ই-মেইল
ধৈর্য সহকারে আমার বার্তা পড়ার জন্য বিনীত আবেদন করছি।
যদি এই মুহূর্তে আপনি আমার বার্তা পড়তে শুরু করেন, তাহলে আন্তরিক প্রীতি ও সম্মান জানাচ্ছি।
গত কয়েকদিন ধরে আপনাদের কোম্পানির সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো বেশ ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করেছি, তবে খুব আহামরি তথ্য পাইনি। অবশেষে বাধ্য হয়ে আপনাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ঘাঁটাঘাঁটি করার চেষ্টা করেছি, সেখান থেকেই মূলত বার্তা পাঠানোর এই ঠিকানাটি পেয়েছি।
ওয়েবসাইটটি মোটামুটি পর্যবেক্ষণ করেছি এবং বেশ কিছু চমকপ্রদ তথ্য পেয়েছি, যা আমাকে আপনাদের কোম্পানি সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা দিয়েছে। এখন আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে—আমার কেন এত আগ্রহ আপনাদের কোম্পানিকে ঘিরে?
সহজভাবে বলতে গেলে, দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে আধুনিক ব্যবসায়িক মার্কেটিং নিয়ে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। পাশাপাশি উন্মুক্তভাবে লেখালিখি করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি, যা আমার কাছে অনেকটা শখের মতো।
যেহেতু আপনাদের কোম্পানির কাজ কৃষি সম্পর্কিত, তাই ভেবেছি এখানে তৃণমূলের কৃষকদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার এবং তাদের কথাগুলো কাছ থেকে শোনার একটি ভালো সুযোগ রয়েছে।
আপনাদের মার্কেটিং পলিসি অবশ্যই গোছানো ও সুপরিকল্পিত। তবে আমি মনে করি, আমার সৃজনশীল চিন্তাধারা যদি আপনাদের মার্কেটিং পলিসির সঙ্গে যুক্ত করা যায়, তাহলে তা আপনাদের কোম্পানির জন্য উপকারী হবে এবং আমার জন্যও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
আমার কর্মসংস্থানের প্রয়োজন আছে—এটা সত্য। তবে তা গৎবাঁধা নিয়মের বেড়াজালকে কিছুটা পরিমার্জিত করে, যা হবে যুগোপযোগী, টেকসই ও সুদূরপ্রসারী।
আমি চাইলে আপনাদের কোম্পানির জব সার্কুলার থেকে কোনো পদে আবেদন করতে পারতাম। তবে সেই ক্ষেত্রে আমার চিন্তাশীল সৃজনশীলতা বিকাশের সুযোগ সীমিত হয়ে যেত, কারণ আমি স্বাধীনচেতা স্বভাবের মানুষ। তাই সরাসরি আপনাদের অফিসিয়াল ই-মেইলে এই বার্তাটি পাঠালাম।
আমি চাই, বার্তাটি আপনাদের কোম্পানির সর্বোচ্চ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নজরে পৌঁছাক।
কৃতজ্ঞতা।

