ছোট গল্প পোস্ট ||| আংটি পর্ব-০৩ ||| original writing by @saymaakter
*হ্যালো বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন? আশা রাখি সকলে পরিবারসহ বেশ ভালো আছেন এবং সুন্দর সময় অতিবাহিত করছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ পরিবারসহ বেশ ভালো আছি।
আজকে আবারও আপনাদের মাঝে নতুন একটি ব্লগ নিয়ে হাজির হতে চলেছি।আমার ছোট গল্প আংটির বিগত পর্বগুলোতে আপনাদের উৎসাহ পেয়ে গল্পটি লেখার আগ্রহ অনেক গুণ বেড়ে গিয়েছে।চলুন আর কথা না বাড়িয়ে আমার ছোট গল্প "আংটি পর্ব-০৩" এ কি লিখেছি তা দেখে নেওয়া যাক।
যে কথা সেই কাজ তারা চলে গেল কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে। সেখানে একটি রুম বুকিং দিল।তারপর সেখানে তারা আনন্দের জন্য চলে গেল এবং গন্তব্য স্থানে পৌঁছল। দুদিন যাওয়ার পর একদিন হঠাৎ তার রুমে কে যেন নীলিমার নাম করে একটি ডায়মন্ডের রিং পাঠিয়ে দিল। আর রিংটি রিসিভ করেছিল স্বপ্নিল।কোন নাম ঠিকানা পরিচয় কিছুই দেওয়া ছিল না এই নিয়ে একপ্রকার আতঙ্ক মনের মধ্যে ভয় কাজ করছিল।
নীলিমা কে স্বপ্নিল বারবার জিজ্ঞাসা করছিল তোমার পরিচিত কেউ নাকি তুমি জানো। নিলিমা বলল আমি এত দূরে এসেছি এখানে কাউকে আমি চিনি না কিভাবে আমার পরিচিত হবে। তারপর স্বপ্নিল নিজে নিজেকে প্রশ্ন করল ঠিকই তো অনেক দূরে চলে এসেছি এখানের মানুষজন কাউকে চেনে না কিভাবে পরিচিত হবে।
তারপর আংটিটা যে তাদের রুমে পাঠিয়েছে তাকে জিজ্ঞাসা করল এটা কোথায় থেকে কে পাঠিয়েছে সে দেখতে কেমন সে তাকে চেনে কিনা নানান প্রশ্ন। স্বপ্নের প্রশ্নগুলো লোকটি পেয়ে রীতিমতো রাগ হয়ে গেল। আমি কি করে তাকে চিনব সে আমাকে একটি গিফট দিল এত নাম্বার রুমে নীলিমা নামের মেয়েটিকে দিতে। তাই আমি আপনাদের রুম পর্যন্ত পৌঁছে দিলাম। স্বপ্নীল তখন বলল আপনাদের হোটেলে এসেছি সব তথ্য তো আপনাদের জানা উচিত।
এই নিয়ে তার সঙ্গে এক প্রকার তর্ক বিতর্ক হয়ে গেল। নীলিমা তখন স্বপ্নীল কে বলল শান্ত হও। এটার শেষটা কোথায় দেখে ছাড়বো আমি। তারপর তারা রুমে গিয়ে সেই আংটিটি ভালো করে দেখলো। এখনো সাধারন আংটি নয় ডায়মন্ডের এবং অনেক দামি একটি আংটি। পাথরগুলো শুধু চিকচিক করছিল এবং অনেক সুন্দর একটি আংটি। তারপর নীলিমা তার শাশুড়ির সঙ্গে পরামর্শ করল শাশুড়ি তাকে বলল তোমার আগে কারো সঙ্গে সম্পর্ক ছিল নাকি মা।
আমার পরিচয়
আমি মোছাঃ সায়মা আক্তার।আমি একজন ব্লগার, উদ্যোক্তা।কবিতা লিখতে, নতুন কোনো রেসিপি তৈরি করতে এবং নতুন নতুন ডিজাইন সৃষ্টি করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি।আমি উদ্যোক্তা জীবনে সব সময় গ্রামের অবহেলিত মহিলাদের নিয়ে কাজ করি।আর এই অবহেলিত মহিলাদের কাজ নিয়ে দেশের স্বনামধন্য কিছু প্রতিষ্ঠানে প্রোভাইড করি এবং দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বর্তমানে বিদেশেও রপ্তানি করছি।আর এসব কিছুর পিছনে আমার এই অবহেলিত মহিলাদের উৎসহ এবং উদ্দীপনায় সম্ভব হয়েছে।তাই সব সময় আমি অবহেলিত মানুষের পাশে থাকতে এবং অবহেলিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে খুব ভালো লাগে।এজন্যই সব সময় অবহেলিত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি এবং তাদের সহযোগিতায় নিজেকে সব সময় সম্পৃক্ত রাখি।আমি ২০২১ সালের আগস্ট মাসে স্টিমিটে যুক্ত হই।আমার বাংলা ব্লগে শুরু থেকে আছি এবং এখন পর্যন্ত আমার বাংলা ব্লগেই ব্লগিং করে যাচ্ছি।
🇧🇩আল্লাহ হাফেজ🇧🇩




