজ আপনাদের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং শেয়ার করব। যার মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে, সভ্যতা এবং যুদ্ধ।

বর্তমানে পৃথিবীতে একটি যুদ্ধের ঢামাঢোল চলছে। যার ভুক্তভোগী পুরো পৃথিবীর মানুষ। বিশেষ করে আমাদের মত দরিদ্র দেশের মানুষগুলো বেশি ভুগছি।
যাইহোক কিছুদিন আগে কোথায় যেন একটি কথা পড়েছিলাম কিংবা শুনেছিলাম,
পৃথিবীতে সভ্যতার শুরু হয়েছিল যখন একজন শক্তিশালী এবং এর আগেই মানুষ পাথর ছোড়ার পরিবর্তে মুখ দিয়ে শব্দ ছুঁড়েছিলেন।
কি সুন্দর কথা! অর্থাৎ সেই রাগী এবং শক্তিশালী মানুষটি দুর্বল মানুষকে আঘাত না করে মুখের কথাও যে কাজ হয় এমনটা উপলব্ধি করেছিলেন। এভাবেই ধীরে ধীরে সভ্যতার বিকাশ শুরু হয়।
সভ্যতার বিকাশের অনেক গল্প, অনেক ইতিহাস, অনেক কিছুই আমরা শুনেছি, আমরা পড়েছি, আমরাও উপলব্ধি করতে পেরেছি। এই কথাটিও তেমন ঐ শক্তিশালী এবং সত্য একটি কথা।
তদুপরি সভ্য জাতির মধ্যে প্রতিনিয়তই লড়াই, ঝগড়া, যুদ্ধ লেগেই আছে। এর মধ্যেও অনেকেই শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য, শান্তি বজায় রাখার জন্য কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে থাকেন। বর্তমানে বিশ্বের শান্তি বিরাজমান রয়েছে কারণ দেশগুলো সব সময় কূটনৈতিক তৎপরতার উপরে জোর দেন। আমরাও চাই যে কোন সমস্যা সমাধান যেন কূটনৈতিক ভাবেই হয়।
কেননা যুদ্ধ কখনো শান্তি ফিরিয়ে দিতে পারে না। যুদ্ধ সবসময় ধ্বংস এবং অশান্তি নিয়ে আসে৷ যুদ্ধ আনে দরিদ্রতা। যুদ্ধ আমাদেরকে তিলে তিলে শেষ করে দেয়।
এজন্য বর্তমানে এসব ধ্বংসলীলা দেখে মনে হয় না আমরা এখনো সভ্যতার চূড়ায় অবস্থান করছি। আমাদের পতন হয়েছে, এমনটাই আমি ভাবি।
যুদ্ধ যে কেবল দেশে দেশে হয় এমনটাও নয়। পরিবারে পরিবারে যুদ্ধ, গ্রামে গ্রামে যুদ্ধ, শহরে শহরে যুদ্ধ। সবকিছুই বন্ধ পরিণতির দিকে আমাদের ধাবিয়ে নেয়। নিজেদের জন্য, সমাজের জন্য, আমাদের এসবকে এড়িয়ে চলতে হবে।