Drishyam (2013)- Malayalam Movie Movie Director ; Jeethu Joseph Original actor ; Mohanlal IMDb Rating - 8.4/10 My Rating – 10/10
হ্যালো বন্ধুরা আজ আমি
আর একটি চলচ্চিত্র পর্যালোচনা নিয়ে এসেছি। এবং আজ আমি Drishyam নামের Malayalam Movie সম্পর্কে, আমার চিন্তাভাবনার কথা বলতে যাচ্ছি। আমার কাছে মুভিটি দারুণ লেগেছে কারণ এটি Crime sequel movie। প্রতিটি বিষয় দারুন ভাবে সাজিয়েছে .এটি দেখে সত্যি খুবই ভালো লেগেছে আমার। তাই সেই ভাল লাগা থেকে আজ আমি এখানে আবারও মুভি রিভিউ করছি ।
এই ছবিটি 2013 সালে মুক্তি পায়। এই ছবিটি এমন একটা গল্প তুলে ধরা হয়েছে একজন সাধারণ মানুষ তার নিজের পরিবারকে বাঁচানোর জন্য তিনি যেকোনো কিছু করতে পারে, আবার যেকোনো ঘটনা ঘটিয়ে দিতে পারে, এই ছবিটি না দেখলে তা বোঝা আসলেই কঠিন।
প্রথম পর্যায়ে ছবিতে দেখানো হয়েছে খুব সাধারন একটা গ্রামে ছেলেকে, যার নাম জজ কুর্তি। গ্রামের ছেলে বলে বেশি দূর পর্যন্ত লেখাপড়া করতে পারেনি তারপরও সে ক্লাস ফোর পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে। এখন সে গ্রামে ছোটখাটো একটি কেবল টিভির ব্যবসা করে। সে বিয়ে করেছে এবং তার দুটি মেয়ে আছে তার বউয়ের নাম হল রানী এবং দুই মেয়ের নাম অঞ্জু এবং অনু খুবই সুখী পরিবার।গ্রামের মানুষ বলে সকলের সাথে তার বেশ ভালো মিল আছে সবার সাথে বেশ খাতির শুধু গ্রামের মধ্যে একটি মানুষের সাথে তার মিল নেই শুধু কনস্টেবল সহদেবের সাথে। কারণ জজ কুর্তি খুব সাধারণ মানুষ। সাধারণ ভাবে জীবন যাপন করে এবং সৎপথে চলে কিন্তু পুলিশ কনস্টেবল সহদেব ছিল পুরোটাই উল্টো। সে নিজের পুলিশের পোশাকের জোর খাটিয়ে মানুষের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করত এবং এমনকি চায়ের দোকান বাজার ঘাটে এসে বিনা পয়সায় সব কিছু নিয়ে যেত এবং মানুষকে একটি পয়সাও দিত না আর তাই এই কারণের জন্য তার সাথে জজ কুর্তি কোন মিল ছিল না ।
জজ কুর্তি দিনের অধিকাংশ সময় ডিস ক্যাবলের এর অফিস থাকে তাই অধিকাংশ সময় মুভি দেখি এবং সে মুভি দেখে অনেক কিছু শিক্ষা লাভ করে । অল্প ক্লাস পড়লেও সে মুভি থেকে অনেক কিছু শিক্ষা লাভ করে এবং তাই সে যে কোনো চিন্তা-ভাবনা খুব গভীরভাবে চিন্তাভাবনা করার পরে কোন সিদ্ধান্ত নেয়।এক বার তার বড় মেয়ে অঞ্জু তার বাবাকে বলে শহরের একটা বড় কেম স্পিন ক্লাবে ভর্তি হবে এবং সেখানে সে কিছুদিন ট্রেনিং করবে। তার বাবা প্রথম পর্যায়ে রাজি না হলেও পরবর্তী রাজা এবং মেয়েকে সেখানে যেতে দেয়। এবং সেখান থেকে ঘটনার মুল কাহিনি। সেখানে গিয়ে অর্জুন নামের এক ছেলের সাথে তার দেখা এবং সে তাকে গোপনে তার নগ্ন ভিডিও ধারন করে মোবাইল ফোন এবং পরবর্তী সময়ে তাকে ব্লাকমেইল করতে থাকে এবং একপর্যায়ে সে তাকে বলে যে রাতের অন্ধকারে এই নির্জন স্থানে আসতে।
সে বলে যে যদি সে যা চায় তা না পায় তাহলে সেই ভিডিও সে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেবে । আর এই বরুণ ছিল পুলিশ আইজি গীতার একমাত্র ছেলে।এখন বরুণের কথামতো ও অঞ্জু কে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করতে হবে । রাতে অঞ্জু যখন বরুনের কাছে আসে, ঠিক এমন সময় অঞ্জু মা চলে আসে তার সামনে। বিষয়টি জানার পর তাকে অনুরোধ করে এবং বলে সে যেন তার মেয়ের এই ভিডিও ডিলিট করে দেয়। কিন্তু বরুণ কোন মতেই রাজি হয়না এবং একপর্যায়ে বরুণ তার মেয়েকে বাদে দিয়ে বলে তাকে তার সাথে বা শারীরিক সম্পর্ক করতে। ঠিক এমন সময় অঞ্জু একটি লাঠি দিয়ে বরুণের মাথায় আঘাত করে এবং সাথে সাথে বরুণ মাটিতে শুয়ে পড়ে মারা যায়।
মারা যাওয়ার পর মা ও মেয়ে কোন মতে তাকে বাড়ির পাশে একটি গর্ত করা সেখানে টেনে নিয়ে যায় এবং সেখানে গিয়ে মাটি চাপা দেয়। এবং এই পুরো দৃশ্যটা তাদের ছোট মেয়ে দেখে ফেলে এবং তারা ভয়ে কাঁপতে থাকে এবং পরবর্তী সকালবেলায় জজ কুর্তি বাসায় আসে এবং পুরো বিষয়টা তার স্ত্রী রানী তাকে বলে। জজ কুর্তি চিন্তায় পড়ে যায় কিভাবে তার পরিবারকে এই বিপদ থেকে রক্ষা করবে।
Malayalam Movie হলেও এই মুভিটির হিন্দি ভার্সন ইউটিউবে আছে ।আর আমি তাই সেই হিন্দি ভার্সন ইউটিউবে লিংক এখানে দিচ্ছি আপনার এখানে ক্লিক করে মুভিটি দেখতে পারেন ।
https://twitter.com/abusamad2020/status/1372606088684572676?s=19