রবীন্দ্র কুঠিবাড়ির আঁনাচে-কাঁনাচে। - প্রথম পর্ব।
এইতো কিছুদিন আগের কথা। ঘুরতে গিয়েছিলাম বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি। বাড়ির আনাচে-কানাচে সব জায়গায় ঘুরে ফিরেছি। প্রচুর প্রচুর ছবি তুলে নিয়ে এসেছিলাম। রবি ঠাকুরের ব্যবহৃত জিনিসপত্র, হাতে লেখা চিঠি, কবিতা, চিত্রকর্ম সবকিছুর ছবি তুলে নিয়ে এসেছি আপনাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ব্যবহৃত খুব বেশি জিনিসপত্র উনার কুঠিবাড়িতে রাখা নেই। তবে যেগুলো এখন পর্যন্ত অক্ষত আছে সেগুলোই শোঅফ করে রাখা হয়েছে। তবে যা কিছু রাখা আছে সেটাই রবি ঠাকুরের ভক্তদের কাছে বিশাল ব্যাপার। আর যাই হোক কল্পনা তো করা যাবে অন্তত, যে রবি ঠাকুর এগুলো কিভাবে ব্যবহার করতেন। যারা ওখানে সরোজমিনে গিয়েছে তারা তো সবকিছু দেখেছে কিন্তু যারা যায়নি তাদের দেখার সুযোগ করে দিচ্ছে আমি আজকে। ধন্যবাদ দিতে কিন্তু কিপটামি করবেন না। 😅
তথ্যঃ- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবদ্দশায় ব্যবহৃত তার পদ্মা বোট এর প্রতিরূপ।
লোকেশনঃ- রবীন্দ্রনাথ কুঠিবাড়ি।
ডিভাইসঃ- শাওমি রেডমি নোট ৯ প্রো ম্যাক্স ।
তথ্যঃ- কবিগুরুর ব্যবহৃত আলমারি।
লোকেশনঃ- রবীন্দ্রনাথ কুঠিবাড়ি।
ডিভাইসঃ- শাওমি রেডমি নোট ৯ প্রো ম্যাক্স ।
তথ্যঃ- পানি পরিশোধন করার যন্ত্রটির স্ট্যান্ড।
লোকেশনঃ- রবীন্দ্রনাথ কুঠিবাড়ি।
ডিভাইসঃ- শাওমি রেডমি নোট ৯ প্রো ম্যাক্স ।
তথ্যঃ- কুঠিবাড়ির আশে পাশের ঘাস কাটার জন্য এই যন্ত্রটি ব্যবহার করা হতো।
লোকেশনঃ- রবীন্দ্রনাথ কুঠিবাড়ি।
ডিভাইসঃ- শাওমি রেডমি নোট ৯ প্রো ম্যাক্স ।
তথ্যঃ- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ব্যবহৃত আটকোণা বিশিষ্ট একটি টেবিল
লোকেশনঃ- রবীন্দ্রনাথ কুঠিবাড়ি।
ডিভাইসঃ- শাওমি রেডমি নোট ৯ প্রো ম্যাক্স ।
তথ্যঃ- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সেই বিখ্যাত আট বেহারার পালকি।
লোকেশনঃ- রবীন্দ্রনাথ কুঠিবাড়ি।
ডিভাইসঃ- শাওমি রেডমি নোট ৯ প্রো ম্যাক্স ।
তথ্যঃ- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক ব্যবহৃত পল্টুন। দেখে মনে হয় এখনও ব্যবহার করা যাবে।
লোকেশনঃ- রবীন্দ্রনাথ কুঠিবাড়ি।
ডিভাইসঃ- শাওমি রেডমি নোট ৯ প্রো ম্যাক্স ।
তথ্যঃ- ইঞ্জিন চালিত স্পিড বোর্ড। এটায় চড়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পদ্মা নদীতে ঘোরাফেরা করতো।
লোকেশনঃ- রবীন্দ্রনাথ কুঠিবাড়ি।
ডিভাইসঃ- শাওমি রেডমি নোট ৯ প্রো ম্যাক্স ।
তথ্যঃ- জাস্ট ইমাজিন । এই চেয়ার টেবিলে বসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর খাজনা আদায় করতো।
লোকেশনঃ- রবীন্দ্রনাথ কুঠিবাড়ি।
ডিভাইসঃ- শাওমি রেডমি নোট ৯ প্রো ম্যাক্স ।
তথ্যঃ- উঁচু-নিচু জমির মাটি মসৃণ করতে এই যন্ত্রটি ব্যবহার করা হতো।
লোকেশনঃ- রবীন্দ্রনাথ কুঠিবাড়ি।
ডিভাইসঃ- শাওমি রেডমি নোট ৯ প্রো ম্যাক্স ।
এইতো ছিল আজকের দশটি ফটো। আশা করি আপনারা খুব ইনজয় করেছেন। আমি আজ বেশি ফটো শেয়ার করলাম না কারণ মজা একদিনে শেষ করে দেওয়া ঠিক নয়। সব সময় একটা আকর্ষণ রেখে দেওয়া উত্তম । আমি আরো দুইটি পর্ব শেয়ার করব আপনাদের সাথে। প্রত্যেকটি পর্ব যদি আপনারা দেখেন তাহলে আশাকরি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ির আনাচে-কানাচের সবকিছু দেখা হয়ে যাবে। তাহলে আজ আমি বিদায় নিচ্ছি। দেখা হবে আবার নতুন কোন পোস্টে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ্ হাফেজ ।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |











রবীন্দ্র কুঠিবাড়ির
আঁনাচে-কাঁনাচের
দশটি ফটোগ্রাফি
নতুন করে হৃদয় আমার
নিচ্ছে অটো থেরাপি
তোমার ফটোগ্রাফির
ভাইয়া হয়না তুলনা
আজকে আবার নতুন
করে শুভ সূচনা
রবীন্দ্র কুঠির গিয়েছিলাম
বেশ কিছুদিন আগে
ঘুরতে গেলে ও মনের ভেতর
অনুপ্রেরণা জাগে
♥♥
আপুর কবিতা সব সময় রেডি। সুন্দর হয়েছে কিন্তু।
ধন্যবাদ ভাইয়া
♥♥
আপনাদের ভালো লাগাতে পেরেছি এটাই আমার সার্থকতা।
তবে আমি আপনাকে একটা পরামর্শ দিতে চাই ।কমেন্ট করার সময় আপনি যেই পয়েন্ট Markdown কোড ব্যবহার করে কমেন্ট করেছেন, এটা ভালো দেখায় না। এটা শুধুমাত্র পয়েন্ট আকারে কোন কিছু লেখার সময় ব্যবহার করতে হয়৷
ঠিক আছে ভাই, সুন্দর পরামর্শ দেওয়া জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
ভাই শুরুতেই আপনাকে ধন্যবাদ জানালাম যাতে আপনি আমাকে কিপটা মনে না করেন। কুঠি বাড়িতে আমি একবার গিয়েছিলাম বন্ধুদের সাথে। আবারো ভবিষ্যতে যাবার ইচ্ছা আছে। সত্যি কথা বলতে কি রবি ঠাকুর এমন একজন মানুষ যারা শত বছরে একবার জন্মায়। বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে যিনি প্রতিষ্ঠা করে গেছেন তিনি আমাদের রবি ঠাকুর। আর তার স্মৃতিবিজড়িত স্থান গুলো দেখার সুযোগ করে দেয়ার জন্য সবার পক্ষ থেকে আপনাকে আবারো জানাই ধন্যবাদ
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ভাই সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
কিপটামি না করে ধন্যবাদ দিয়ে দিলাম ভাই। আসলে ধন্যবাদ না দিয়ে থাকাও গেলোনা। কারন এই করোনাতে বাসায় বসে বসেই আপনার মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ এর কুঠিবাড়িটি দেখে ফেললাম। ভালোই লাগলো। একটা প্রশ্ন ভাই। পালকি টা কি লোহার তৈরী?
ধন্যবাদ দেওয়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ ভাই 🤣
ধন্যবাদ দেওয়াতে ধন্যবাদ দেওয়ার জন্য আপনাকে আবার ধন্যবাদ।
উপরোক্ত বিষয়গুলো সম্পর্কে আমার কোন ধারণা ছিল না আগে। যাক আপনার মাধ্যমে কিছুটা হলেও জানতে পেরেছি অসংখ্য ধন্যবাদ।
আপনাকেও ধন্যবাদ।
হাহাহহাহাহ আগেই বলে দেই ধন্যবাদ হাহহাহা।
আর আমি বুঝে গেছি ভাই অনেক দিন এর পোস্ট চালিয়ে দিবেন😝😝 এই পর্ব করে। কিন্তু দাদার মিউজিয়াম এর যে আকর্ষ পাই এখানে পাবো নি?? বাংলাদেশ বলে কথা 😛😛
সব টাই হালকা মজা ছিল ভাই।
সত্যি অসাধারণ ছিল। তবে আমি এখানে গিয়েছিলাম😁😁😁
কিছু কিছু টেকনিক অবলম্বন না করলে কি হয়?? 😆😆
আমারটা তেমন একটা ইন্টারেস্টিং নাও হতে পারে। তবে চেষ্টা করব ভাল কিছু দেওয়ার।
আসলেই ভাই আপনি অনেক মজার লোক।
যাইহোক ভাইয়া সর্বশেষে আপনাকে অনেকগুলো ধন্যবাদ দিলাম
সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
তবে আমি আপনাকে একটা পরামর্শ দিতে চাই ।কমেন্ট করার সময় আপনি যেই পয়েন্ট Markdown কোড ব্যবহার করে কমেন্ট করেছেন, এটা ভালো দেখায় না। এটা শুধুমাত্র পয়েন্ট আকারে কোন কিছু লেখার সময় ব্যবহার করতে হয়৷
ধন্যবাদ বড় ভাইয়া আপনার মূল্যবান উপদেশ এর জন্য ❤️। আমি এটি অবশ্যই ভবিষ্যতে মেনে চলার চেষ্টা করব 🤗
মূল্যবান মন্তব্য করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
তবে আমি আপনাকে একটা পরামর্শ দিতে চাই ।কমেন্ট করার সময় আপনি যেই পয়েন্ট Markdown কোড ব্যবহার করে কমেন্ট করেছেন, এটা ভালো দেখায় না। এটা শুধুমাত্র পয়েন্ট আকারে কোন কিছু লেখার সময় ব্যবহার করতে হয়৷
ভাইয়া রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়িতে আমার যাওয়া হয়নি। কিন্তু আপনার আজকের ছবি গুলোর মাধ্যমে মনে হল যে আমি ঘুরে ঘুরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি দেখছি।আপনি খুব চমৎকার করে ছবিগুলো তুলেছেন এবং বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন যা দেখে খুবই ভালো লাগলো। আপনার পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
আসলে আমি চিন্তা করেছিলাম অনেকেই এখন পর্যন্ত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ির জিনিসপত্রগুলো দেখেনি। আমি যদি আমার পোষ্টের মাধ্যমে তুলে ধরি তাহলে সবাই দেখতে পারবে। আর আমার মনে হয় আপনাদের ভালো লাগাতেও পেরেছি এ ছবিগুলো দিয়ে। আশা করি পরবর্তী পর্বগুলো আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
সর্বপ্রথম একটি কথাই বলতে চাই ধন্যবাদ দিতে কোনো কার্পণ্য করবো না। কারণ আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে আজ যেই মহামূল্যবান জিনিসপত্র গুলো সম্পর্কে জানতে পেরেছি ও দেখেছি সেটার জন্য আপনার কাছে আমরা অনেক কৃতজ্ঞ । বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর কাজের মাধ্যমে সকলের অন্তরে চিরকাল বেঁচে থাকবেন। আমাদের সকলের প্রিয় শ্রদ্ধেয় এই মানুষটি আমাদের অন্তরে যায়গা করে নিয়েছেন। তার ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র যে কখনো দেখতে পাবো তা কখনোও কল্পনা করিনি। সত্যি কথা বলতে আপনি আজকে আপনার এই ফটোগ্রাফির মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র অনেক সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন। আসলে এই জিনিসগুলো পুরনো হলেও দেখতে একদম নতুনের মতই রয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত আট বেহারার পালকির কথা অনেক শুনেছি। কিন্তু কখনো যে এই বিখ্যাত পালকি দেখতে পাব তা ভাবতেও পারিনি। এছাড়া রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ব্যবহৃত আলমারির ফটোগ্রাফি দেখে খুবই ভালো লাগলো। ভাইয়া আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আপু।
তবে আমি আপনাকে একটা পরামর্শ দিতে চাই। আপনি মন্তব্য গুলো অনেক বড় না করে গঠনমূলক মন্তব্য করুন অল্প কথার মধ্যে। সেটা দেখতে আরো সুন্দর লাগবে। তাছাড়া যে পড়বে তার কাছেও অনেক ভালো লাগবে৷
কিছু মনে করবেন না প্লিজ। এটা আপনার ভালোর জন্য বললাম।
আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি ভাইয়া একটি সুন্দর পরামর্শ দেওয়ার জন্য। আমাদের কাজের মাঝে হয়তো ভুল থাকতে পারে। আপনারা বড় ভাইয়ারা যদি আমাদেরকে শিখিয়ে নেন তাহলে ভবিষ্যতে আমাদের এই ভুলগুলো আর হবেনা। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।