অবশেষে হাসব্যান্ডের বাংলাদেশে যাওয়ার ডেট ফাইনাল হলো
বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন ? আশা করি ভালোই আছেন, আমিও আলহামদুল্লিাহ ভালো আছি।
আমার গতকালের পোস্টটি যারা পড়েছিলেন তারা জানেন আমার শাশুড়ি খুবই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন।এখন হসপিটালে রয়েছেন, ব্রেন স্ট্রোক হয়েছিল তার।তবে আশার কথা হচ্ছে তিনি এখন মোটামুটি ভালো রয়েছেন।আশা করছি ২-৩ দিনের মধ্যেই হয়তো বাসায় ফিরে যেতে পারবেন।তারপরও অনেক রিস্ক রয়েছে। যাইহোক বাংলাদেশ থেকে আমার বড় ভাসুরের সাথে হাসব্যান্ডের কথা হয়েছিল। তিনি চাচ্ছিলেন যে তারা সকল ভাই এখন বাংলাদেশে চলে আসুক, আর ঈদটা যেন তাদের মায়ের সাথে একত্রে কাটাতে পারেন।এ কারণে হাজব্যান্ড আর আমার ছোট ভাসুর আগামী রবিবার টিকেট ফাইনাল করেছেন। আগামী রবিবার বিকাল বেলায় তাদের ফ্লাইট, আর সোমবার তারা পৌছাবে বাংলাদেশে। যাইহোক দীর্ঘদিন পর তারা পাঁচ ভাই একত্রিত হতে যাচ্ছেন। নরমালি বিশেষ কোনো আয়োজন ছাড়া সকলে একত্রিত হতে পারে না, যে যার সুবিধা মত টাইমে গিয়ে থাকে।
এদিকে এই প্রথম হাজব্যান্ডকে ছাড়া আমরা এবার ঈদ করব।মেয়ে দুটির মন খারাপ তারা তাদের বাবাকে ছাড়া ঈদ করবে। এদিকে ছোট মেয়ে কান্নাকাটি করছে।ছোট মেয়ের ডাবল কষ্ট একদিকে যেমন ঈদে তার বাবাকে পাবে না, অন্যদিকে তার জন্মদিনেও তার বাবা থাকবে না।কোনদিনও এমন হয়নি বাবাকে ছাড়া তার ঈদ, আর জন্মদিন।এদিকে বাবা তাকে সান্তনা দিচ্ছে বাংলাদেশ থেকে ফিরে এলে তার জন্মদিন আবার বড় করে করবে।
এদিকে হাতে সময় খুবই কম। আর মাত্র ২-৩ দিন বাকি রয়েছে। তাই ঘরের যাবতীয় কেনাকাটাও করে ফেলতে হবে এই দুই-একদিনের মধ্যে।মাছ, মাংস, চাল, ডাল, পেঁয়াজ, মরিচ আরো যাবতীয় জিনিসপত্র তো আমার পক্ষে কেনা সম্ভব নয়, কারণ গাড়ি ছাড়া এগুলো আনা খুবই কষ্টকর ব্যাপার। তাই হাসবেন্ড এগুলো সবই আজ কিনে ফেলেছে।মোটামুটি এক মাসের বাজার।এর মধ্যে আর কিনতে হবে না।দশটি চিকেন, আর ৮ কেজি শিপের মাংস কেনা হয়েছে।যেহেতু বাচ্চারা মাংস ছাড়া আর কোন কিছু খায়না তাই মাংসের পরিমান বেশি রয়েছে।যাইহোক টুকটাক আরও যে সকল জিনিসপত্র লাগবে তা আমি কাছের শপ থেকেই কিনে আনতে পারব, দোকান বেশি দূরে নয়।মাছ,মাংসের দোকান অনেক দূরে তাই আমার পক্ষে কেনা সম্ভব নয়।নরমালি আমি কেনাকাটা তেমন করি না, সবকিছুই হাসব্যান্ড করে আনে।যাইহোক প্রয়োজনের তাগিদে সব কিছুই সকলকে করতে হয়। এছাড়া বাচ্চাদের স্কুল রয়েছে।বাচ্চাদের স্কুল থেকে আনা নেয়ার কাজ হাজব্যান্ডই করত। এখন এই দায়িত্ব আমাকেই নিতে হবে।এই একমাস আমাকে যথেষ্ট কষ্ট করতে হবে।কি আর করা? একটু তো সেক্রিফাইস করতেই হবে, যেহেতু শাশুড়ি খুবই অসুস্থ।এখন একটি মাত্রই চাওয়া, সকলে ভালোভাবে তাদের মাকে নিয়ে ঈদটি উদযাপন করে যেন ভালোভাবে ফিরে আসতে পারে। সকলেই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।
বন্ধুরা এটিই ছিল আমার আজকের আয়োজন।পরবর্তীতে নতুন কিছু নিয়ে হাজির হব আপনাদের মাঝে।
ধন্যবাদ,

👉 আমাদের discord চ্যানেল এ JOIN করুন :
VOTE @bangla.witness as witness
OR
[
](https://steemitwallet.com/~witnesses


