সফল জীবনের জন্য সুষম খাদ্য ও দৈনন্দিন অভ্যাস।
চিনি, চিনিযুক্ত খাবার এবং শর্করা খাওয়া কমিয়ে দেয়া।
প্রোটিন, ফল ও শাকসবজি বেশি খাওয়া।
হাঁটাহাঁটি, হালকা ব্যায়াম অথবা জিমে গিয়ে ওয়েট লিফট করা। নিয়মিত দেহের ওজনের প্রতি খেয়াল রাখা ।
দিনে বেশি বেশি পানি (কুসুম গরম) পান করা।
রাতে শোয়ার পূর্বে ন্যূনতম পানি পান করা। খাদ্য ও পানীয় আস্তে আস্তে খাওয়া।
রাতে ঘুমানো এবং পরিমিত ঘুমানো। (Sleep early at night and at least for 7 hours )
প্রতি সপ্তাহে (অন্তত প্রতিমাসে) এবং মাঝে মাঝে রোজা রাখা সুস্থতার জন্য কার্যকরী ওষুধ।
ওজন কমানোর ব্যায়াম বা শরীরচর্চা অপরিহার্য। অতি সহজ কয়েকটি শরীরচর্চা হলো: হাঁটা, জগিং, সাইকেল চালানো, ভারোত্তোলন, সাঁতার, খালি হাতে হালকা ব্যায়াম, নামাজ পড়া।
উত্তম খাদ্য :
আমাদের শরীর খাদ্য ও পানীয় থেকে যে শক্তি অর্জন করে তাকে বলে ক্যালরি। পরিচিত এই একক টি কিলোক্যালরি হিসাবে বেশি ব্যবহার হয়।
একটি মাঝারি গাজর ২৫ কিলোক্যালরি শক্তি যোগায়। আবার ৩০ মিনিট হেঁটে শরীর থেকে ৩০০ কিলোক্যালরি শক্তি খরচ করা যায়। শরীর সাধারণত প্রতি গ্রাম কার্বোহাইড্রেট বা প্রোটিন থেকে ৪ কিলোক্যালরি শক্তি অর্জন করে। অথচ প্রতি গ্রাম চর্বি বা তেলে রয়েছে ৯ কিলোক্যালরি শক্তি।
খাদ্য হতে উৎপন্ন শক্তি দিয়ে মাথা, হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস, নার্ভ সিস্টেম, কিডনি, হাত, পা সচল থাকে। আবার খাদ্যকে হজম করতে বা মেটাবোলিজ করতে শক্তি ব্যয় হয়। অর্থাৎ আমাদের খাদ্যগ্রহণ এবং শক্তি খরচ—এ দু'টোর পার্থক্যের উপর নির্ভর করে আমাদের সুস্বাস্থ্য তথা মোটা বা পাতলা হওয়া।
আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যগ্রহণ থেকে উৎপাদিত শক্তি আর হাঁটাচলা ও কর্মে ব্যয়িত শক্তির মাঝে যদি কোনো উদ্বৃত্ত থাকে, তবে আমরা মোটা হব এবং ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে যাব । এজন্যই কম শক্তিযুক্ত, ভিটামিনসমৃদ্ধ ও আঁশযুক্ত খাদ্য এবং পরিমিত খাবার আমাদের সুস্থ রাখে। মনে রাখতে হবে ক্যালরি হিসেবে রেখে খাদ্য গ্রহণ করলে ওজন কমবেই। তবে হ্যাঁ, পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম আবশ্যক।
শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ :
গবেষণায় এসেছে ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য আমাদের নিয়মতান্ত্রিক ও সামাজিক জীবন যাপন করা অত্যাবশ্যক। শ্রষ্টায় বিশ্বাসী হয়ে, ত্যাগী এবং কৃতজ্ঞ জীবনের মাঝেই সুখ ও সাফল্য।
ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখার কিছু কাজ ও নিয়মিত অভ্যাসের কথা বলছি।
নিয়মিত নামাজ পড়া ও মেডিটেশন করা।
লবণ বা চিনিযুক্ত খাবার, ডেইরী এবং প্রসেস করা খাদ্য (Processed food) ত্যাগ করা উত্তম। পরিমিত ও কম খাদ্য গ্রহণ করা। সামান্য ক্ষুধার্ত থাকা ।
পেট ভরে খাদ্য গ্রহণ না করা। মাঝে মাঝে রোজা রাখা।
সূর্যের আলো গায়ে লাগানো তথা ভিটামিন ডি-যুক্ত
খাদ্য খাওয়া।
ব্যথানাশক ও অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ না খাওয়া।
প্লাস্টিকের পাত্রে গরম করে কোনো খাদ্য ও পানীয় না খাওয়া।
হাঁটাহাঁটি, কায়িক পরিশ্রম, ঘরের কাজ করা, তথা খালি হাতে ব্যায়াম করা জরুরী। বয়স বাড়ার সাথে সাথে প্রয়োজনীয় ভিটামিন, ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট তথা ফিস অয়েল ক্যাপসুল খাওয়া ভালো।
পরিমিত (কমপক্ষে ৭ ঘণ্টা) এবং রাতে অন্ধকার কক্ষে ঘুমানো। রাত না জাগা এবং সকালে ঘুম থেকে উঠে শ্রষ্টার ইবাদত, হাসিখুশি, পরোপকারী ও সৎ জীবনযাপন করা। শ্রষ্টার কৃতজ্ঞতা ও মানবসেবা করা । ভোগবিলাসী জীবনের পরিবর্তে ত্যাগের জীবনে অভ্যস্ত হওয়াই মানব জীবনের মুখ্য উদ্দেশ্য।





আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এরকম একটি ইনফরমেশন মুলক তথ্য আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
আপনার পোস্ট পড়ে আমার মায়ের কথা মনে পড়ে গেল। আমার মা মূলত তার ওজন ঝড়ানোর জন্য। আপনার এই লেখার মতন করে সে ডায়েট কন্ট্রোল করার চেষ্টা করছে।
আজকে আপনার পোস্ট পড়ার মাধ্যমে জানতে পারলাম। একজন মানুষের জীবনের সুষম খাবার কতটা প্রয়োজন। সফল মানুষ এবং একজন রোগমুক্ত মানুষের জীবনে,,, সুষম খাবার খাওয়াটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
আপনি আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন একজন সফল মানুষ সুষম খাবার খেলে। তার শরীরের ক্ষেত্রে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে,,, এত সুন্দর একটা তথ্যবহুল পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল। ভালো থাকবেন।
শারীরিক সুস্থতার উপর নির্ভর করে আমাদের সকল কর্মকান্ড। কারণ শারীরিকভাবে যদি আমরা সুস্থতা অনুভব না করি, তাহলে কোনো কিছুই মনোযোগের সাথে করা সম্ভব না।
শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য খাদ্যের কয়েকটি পুষ্টিকর উপাদান আছে যেগুলোকে একসাথে সুষম খাদ্য বলা হয়। সুষম খাদ্যের মধ্যে রয়েছে দুধ, দুধে খাদ্যের প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টি উপাদান একসাথেই পাওয়া যায়।
আপনার লেখাতে উল্লেখিত এই বাক্যটির সাথে আমি সহমত পোষণ করছি না। কারণ আমাদের শরীর সুস্থ থাকলেই, মন ভালো থাকার সম্ভাবনা আছে।
যাইহোক আপনার সম্পূর্ণ লেখাটি বেশ ভালো লাগলো। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি লেখা আমাদের সাথে ভাগ করে নেওয়ার জন্য।