সবকিছু ঠিক থাকলেও ভেতরে ফাঁপা ফাঁপা লাগে!
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
আমার মাঝেমধ্যে কেমন যেনো একটা অনুভূতি হয়।অনেকটা যেনো সবকিছু ঠিক থাকলেও ভেতরে ফাঁপা ফাঁপা লাগে এই কথাটা এখন অনেক পরিচিত। বাইরে থেকে সবাই দেখে হয়তো সব কিছুই ঠিকঠাক চলছে। আপনার পড়াশোনা চলছে, চাকরি আছে, পরিবার ঠিকঠাক আছে, খাওয়া-দাওয়া, ঘুম সবই ঠিক। কিন্তু তবুও যেনো একটা অদ্ভুত শূন্যতা কাজ করে ভেতরে।এই ফাঁপা ভাবটা আসলে কিসের জন্য, সেটা বোঝা কঠিন। অনেক সময় এটা কারণ ছাড়াও আসে। আবার কখনো নিজের চাওয়া পূরণ না হওয়া, কিছু অপূর্ণতা, কারো ব্যবহার, বা নিজের ভেতরের চাপা কষ্ট থেকেও এটা হতে পারে। আপনি হাসছেন, কথা বলছেন, কাজ করছেন, কিন্তু ভিতরে একটা জায়গা খালি খালি লাগে। কারো সাথে কথা বলতে ইচ্ছা করে না, আবার একা থাকলেও ভালো লাগে না।
কখনো কখনো মনে হয়, কিছু একটা মিস করছি। কিন্তু ঠিক কী সেটা, বোঝা যায় না। জীবনে যেনো সবই আছে, তবুও যেনো কিছুই নেই। এই অনুভূতিটা অনেক ক্লান্ত করে তোলে।এই রকম অবস্থা মানসিকভাবে খুব বেশি প্রভাব ফেলে। আপনি চাইলেও আনন্দ উপভোগ করতে পারেন না। কাছের মানুষের ভালোবাসাও তখন খুব একটা ছুঁয়ে যায় না। নিজের মধ্যেই একধরনের দূরত্ব তৈরি হয়, যেটা কেউ বুঝতে পারে না। কেউ দেখেও বলে তুমি তো ঠিকই আছো, কিন্তু সেই ঠিক থাকার ভেতরের অস্পষ্ট কষ্টটা কেউ বুঝতে চায় না।এই ফাঁপা লাগার পেছনে একটা কারণ হলো নিজের জন্য সময় না থাকা। সব কিছুর পেছনে ছুটতে ছুটতে অনেক সময় মানুষ নিজেকে ভুলে যায়। নিজের অনুভূতি, নিজের ইচ্ছেগুলোকে চেপে রাখে। দিন শেষে সেটা জমে জমে একসময় শূন্যতায় রূপ নেয়।
সমাধান হয়তো একেবারে নেই। কিন্তু মাঝে মাঝে থেমে যাওয়া দরকার। নিজেকে শোনার চেষ্টা করা দরকার। অন্যকে বুঝাতে না পারলেও, নিজের মনটা বোঝার চেষ্টা করা দরকার। কারণ এই ফাঁপা ফাঁপা লাগা যদি দীর্ঘদিন থেকে যায়, সেটা অনেক বড় মানসিক চাপের দিকে নিয়ে যেতে পারে।নিজের ভেতরটা গুছিয়ে নেয়া সবচেয়ে জরুরি। বাইরের সব কিছু ঠিক থাকলেই যে মানুষ ঠিক থাকে, সেটা কিন্তু নয়। ভিতরের শান্তিটাও ঠিক ততটাই দরকার।

